প্রতিনিধি ৮ অক্টোবর ২০২৫ , ৭:১৩:২০ প্রিন্ট সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক।।বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য,সংসদ সদস্য ও তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত বলেছেন,রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য মিথ্যাচার করলে শুধু প্রতিপক্ষই নয়,দেশের সাধারণ মানুষও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

তিনি বলেন,“রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য যখন মিথ্যাচার করা হয়,তখন প্রতিপক্ষের সঙ্গে দেশের মানুষও ভোগে।মিথ্যা প্রচারণা কেবল রাজনীতি নয়,রাষ্ট্রকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে।”
আরাফাত বলেন, “সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ড,পিলখানা হত্যাকাণ্ড এবং ৫ মে হেফাজতের ঘটনায় নিয়ে বছরের পর বছর অপপ্রচার চালানো হয়েছে।যদি এসব প্রচারণা সত্য হতো, তাহলে গত ১৪ মাসে তো সব কিছুর সমাধান চলে আসত। আসেনি কেন? কারণ এসব বিষয় নিয়ে মিথ্যাচার করা হয়েছিল—ঠিক যেমন ২৬ লাখ ভারতীয় নিয়ে মিথ্যাচার করা হয়েছিল।”
ভারতের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তিগুলো নিয়েও মিথ্যাচার হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন,“গত ১৪ মাসে ভারতের সঙ্গে সম্পাদিত কোনো চুক্তিই বাতিল করা হয়নি।কারণ প্রতিটি চুক্তির মাধ্যমেই বাংলাদেশের জনগণের লাভ হয়েছে।এগুলো বাতিল করলে বাংলাদেশেরই ক্ষতি হতো।বরং এখন ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানি আরও বৃদ্ধি করা হয়েছে—কেন? কারণ দেশের প্রয়োজনেই তা করা হয়েছে।”
আরাফাত বলেন,“পদ্মা সেতুর দুর্নীতি নিয়ে যত গালগল্প করা হয়েছিল,গত ১৪ মাসে একটিও প্রমাণ হাজির করতে পারেনি কেউ।অথচ সেই সেতু ব্যবহার করে সবাই সুবিধা ভোগ করছে।”
তিনি আরও বলেন,“বিদ্যুৎ খাতে ‘ক্যাপাসিটি চার্জ’ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ যারা তুলেছিল,তারা এখন সেটাকেই ‘মূলধন’ বলে চালাচ্ছে।কী অদ্ভুত এদের মিথ্যাচার!”
শেষে আরাফাত বলেন,“রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য মিথ্যাচার করলে তা সাময়িকভাবে কারও ক্ষতি করতে পারে,কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে দেশের মানুষই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।”
















