প্রতিনিধি ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ , ৯:১৯:০৫ প্রিন্ট সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক।।নারী ও শিশু নির্যাতনের শিকার ভিকটিমদের ভিডিও সাক্ষাৎকার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারের নামে আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি ফেসবুক ও ইউটিউবভিত্তিক কিছু কনটেন্ট নির্মাতা ও অনলাইন প্ল্যাটফর্ম তথাকথিত সচেতনতা বা সংবাদ পরিবেশনের নামে নির্যাতিত নারী ও শিশুদের ভিডিও প্রকাশ ও প্রচার করছে,যা বিদ্যমান আইন ও নৈতিকতার পরিপন্থী বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিশেষজ্ঞদের মতে,এ ধরনের ভিডিও প্রচার শিশু আইনসহ প্রচলিত আইনের ১৪ ধারার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।এতে ভিকটিমের পরিচয় প্রকাশ পাচ্ছে,যা তাদের মানসিক নিরাপত্তা,সামাজিক মর্যাদা ও ভবিষ্যৎ পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছে।
এ প্রসঙ্গে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান-এর দৃষ্টি আকর্ষণ করে সচেতন মহল বলছে,মানবিকতা ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার ন্যূনতম মানদণ্ড উপেক্ষা করে এভাবে ভিকটিমদের ব্যক্তিগত সাক্ষাৎকার প্রচার করা অনৈতিক ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল।
আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মীরা জানান,নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনায় ভিকটিমের পরিচয় গোপন রাখা আইনের বাধ্যবাধকতা।অথচ কিছু ইউটিউবার ও ফেসবুক পেজ ভিউ ও ফলোয়ার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সংবেদনশীল কনটেন্ট প্রকাশ করে পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
তারা সংশ্লিষ্ট ফেসবুক পেজ,ইউটিউব চ্যানেল ও দায়ী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের অনৈতিক ও বেআইনি কনটেন্ট প্রচার রোধে কঠোর নজরদারি ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান সংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হলে নারী ও শিশু নির্যাতনের শিকার ভিকটিমদের সুরক্ষা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সহজ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

















