প্রতিনিধি ২২ জানুয়ারি ২০২৬ , ৪:৫১:৩৫ প্রিন্ট সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক।।প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন হলেও জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটে আসন বণ্টন নিয়ে টানাপোড়েন অব্যাহত রয়েছে।নরসিংদী-২, সুনামগঞ্জ-১, মৌলভীবাজার-৩ ও চট্টগ্রাম-৮ আসন জোট শরিকদের ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত থাকলেও জামায়াতের কয়েকজন প্রার্থী শেষ পর্যন্ত মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি।এতে করে মোট ১৩টি আসনে জোটের একাধিক দলের প্রার্থী রয়ে গেছে।

মৌলভীবাজার-৪ আসন নিয়ে এনসিপি ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মধ্যে এবং ফরিদপুর-৪ আসন নিয়ে জামায়াত ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মধ্যে বিরোধ চলছে। উভয় পক্ষই এসব আসনে নিজেকে জোটের একক প্রার্থী হিসেবে দাবি করছে।
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য আবদুল হালিম বলেন,কর্মী-সমর্থকদের চাপের কারণে চারজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করতে পারেননি।প্রতীক পেলেও তারা নির্বাচনে থাকবেন না এবং জোটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শরিক দলের প্রার্থীরাই জোটের প্রার্থী হিসেবে থাকবেন।বৃহস্পতিবার থেকে জামায়াতের নেতাকর্মীরা শরিক প্রার্থীদের পক্ষে পূর্ণোদ্যমে প্রচারে নামবেন বলেও জানান তিনি।
আদালতের নির্দেশে স্থগিত থাকায় পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনের প্রার্থিতা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।বাকি ২৯৮ আসনের বণ্টন অনুযায়ী জামায়াত ২১৫,এনসিপি ৩০,বাংলাদেশ খেলাফত ২৩,খেলাফত মজলিস ১২,এলডিপি ৬,এবি পার্টি ও নেজামে ইসলাম পার্টি তিনটি করে এবং বিডিপি দুটি আসনে একক প্রার্থী দিচ্ছে।চারটি আসন উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।
সমঝোতা অনুযায়ী কুমিল্লা-৫,ময়মনসিংহ-১০ ও ফরিদপুর-৪ আসনে একাধিক দলের প্রার্থী থাকার কথা থাকলেও বাস্তবে সেসব আসনে বিরোধ কাটেনি।ফলে হিসাব অনুযায়ী জামায়াতের প্রার্থী সংখ্যা ২১৮ হলেও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে প্রার্থী রয়েছেন ২২৫ জন।
ফরিদপুর-৪ আসনে বাংলাদেশ খেলাফতের প্রার্থীর বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ তুলেছেন জামায়াত প্রার্থী সরোয়ার হোসেন।অন্যদিকে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মিজানুর রহমান দাবি করেছেন,জোট থেকেই তাঁকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।
নরসিংদী-২ আসনে এনসিপির সারোয়ার তুষার জোটের প্রার্থী হলেও জামায়াতের আমজাদ হোসেন প্রতীক পেয়েছেন।তবে দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তিনি নির্বাচনে থাকবেন না বলে জানিয়েছে জামায়াত।চট্টগ্রাম-৮ আসনে জামায়াত প্রার্থী মো. আবু নাসের সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন,সেখানে এনসিপির জোবাইরুল হাসান আরিফ জোটের প্রার্থী।
সুনামগঞ্জ-১ ও সিরাজগঞ্জ-৬সহ আরও কয়েকটি আসনে একই ধরনের জটিলতা থাকলেও কেন্দ্রীয়ভাবে শরিকদের সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে জামায়াত।
















