নিজস্ব প্রতিবেদক।।বাংলাদেশে ২০২৪ সালের আগস্টে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ১৮ মাসে ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারি হয়েছিল।নতুন বিএনপি সরকারের প্রধান তারেক রহমান ও মন্ত্রীরা শপথ নেওয়ার পর এসব অধ্যাদেশের আইনি ভিত্তি সংক্রান্ত অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
বিএনপি সরকারের আপত্তি মূলত সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন সংক্রান্ত আদেশসহ কিছু স্পর্শকাতর অধ্যাদেশ নিয়ে। বিশেষ করে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ,সরকারি চাকরিতে বয়সসীমা বৃদ্ধি,এবং ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা অধ্যাদেশগুলোর বিষয়ে তারা যাচাই-বাছাই করছেন।
যদিও দায়মুক্তির অধ্যাদেশের বিষয়ে বিএনপি ইতিমধ্যেই আইনি ভিত্তি দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে।তবে সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কিছু অধ্যাদেশকে তারা বাতিল করতে পারেন।
সংসদের প্রথম অধিবেশন ১২ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে, এবং এর পর ৩০ দিনের মধ্যে যে অধ্যাদেশগুলোর আইনি অনুমোদন হবে না,সেগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।
আইনজ্ঞরা মনে করছেন,অনেক অধ্যাদেশের আইনি বৈধতা নিয়ে উচ্চ আদালতে চ্যালেঞ্জ হতে পারে।ফলে বিএনপি সরকারের সিদ্ধান্ত নেয়ার প্রক্রিয়া রাজনৈতিক ও আইনি জটিলতায় ঘেরা।
![]()






















































সর্বশেষ সংবাদ :———