প্রতিনিধি ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ , ৩:৪৯:৩৬ প্রিন্ট সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক।।দেশ কি সত্যিই মুক্তির পথে এগোচ্ছে, নাকি নতুন করে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে—এই প্রশ্ন এখন সর্বত্র।ব্যর্থ ইন্টেরিম সরকারের অধীনে আইনশৃঙ্খলার অবনতি,অর্থনৈতিক স্থবিরতা ও রাজনৈতিক বিভাজন দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন,বর্তমান বাস্তবতায় একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনই হতে পারে সাংবিধানিক উত্তরণের পথ।তবে সেই নির্বাচন যদি প্রশ্নবিদ্ধ হয়,কিংবা বড় রাজনৈতিক দলগুলোকে বাইরে রেখে আয়োজন করা হয়,তাহলে তা সংকট নিরসনের বদলে সংকট আরও গভীর করতে পারে।অংশগ্রহণহীন নির্বাচন থেকে যে সরকার গঠিত হবে,তার জনসমর্থন ও নৈতিক বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে—এটাই স্বাভাবিক।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে,দুর্বল নির্বাচিত সরকার আন্তর্জাতিক চাপ,বৈদেশিক মুদ্রার সংকট,বিনিয়োগ স্থবিরতা এবং অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অস্থিরতা মোকাবিলায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে কি না,তা নিয়েও সংশয় রয়েছে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টিতে একটি অবাধ,সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন ছাড়া কোনো সরকারের গ্রহণযোগ্যতা দীর্ঘস্থায়ী হয় না।
এদিকে,নির্বাচন বিলম্বিত হলে বা রাজনৈতিক ঐকমত্য ছাড়া আয়োজন করা হলে ইন্টেরিম সরকারের ব্যর্থতা আরও স্পষ্ট হবে বলেও মনে করছেন অনেকে।তাদের মতে,কেবল নির্বাচন নয়—নির্বাচনের পরিবেশ,আস্থা ও অংশগ্রহণই আসল প্রশ্ন।
সব মিলিয়ে,নির্বাচন নিঃসন্দেহে উত্তরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ। তবে সেটি যদি সর্বদলীয় অংশগ্রহণ,নিরপেক্ষ প্রশাসন ও জনগণের আস্থার ভিত্তিতে না হয়,তাহলে ব্যর্থ ইন্টেরিম সরকার থেকে মুক্তির বদলে দেশকে আরও দুর্বল ও অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দেওয়ার ঝুঁকিই বাড়বে।

















