প্রতিনিধি ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ , ২:২০:৩৮ প্রিন্ট সংস্করণ
যশোর প্রতিনিধি।।বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষণা করেছেন,দল ক্ষমতায় এলে সারাদেশে ১ লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ করা হবে,যার মধ্যে প্রায় ৮০–৮৫ শতাংশ নারী হবেন।এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো গ্রামীণ ও শহরের স্বাস্থ্যসেবার ব্যবধান দূর করা এবং ইউরোপীয় দেশের আদলে “প্রতিরোধ প্রতিকার চেয়ে উত্তম” নীতি বাস্তবায়ন করা।

তথ্য অনুযায়ী,এই স্বাস্থ্যকর্মীরা ঘরে ঘরে গিয়ে সাধারণ মানুষকে স্বাস্থ্য সচেতনতা,পুষ্টিকর খাবার এবং জীবনযাপন পদ্ধতি সম্পর্কে পরামর্শ দেবেন।পাশাপাশি,তারা জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ও স্থানীয় স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।
স্থানীয়দের প্রতিক্রিয়া:
নতুন ঘর পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছেন শিশু আফিয়া ও তার মা মনিরা খাতুন,যিনি রাজনৈতিক সহায়তা না পেলে কষ্টকর জীবন কাটাচ্ছিলেন।স্থানীয় বাসিন্দা ও তৃণমূল বিএনপি নেতারা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন।
স্বাস্থ্যখাতের বাস্তবতা:
বাংলাদেশে সরকারি স্বাস্থ্য খাতে ৩৩টি পদশ্রেণিতে প্রায় ২ লাখ ৪৪ হাজার অনুমোদিত পদ রয়েছে।তবে বর্তমানে ৩২ শতাংশ পদ খালি,যা প্রায় ৭৭,৮৭৭টি শূন্য পদ।
চিকিৎসক: অনুমোদিত ৪০,১৬২টির মধ্যে ৩৩.৭% পদ খালি।
নার্স: অনুমোদিত ৪০,০১৫টির মধ্যে ১০.৫% শূন্য।
মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মী ও ডেন্টিস্ট: উল্লেখযোগ্য শূন্যতা।
বিশেষভাবে সিলেট বিভাগে শূন্যতার হার সবচেয়ে বেশি (৪০%) এবং ময়মনসিংহ বিভাগে সবচেয়ে কম। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও সিভিল সার্জন কার্যালয় নিয়মিত নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করছে।
বিশ্লেষণ:
নতুন ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা স্বাস্থ্য খাতের ঘাটতি পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।তবে দক্ষ প্রশিক্ষণ, পর্যাপ্ত বেতন,নিরাপত্তা এবং মনিটরিং ব্যবস্থা নিশ্চিত করা না হলে এই উদ্যোগ কেবল প্রতিশ্রুতিই থেকে যেতে পারে।
সাম্প্রতিক উদাহরণ:
যশোর সদর উপজেলার বাউলিয়া চাঁদপাড়া গ্রামের মনিরা খাতুনের কন্যা আফিয়া,জন্মের পর স্বামী ও পরিবারের ত্যাগের মুখোমুখি হয়েছিলেন।বিএনপি তারেক রহমানের প্রতিশ্রুতিতে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, সমাজের প্রান্তিক মানুষের জন্য এমন পদক্ষেপ স্বাস্থ্য ও সামাজিক সহায়তার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।















