অপরাধ-আইন-আদালত

যমুনা সেতু–টাঙ্গাইল মহাসড়কে চলন্ত বাসে কলেজছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ,গ্রেপ্তার ৩

  প্রতিনিধি ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ , ৩:৩৮:৫৩ প্রিন্ট সংস্করণ

যমুনা সেতু–টাঙ্গাইল মহাসড়কে চলন্ত বাসে কলেজছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ,গ্রেপ্তার ৩

নিজস্ব প্রতিবেদক।।যমুনা সেতু–টাঙ্গাইল–ঢাকা মহাসড়কে চলন্ত বাসে এক কলেজছাত্রীকে রাতভর সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।এ ঘটনায় বাসের চালক,হেলপার ও তাদের এক সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইলের করটিয়া আন্ডারপাস এলাকায় সন্দেহজনকভাবে দাঁড়িয়ে থাকা একটি বাস আটক করে হাইওয়ে পুলিশ।পরে জিজ্ঞাসাবাদে ভয়াবহ এই ঘটনার তথ্য পাওয়া যায়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—দিনাজপুর সদরের নানদেরাই গ্রামের বাসচালক আলতাফ (২৫),ফরিদপুরের নগরকান্দার চারহাট গ্রামের হেলপার সাগর (২৪) এবং হবিগঞ্জ সদর থানার আব্দুল্লাহপাড়া এলাকার চালকের সহযোগী রাব্বি (২১)।

মধুপুর (এলেঙ্গা) হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শরীফ জানান,বুধবার (১৪ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকার একটি সরকারি কলেজের ২৬ বছর বয়সী এক বিবাহিত ছাত্রী ঢাকার রেডিও কলোনি এলাকা থেকে আশুলিয়ায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে সাভার পরিবহনের একটি বাসে ওঠেন।তখন বাসে আরও দুজন যাত্রী ছিলেন।

পরে অন্য যাত্রীরা নেমে গেলে চালক,হেলপার ও তাদের সহযোগী ওই কলেজছাত্রীকে জোরপূর্বক বাসে আটকে রাখে। তারা ভুক্তভোগীর স্বর্ণালংকার,টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়।অভিযোগ রয়েছে,এরপর বাসটি বিভিন্ন এলাকায় ঘোরাতে ঘোরাতে রাতভর তাঁকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয় এবং ঘটনার ভিডিও ধারণ করা হয়।

পরবর্তীতে করটিয়া আন্ডারপাস এলাকায় ঢাকাগামী লেনে বাসটি সন্দেহজনক অবস্থায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে হাইওয়ে পুলিশ সেটি আটক করে।জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় ভুক্তভোগীসহ বাস ও গ্রেপ্তারদের টাঙ্গাইল সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়।

টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমীন জানান,এ ঘটনায় ধর্ষণ মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরও খবর

Sponsered content