নিজস্ব প্রতিবেদক।।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোটগ্রহণ চলাকালে ভোটের হার বৃদ্ধির গতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে ভোটের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার তথ্যকে কেন্দ্র করে নানা প্রশ্ন উঠেছে।
নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়,সকাল ৭টা থেকে ১১টা পর্যন্ত চার ঘণ্টায় ভোটের হার ছিল ১৪.৩২ শতাংশ।মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩ জন হিসেবে এ সময়ে প্রায় ১ কোটি ৮২ লাখের বেশি ভোট পড়ে। তবে বেলা ১২টার আপডেটে ভোটের হার বেড়ে দাঁড়ায় ৩২.৮৮ শতাংশ।অর্থাৎ এক ঘণ্টার ব্যবধানে ভোটের হার বৃদ্ধি পায় ১৮.৫৬ শতাংশ,যা সংখ্যায় প্রায় ২ কোটি ৩৭ লাখ ভোটের সমান।
এ তথ্য প্রকাশের পর সামাজিক মাধ্যমে অনেকে ভোটগ্রহণের গতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।তাদের যুক্তি,এত অল্প সময়ে এত বিপুল সংখ্যক ভোট গ্রহণ বাস্তবসম্মত কি না তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।কেউ কেউ কেন্দ্র ও বুথভিত্তিক গড় ভোটের হিসাব তুলে ধরে দাবি করেন,এক ঘণ্টায় প্রতি বুথে গড়ে কয়েকশ’ ভোট গ্রহণ করা কঠিন।
তবে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট অভিজ্ঞ মহলের মতে,শতাংশ বৃদ্ধির এই চিত্র সব সময় সরাসরি এক ঘণ্টার ভোটের প্রতিফলন নাও হতে পারে।অনেক ক্ষেত্রে বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে দেরিতে তথ্য আসা,একসঙ্গে আপডেট হওয়া বা রিপোর্টিং পদ্ধতির কারণে হঠাৎ বড় বৃদ্ধি দেখা যেতে পারে।এছাড়া কেন্দ্রভেদে ভোটগ্রহণের গতি ভিন্ন হতে পারে।
এদিকে কিছু রাজনৈতিক পক্ষ দাবি করেছে,ভোটের সার্বিক পরিবেশ ও অংশগ্রহণের হার নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতার সঙ্গে সম্পর্কিত।তাদের মতে,বিরোধী দলের অংশগ্রহণ ও ভোটার উপস্থিতি কম হলে নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়।অন্যদিকে ক্ষমতাসীনদের সমর্থকরা বলছেন,ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণ হয়েছে এবং নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত ফলাফলের ওপর আস্থা রাখা উচিত।
নির্বাচনের সার্বিক চিত্র, চূড়ান্ত ফলাফল এবং পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলোর প্রতিবেদন প্রকাশের পরই এ বিষয়ে পরিষ্কার মূল্যায়ন পাওয়া যাবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
![]()
















































সর্বশেষ সংবাদ :———