সম্পাদকীয়

দেশে ফেরার পর তারেক রহমান ও রাজনৈতিক ভিন্নমত

  প্রতিনিধি ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ , ৫:২৬:৪১ প্রিন্ট সংস্করণ

দেশে ফেরার পর তারেক রহমান ও রাজনৈতিক ভিন্নমত

মাজহারুল ইসলাম।।দেশে ফেরার পরই বিএনপি চেয়ারপার্সন তারেক রহমানকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন গতি এসেছে।একই সঙ্গে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধবিরোধী কিছু রাজনৈতিক শক্তি এবং ইসলামী চরমপন্থী–উগ্রপন্থীদের রাজনীতি কার্যত পদদলিত হওয়ার হুমকি নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে।তবে এই সব কথাবার্তা রাজনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে মানানসই নয়।

তারেক রহমানের জামানত হারানো বা নির্বাচনী যোগ্যতা নিয়ে সমালোচনা—এগুলো হাস্যকর।যদি জামায়াত বা ইসলামী ছাত্রশিবির সত্যিই এতটা প্রভাবশালী হতো,তাহলে নির্বাচনের আগেই তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রাষ্ট্রীয় প্রটোকল গ্রহণ করতে পারতেন না।দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকলেও নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ পেতেন না।বাস্তবতা নিজেই এসব চর্চা অযৌক্তিক প্রমাণ করছে।

তারপরও সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি স্ট্যাটাস ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ দেখা দিয়েছে।সেখানে বলা হয়েছে, “খেলা হবে ঢাকা-১৭ আসনে,বিএনপির চেয়ারপার্সন তারেক রহমানই হারবেন জামায়াতের প্রার্থী ডা. খালিদুজ্জামানের কাছে! ইনশাআল্লাহ।” এই পোস্টটি প্রকাশের পর ভোটার ও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মধ্যে নানা প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। অনেকে এটিকে কেবল রাজনৈতিক ভীতিসঞ্চারের কৌশল হিসেবে দেখছেন।

এমন পরিস্থিতিতে সাধারণ ভোটাররা আশঙ্কা করছেন—বিগত দিনের মতোই শেষ পর্যন্ত জনমত উপেক্ষিত হতে পারে। অন্যদিকে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন—নবগঠিত তরুণ প্রজন্মের দল আগামীতে রাষ্ট্র পরিচালনায় নেতৃত্ব দেবে,এমপি ও মন্ত্রী হবে।এই বক্তব্য রাজনৈতিক পরিপ্রেক্ষিতে নতুন আলো ফেলে,বিশেষত তরুণ ভোটারদের মধ্যে।

সুতরাং,দেশে ফেরার পর তারেক রহমানকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক গতি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বক্তব্য,এবং নবপ্রজন্মের আশা—সব মিলিয়ে বর্তমান সময়ে ভোট ও রাজনৈতিক সমীকরণকে আরও জটিল ও আলোচিত করেছে। এটি শুধু নির্বাচনের খেলাই নয়,বরং দেশের রাজনৈতিক সচেতনতা ও তরুণ প্রজন্মের অংশগ্রহণের একটি দৃষ্টান্তও বটে।

আরও খবর

Sponsered content