প্রতিনিধি ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ , ২:০৬:১৩ প্রিন্ট সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক।।একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ও সাম্প্রতিক জঙ্গি বিরোধী অভিযানের প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র আলোচনা দেখা দিয়েছে।

বক্তারা উল্লেখ করছেন,১৯৭১ সালে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ফাঁসির দণ্ড দিয়েছিল,কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে পাকিস্তানি শোষকদের চূড়ান্ত বিদায় নিশ্চিত হয়।
বর্তমান প্রেক্ষাপটে বক্তারা সতর্ক করছেন যে,স্বাধীনতার পরও পাকিস্তানের সহযোগী কিছু রাজনৈতিক শক্তি সক্রিয় থাকতে পারে এবং তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রাজনৈতিকভাবে চাপ সৃষ্টি করতে পারে।তবে বক্তারা এটিকে মূলত রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও আদর্শগত সংঘাত হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন।
বক্তব্যে আরও বলা হয়েছে,মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন এবং ২০২৪ সালের জঙ্গি ও সন্ত্রাসমুক্ত বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্য অর্জনে নতুন ধরনের সংগ্রাম প্রয়োজন হতে পারে।এই সংগ্রামকে বক্তারা রাজনৈতিক ও আদর্শিক লড়াই হিসেবে
উল্লেখ করেছেন,যার উদ্দেশ্য রাষ্ট্রকে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসমুক্ত রাখা এবং মুক্তিযুদ্ধের মৌলিক চেতনা সংরক্ষণ করা।
বিশ্লেষকেরা মনে করছেন,এমন ধরনের বক্তব্য বর্তমান রাজনৈতিক মেরুকরণ এবং অতীতের ঐতিহাসিক স্মৃতির সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত।তবে তারা সতর্ক করেছেন,সহিংসতার মাধ্যমে নয়—সংবিধান,আইন ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই ধরণের সমস্যার সমাধান করা জরুরি।















