বরিশাল সংবাদদাতা।।বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কয়েকজন কর্মকর্তা এবং বিশেষ করে স্টিমারঘাট ফাঁড়ির ইনচার্জ গোলাম মোঃ নাসিম হোসেনের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করায় সাংবাদিক রিপন রানা হত্যার মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ করেছেন।
সাংবাদিক রিপন রানা অভিযোগ করেন,বরিশালের বটতলা ফাঁড়ী আওতাধীন আমতলা মোড়ে গভীর রাতে পুলিশ ও সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার করে যাত্রীবাহী বাসসহ ইলিশ মাছ বহনকারী গাড়ি আটকিয়ে চাঁদাবাজি করা হয়।এ অভিযানে জেলা প্রশাসক বা মৎস্য কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন না।
বরিশাল জেলা মৎস্য কর্মকর্তা রিপন কান্তি ঘোষ বলেন, “রাস্তা থেকে মাছ বহনকারী গাড়ি আটকানোতে পুলিশের বা সাংবাদিকের কোনো এখতিয়ার নেই।এ ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড আইনগতভাবে শাস্তিযোগ্য।”
স্থানীয়রা জানান,“রক্ষক যখন ভক্ষক হয়,সাধারণ মানুষ কোথায় গিয়ে বিচার চাবে।” রিপন রানা অভিযোগ করেন, গোলাম মোঃ নাসিম হোসেন সিসিক্যামের বাইরে গিয়ে চাঁদাবাজি চালাচ্ছেন এবং সামাজিক মাধ্যমে আওয়ামী লীগপন্থী প্রকাশ্য পোস্ট দিয়ে রাজনৈতিক পক্ষপাত প্রদর্শন করছেন।
এছাড়া,নগরের হাজ্বী মোঃ মহসিন মার্কেটের ব্যবসায়ীরা একটি আবাসিক হোটেলে শিশু ও নারীর সঙ্গে অনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং মাদক সেবনের অভিযোগ পুলিশের কাছে জানিয়েও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
রিপন রানা আরও জানান,৩ ডিসেম্বর ভাটারখাল জেলা পরিষদ মার্কেটের তৃতীয় তলায় বিদ্যুৎ লাইনের সঙ্গে বেল্লাল নামে এক যুবক আহত হলে তিনি ও তার সহকর্মী রনি শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাকে ভর্তি করেন। পরে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক বেল্লালকে মৃত ঘোষণা করেন।
এরপর অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টালে পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করা হয়।রিপন রানা বলেন,“সত্য প্রকাশের কণ্ঠস্বর বন্ধ করতে পুলিশ মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে।”
বর্তমানে সাংবাদিক রিপন রানার বিরুদ্ধে দায়ের করা হত্যা মামলা এবং পুলিশের অবৈধ কর্মকাণ্ড নিয়ে এলাকায় সামাজিক উদ্বেগ ও সমালোচনা চলছে।
![]()























































সর্বশেষ সংবাদ :———