প্রতিনিধি ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ , ১২:৪৯:০৮ প্রিন্ট সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক।।সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ইউনুসের “জাতীয় ঐক্য” ভোটকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা সতর্কবার্তা দিচ্ছেন।তাদের মতে,এই ভোটে প্রধান রাজনৈতিক শক্তি আওয়ামী লীগ এবং জাপা অনুপস্থিত থাকায় ফলাফল গণতান্ত্রিকভাবে গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছে।

বাংলাদেশের নির্বাচনের ইতিহাসে চারটি প্রধান দলের ভোট ভাগের তথ্য নিম্নরূপ:
বছর আওয়ামী লীগ + জাপা (%) বিএনপি + জামায়াত (%) পার্থক্য (%)
১৯৯১ 42.00 42.94 -0.94
১৯৯৬ 53.84 42.22 +11.62
২০০১ 47.38 45.25 +2.13
২০০৮ 55.08 37.20 +17.88
আওয়ামী লীগ এবং বিএনপির পৃথক ভোট ভাগের হিসাবও প্রকাশ করা হলো:
বছর আওয়ামী লীগ (%) বিএনপি (%) অন্যান্য (%)
১৯৯১ ৩০.১ ৩০.৮ ৩৯.১
১৯৯৬ ৩৭.৪ ৩৩.৬ ২৯
২০০১ ৪০.২ ৪১.৪ ১৮.৪
২০০৮ ৪৯.১৩ ৩৩.১৫ ১৭.৭২
বিশ্লেষকরা বলছেন,২০০৮ সালের উদাহরণ স্পষ্টভাবে দেখায় যে,মূল ভোটদাতা শক্তি অনুপস্থিত থাকলে নতুন জোটের ভোটের ফল বাস্তব রাজনৈতিক অবস্থার সঙ্গে মিলে না। ভোটের মোট ৯২% চার প্রধান দলের মধ্যে যায়,যেখানে আওয়ামী লীগ-জাপা জোটের অংশীদারিত্ব প্রায় ৬০%।এই প্রধান রাজনৈতিক শক্তি অনুপস্থিত থাকায় “জাতীয় ঐক্য” ভোটে বড় কোনো গণতান্ত্রিক প্রতিনিধি শক্তি প্রতিফলিত হচ্ছে না।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মন্তব্য করছেন,ভোটের এই অবস্থায় ফলাফল পক্ষপাতিত্বপূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি,এবং এটি কোনো নির্বাচনী বা গণতান্ত্রিক মানদণ্ডে গ্রহণযোগ্য বলে মনে হবে না।
উল্লেখ্য,২০০৮ সালের নির্বাচনে নৌকা প্রতীক প্রায় ২৭১ আসনে এবং ধানের শীষ প্রতীক প্রায় ২৬৫ আসনে লড়াই করেছিল।

















