সারাদেশ

প্রেম ও গোপন বিয়ের পর স্বামীর বাড়িতে গৃহবধূকে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ

  প্রতিনিধি ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫ , ৩:৫৫:৩৩ প্রিন্ট সংস্করণ

প্রেম ও গোপন বিয়ের পর স্বামীর বাড়িতে গৃহবধূকে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি।।প্রেম,বিয়ে আর একসঙ্গে সংসারের স্বপ্ন—সবকিছুই শেষ পর্যন্ত রূপ নেয় নির্মম নির্যাতনের ঘটনায়। টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলায় স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে এক গৃহবধূকে গাছের সঙ্গে বেঁধে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছে।

ভুক্তভোগী নারী রোজিনা (ছদ্মনাম) জানান,দীর্ঘদিন ধরে আব্দুর রশিদের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল।একপর্যায়ে দু’জনের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হয় এবং পরে তারা গোপনে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন।আদালতের মাধ্যমে ৬ লাখ টাকা কাবিনে তাদের কোর্ট ম্যারেজ সম্পন্ন হয়।বিয়ের সময় শর্ত ছিল—ছয় মাসের মধ্যে বিষয়টি আব্দুর রশিদের পরিবারকে জানানো হবে না।

বিয়ের পর প্রায় দুই মাস তারা ভাড়া বাসায় স্বামী-স্ত্রী হিসেবে একসঙ্গে বসবাস করেন।শুরুতে দাম্পত্য জীবন স্বাভাবিকই ছিল বলে রোজিনার অভিযোগ।তবে পরে তিনি স্বামীর বাড়িতে গেলে পরিস্থিতি বদলে যায়।

রোজিনার ভাষ্য অনুযায়ী,স্বামীর বাড়িতে পৌঁছানোর পর সেখানে স্বামী আব্দুর রশিদ,শ্বশুর ও শাশুড়ী মিলে তাকে একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে লাঠি দিয়ে মারধর করে।দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই নির্যাতনে তিনি গুরুতরভাবে আহত হন।

স্থানীয় এলাকাবাসী জানান,তারা এমন ভয়াবহ নির্যাতনের দৃশ্য আগে কখনো দেখেননি।একপর্যায়ে স্থানীয়দের হস্তক্ষেপে রোজিনাকে উদ্ধার করা হয়।

ঘটনার পর ভুক্তভোগী নারী চিকিৎসা নিয়েছেন এবং আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে,অভিযোগ পেলে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনসহ সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

আরও খবর

Sponsered content