নিজস্ব প্রতিবেদক।।২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ দুপুরে বরিশাল অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একদল আইনজীবীর হট্টগোল ও বিশৃঙ্খল আচরণের ঘটনা ঘটেছে।এ ঘটনার কারণে আদালতের কার্যক্রম মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয়েছে এবং বিচারক ও সরকারি কর্মকর্তাদের ওপর হুমকি প্রদর্শিত হয়েছে।
পুলিশি তথ্য ও ভিডিও ফুটেজ অনুযায়ী:
আদালতে বেঞ্চ,টেবিল,মাইক্রোফোনসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়।
সরকারি নথি ও কজলিস্ট ছিঁড়ে নষ্ট করা হয়।
বিচারক ও উপস্থিত সরকারি কর্মকর্তাদের প্রতি আক্রমণাত্মক আচরণ এবং হুমকি প্রদর্শিত হয়।
এজলাসে থাকা বিচার প্রার্থীদের মানসিকভাবে ভীতিকর পরিবেশে রাখতে আইনজীবীরা এজলাস থেকে বের হতে বাধ্য করেন।
ধৃত ও অভিযুক্তরা:
প্রধান ধৃত: সাদিকুর রহমান লিংকন, বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি।
অন্যান্য অভিযুক্ত: মীর্জা রিয়াজুল ইসলাম (সম্পাদক, জেলা আইনজীবী সমিতি),আবুল কালাম আজাদ,নাজিমুদ্দিন পান্না, মহসিন মন্টু,মিজানুর রহমান,আব্দুল মালেক,সাঈদ,হাফিজ উদ্দিন বাবলু,তারেক আল ইমরান,আবুল কালাম আজাদ ইমন, বসির উদ্দিন সবুজ এবং আনুমানিক ৩–৮ জন অজ্ঞাতনামা আইনজীবী।
পুলিশি পদক্ষেপ:কোতয়ালী মডেল থানার এফআইআর নং-৪৬, GR নং-১০৫/২০২৬ অনুযায়ী, মামলা দায়ের করা হয়েছে শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন ২০০২-এর ধারা ৪ ও ৫ এবং বাংলাদেশ পেনাল কোডের ১৮৬, ১৮৯, ১৯০, ২২৮ ও ৩৫৩ ধারা অনুসারে।
ধৃত আসামী সাদিকুর রহমান লিংকনকে পুলিশ গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করেছে।
তদন্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন,জামিনে মুক্তি পেলে পলাতক হওয়ার এবং তদন্তে বিঘ্ন ঘটানোর সম্ভাবনা রয়েছে।
সুপ্রীম কোর্টের প্রতিক্রিয়া:
হাইকোর্ট বিভাগের দ্বৈত বেঞ্চ আদালত অবমাননার রুল জারি করেছে।
সুপ্রীম কোর্ট সকলকে সংযম, দায়িত্বশীলতা এবং আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল আচরণের আহ্বান জানিয়েছে।
আদালতের স্বাভাবিক কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।
সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রভাব:
স্থানীয় বিশ্লেষকরা মনে করছেন,ঘটনাটি রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের সঙ্গে যুক্ত এবং স্থানীয় রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি করতে পারে।সচেতন নাগরিকরা উদ্বিগ্ন,এ ধরনের সহিংসতা বিচারিক প্রক্রিয়ার স্বাধীনতা এবং সমাজে আইনের প্রতি আস্থা ক্ষুণ্ণ করতে পারে।
সংক্ষিপ্ততায় মূল তথ্য
আদালতে প্রবেশ করে আইনজীবীদের হট্টগোল।
বেঞ্চ,টেবিল ও মাইক্রোফোন ভাঙচুর।
বিচারক ও সরকারি কর্মকর্তাদের ওপর হুমকি প্রদর্শন।
পুলিশ ধৃত আসামী গ্রেফতার ও আদালতে প্রেরণ করেছে।
মামলা দায়ের হয়েছে দ্রুত বিচার আইন ও পেনাল কোডের সংশ্লিষ্ট ধারায়।
সুপ্রীম কোর্ট হাইকোর্ট বেঞ্চ আদালত অবমাননার রুল জারি করেছে।
স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাব ও সামাজিক অস্থিরতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা।
![]()



















































সর্বশেষ সংবাদ :———