ভোলা জেলা প্রতিনিধি।ভোলার লালমোহন ও তজুমদ্দিন উপজেলার নদীভাঙন রোধে কাজ শুরু হওয়ায় আনন্দের জোয়ারে ভাসছেন দুই উপজেলার প্রায় ৫ লাখ মানুষ। ভাঙনের কবলে পড়ে আর গৃহহীন হতে হবে না ভেবে ওই দুই উপজেলার মানুষ কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন সরকারের প্রতি। এখন দ্রুত এই প্রকল্পের কাজ শেষ করার দাবি দুই উপজেলার বাসিন্দাদের।

সরেজমিনে জানা গেছে, দীর্ঘদিনের নদীভাঙনে বসতঘর ও জমি হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছে এই দুই উপজেলার অনেক পরিবার।এক স্থানে ঘর ও জমি হারিয়ে আবার অন্য স্থানে গিয়ে নতুন করে বসতি গড়েছেন।কিন্তু সেখানেও স্বস্তি মেলেনি।পিছু ছাড়েনি নদী।ভাঙন আতঙ্কে দিন কাটতো তাদের। তবে এবার ওই দুই উপজেলার মানুষকে রাক্ষসী মেঘনার ভাঙন থেকে বাঁচাতে পানি উন্নয়ন বোর্ড ১ হাজার ৯৬ কোটি টাকা ব্যয়ে বাঁধ পুনর্বাসন,নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন ও তীর সংরক্ষণ শীর্ষক প্রকল্পের কাজ শুরু করেছে।এই প্রকল্প গ্রহণ করার পর থেকেই দুই উপজেলার মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

তজুমদ্দিন উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের আনন্দ বাজার গ্রামের বাসিন্দা বাদশা মিয়া,মাহামুদা বেগম ও মো. ছালাউদ্দিন জানান,তারা এ পর্যন্ত ৫-৭ বার নদীভাঙনের শিকার হয়েছেন।প্রতিবারই নদী ভাঙে আবার ধার-দেনা করে নতুন জমি কিনে বসতঘর নির্মাণ করেন।বর্তমানে আনন্দ বাজার এলাকায় বেড়িবাঁধের পাশে জমি কিনে বসবাস করছেন। বার বার নদী ভাঙনের কারণে তারা এখন নিঃস্ব।

তারা বলেন,বর্তমান সরকার আমাদের জন্য হাজার কোটি টাকার বরাদ্দ দিয়ে টেকসই বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু করেছে। কাজ শেষ হলে আর আমাদের বসতঘর ও জমি নদীর পেটে যাবে না। আমরা পাকাঘর নির্মাণ করবো।

তজুমদ্দিন উপজেলার চাচড়া ইউনিয়নের বাসিন্দা মো. ফিরোজ ও চাঁদপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা মো. রফিক সাদী জানান, নদীর তীরে টেকসই বেড়িবাঁধ হলে তজুমদ্দিন ও লালমোহন উপজেলার মানুষ বেড়িবাঁধ দিয়ে খুব সহজেই চরফ্যাশন উপজেলায় যেতে পারবেন। এছাড়াও চরফ্যাশন উপজেলায় যাতায়াতে খরচ কমবে বলে দাবি তাদের।

এ ব্যাপারে ভোলা-৩ আসনের সংসদ সদস্য নূরুন্নবী চৌধুরী শাওন জানান, তিনি সংসদ সদস্য হওয়ার পর থেকেই এই দুই উপজেলার মানুষকে নদীভাঙন থেকে রক্ষায় একের পর এক প্রকল্প এনেছেন। এতে করে নদীভাঙন অনেকটাই বন্ধ হয়ে গেছে। সর্বশেষ ১ হাজার ৯৬ কোটি টাকার প্রকল্প এনেছেন। সেটির কাজ শুরু হয়েছে। এটির কাজ শেষে হলে দুই উপজেলা স্থায়ীভাবে নদীভাঙন থেকে রক্ষা পাবে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ডিভিশন-২ এর উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. মিজানুর রহমান জানান, ২০২৫ সালের জুন মাসের আগেই এই প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। আর কাজ শেষ হলে লালমোহন ও তজুমদ্দিন উপজেলার মানুষ নদীভাঙনের হাত থেকে স্থায়ীভাবে রক্ষা পাবে।

তিনি আরও জানান, এই প্রকল্পে থাকছে ৩৪ কিলোমিটার টেকসই বেড়িবাঁধ, ১৭ কিলোমিটার নদীর তীর সংরক্ষণ ও ভাঙনরোধে জিও ব্যাগ, ১৯ কিলোমিটার বেতুয়া নদী খনন, ৭টি স্লুইচ গেট, ৩টি ওয়াচ টাওয়ার বা পর্যবেক্ষণ টাওয়ার ও সোলার লাইটিং ৩৪৪টি।

প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সম্পাদকমন্ডলীর উপদেষ্টা:- ডক্টর শাম্মী আহমেদ* এ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন। *প্রকাশক-সম্পাদক:- এম মাজহারুল ইসলাম। **নির্বাহী সম্পাদক:--------------। **প্রধান বার্তা সম্পাদক:- ------------** বার্তা সম্পাদক:- এইচকেএম রোকন মিয়া। **ব্যবস্হাপনা সম্পাদক:- মোঃ শামীম আহমেদ* মোঃ মনিরুল ইসলাম। *আইন উপদেষ্টা:- এ্যাডভোকেট মোঃ মনজিল মোরশেদ* এ্যাডভোকেট মোঃ আফজালুল করিম। ** বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:- এএমএম টাওয়ার মেরুল বাড্ডা(প্রগতি সরণি) ঢাকা-১২১২। প্রতিষ্ঠা অফিস:- শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক( ১০৮ সদর রোড) বরিশাল। যোগাযোগের মোবাইল নাম্বার:-০১৯১৫-৬৩৩০৬০। E-Mail:-mazharulislam55683@gmail.com-jugantorbarta24@gmail.com-digitalbdnews2018@gmail.com Missed