প্রতিনিধি ১০ জানুয়ারি ২০২৬ , ১:০১:৩৫ প্রিন্ট সংস্করণ
ডেস্ক রিপোর্ট।।আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন রাজনৈতিক জোটে প্রার্থী মনোনয়নের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা ও পেশাগত দক্ষতা নিয়ে আলোচনা জোরালো হচ্ছে।প্রাপ্ত পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা গেছে,যোগ্য প্রার্থীর সংখ্যার দিক থেকে জামায়াত সমর্থিত জোট বিএনপি সমর্থিত জোটের তুলনায় বহুগুণে এগিয়ে রয়েছে।

জামায়াত সমর্থিত জোটে যোগ্য প্রার্থী: ১৭৭ জন
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন বা সমর্থিত জোটে মোট ১৭৭ জন উচ্চশিক্ষিত ও পেশাগতভাবে প্রতিষ্ঠিত প্রার্থী রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য—
অধ্যাপক: ৩৬ জন
অধ্যক্ষ: ২৪ জন
প্রফেসর: ০৫ জন
ডাক্তার: ১৮ জন
ডক্টরেটধারী (ডক্টর): ১৩ জন
অ্যাডভোকেট: ২৪ জন
ব্যারিস্টার: ০৪ জন
ইঞ্জিনিয়ার: ০২ জন
মাওলানা: ৪৪ জন
হাফেজ: ০৪ জন
মুহাদ্দিস: ০২ জন
মুফতি: ০১ জন
এই তালিকা থেকে স্পষ্ট যে,জামায়াত সমর্থিত জোটে শিক্ষা, আইন,চিকিৎসা ও ধর্মীয় জ্ঞানের সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী পেশাগত বৈচিত্র্য বিদ্যমান।
বিএনপি সমর্থিত জোটে যোগ্য প্রার্থী: ১৬ জন
অন্যদিকে বিএনপি সমর্থিত জোটে যোগ্য প্রার্থীর সংখ্যা তুলনামূলকভাবে অনেক কম। মোট ১৬ জন যোগ্য প্রার্থীর মধ্যে রয়েছেন—
অধ্যাপক: ০৪ জন
ডাক্তার: ০৩ জন
ডক্টরেটধারী (ডক্টর): ০৩ জন
অ্যাডভোকেট: ০১ জন
ব্যারিস্টার: ০৩ জন
ইঞ্জিনিয়ার: ০২ জন
বিশ্লেষণ
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে,এই পরিসংখ্যান প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে দুই জোটের কৌশলগত পার্থক্যকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরে।যোগ্যতা,শিক্ষাগত অর্জন ও পেশাগত দক্ষতার নিরিখে জামায়াত সমর্থিত জোট একটি সুস্পষ্ট প্রাধান্য অর্জন করেছে,যা ভোটারদের সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রভাব ফেলতে পারে।
উপসংহার
সার্বিকভাবে দেখা যাচ্ছে,যোগ্য প্রার্থীর সংখ্যাগত ও গুণগত মান—উভয় দিক থেকেই জামায়াত সমর্থিত জোট বিএনপি সমর্থিত জোটের তুলনায় অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে। বিষয়টি রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা ও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
















