প্রতিনিধি ১৬ ডিসেম্বর ২০২২ , ৫:০২:৪২ প্রিন্ট সংস্করণ
নীলফামারী প্রতিনিধি।।নীলফামারীর জলঢাকায় সদ্য ভূমিষ্ঠ এক নবজাতককে মাটি চাপা দেয়া হয়। বিষয়টি জানাজানি হলে ১১ ঘণ্টা পর মাটি চাপা থেকে ওই নবজাতককে জীবিত উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এঘটনায় জড়িত ফজলে নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

১৪ ডিসেম্বর উপজেলার গোলমুন্ডা ইউনিয়নের ডাঙ্গা পাড়া আদর্শ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, ওই এলাকার এক বিধবা’র সাথে একই গ্রামের চার সন্তানের জনক ফজলে রহমান (৪৫) এর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
এরই এক পর্যায়ে বিধবা অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। অনাগত পেটের শিশুটিকে বারবার ঔষধের মাধ্যমে নষ্ট করার চেষ্টা করে তারা। এতে ব্যর্থ হয়ে যায় সব চেষ্টা। এরপর নবজাতক ভূমিষ্ঠ হলে তাকে জীবন্ত মাটি চাপা দিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু তা সফল হয়নি। ১১ ঘণ্টা মাটি চাপার মধ্যে থেকেও জীবিত ছিল শিশুটি।
এ ব্যাপারে ওই বিধবা জানায়,পাষন্ড ফজলে প্রায় রাতে আমার ঘরে ঢুকে জোড় করে আমার সাথে খারাপ কিছু করে যায়।বুধবার গভীর রাতে বাচ্চা হওয়ার পর,সে আমাকে মরা বাচ্চার কথা বলে বাড়ির পাশে মাটি দেয়।
প্রতিবেশী নুর আমিন জানায়, কানাঘুষা শুনে সকালে আমরা ওই বাড়িতে এলাকার কয়েকজন মহিলাসহ জড়ো হই এবং জানতে পাই গভীর রাতে বিধবা’র গর্ভে থাকা একটি অবৈধ ছেলে সন্তান জন্ম নিয়েছে।কিন্তু লোক লজ্জার ভয়ে বাড়ির পাশে বাচ্চাটিকে গর্ত করে মাটি চাপা দিয়ে রাখা হয়।পরে তার দেয়া তথ্যানুযায়ী ওই নবজাতককে গর্ত থেকে তুলে দেখি সে বেঁচে আছে।
তখন আমরা দ্রুত বাচ্চাটিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করাই।
















