প্রতিনিধি ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ , ১:২৮:১৫ প্রিন্ট সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক।।সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে অর্থনীতি, প্রশাসন ও জননীতি নিয়ে তীব্র সমালোচনা হচ্ছে।বিশেষজ্ঞ ও সাধারণ নাগরিকরা অভিযোগ করছেন,বাজারে গ্যাসের কৃত্রিম সংকটের মাধ্যমে ৩২ হাজার কোটি টাকা ‘গায়েব’ হয়েছে। একই সময়ে,২৪০ বিলিয়ন ডলারের বিদেশে অর্থ পাচারের বিষয়ে কোনও হিসেব বা অনুসন্ধান দেখা যায়নি।দেশের মোট জিডিপি ৪৫০ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে এই বিশাল পরিমাণ অর্থ পাচারের অভিযোগ নিয়ে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মহলে বিতর্ক ছড়িয়েছে।

অবশ্যই,সরকারের সমালোচকরা প্রশ্ন তুলছেন যে,এই অভিযোগের মধ্যেও পদ্মা সেতু,মেট্রোরেল,বঙ্গবন্ধু টানেল, পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ অনেক প্রকল্প বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়েছে কি না।
প্রশাসনিক নিয়োগ নিয়েও বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।রোহিঙ্গা বিষয়ক বিশেষ সহকারী ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করা খলিলুর রহমানকে সম্প্রতি বিমানের পরিচালক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।একইভাবে,ঐক্যমত্য কমিশনের সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব শেষ করা আলী রিয়াজকেও সরকারের ভিন্ন পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
রোহিঙ্গা ইস্যুতে পরিস্থিতি আরও জটিল। কিছু তথ্য অনুযায়ী, ঈদে রোহিঙ্গারা নিজ দেশে ফেরার কথা থাকলেও নতুন করে কয়েক লক্ষ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।এছাড়া সৌদি আরবে থাকা প্রায় ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশি পাসপোর্ট দিয়ে ভোটার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
সামাজিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা প্রশ্ন তুলছেন,খলিলুর রহমানের কি সাফল্য বা অবদান এই পদগুলোতে তাকে নিয়োগ দেওয়ার পেছনে?
বিভিন্ন ক্ষেত্রে দেশের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নিয়োগ ও পদোন্নতি নিয়েও সমালোচনা চলছে।প্রফেসর ইউনূসকে কেন্দ্র করে অভিযোগ উঠেছে,তার কর্মকাণ্ড লোভী ও দুর্নীতি সংক্রান্ত,তবুও তিনি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন।
নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন নাগরিকরা। অভিযোগ উঠেছে,সরকার রেফারির ভূমিকায় থাকার পরিবর্তে নির্দিষ্ট রাজনৈতিক পক্ষের পক্ষে সরাসরি প্রচারণায় জড়িত। পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে বিদেশে প্রার্থীদের সমর্থন পৌঁছানোও নজরে এসেছে।
মানবাধিকার ও বিচার প্রক্রিয়াতেও বিতর্ক আছে।ওসমান গনি বিন হাদির হত্যার সুষ্ঠু বিচার ধামাচাপা দেওয়ার জন্য তার ভাইকে দূতাবাসে চুক্তিভিত্তিক পদে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
আন্তর্জাতিক ইস্যুতেও বাংলাদেশের অবস্থান সংকটাপন্ন। যুক্তরাষ্ট্র ৭৫টি দেশের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা জারি করলেও বাংলাদেশে এমন একজন ক্ষমতাধীশ রয়েছে যার ফোন reportedly বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের ক্ষমতা বহন করে।তবে,পাসপোর্টের মান বিশ্বব্যাপী নেমে আসার ফলে দেশের কূটনৈতিক অবস্থান কমে গেছে।
বিশ্লেষকরা মন্তব্য করছেন,সীমাহীন লুটপাট ও অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক পতনের পরও একপক্ষের লোকজন সরকারের কর্মকাণ্ডকে সমর্থন করে যাচ্ছেন।তারা সতর্ক করেছেন,দেশ এখন সংবেদনশীল পরিস্থিতিতে রয়েছে এবং নাগরিকরা এই বিষয়ে সচেতন হতে হবে।

















