সারাদেশ

দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ‘মীরগঞ্জ সেতু’ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন —আর ক্ষোভের মুখে হেনস্তার শিকার বিতর্কিত ব্যারিস্টার ফুয়াদ–!

  প্রতিনিধি ৮ ডিসেম্বর ২০২৫ , ৩:৪১:১০ প্রিন্ট সংস্করণ

দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ‘মীরগঞ্জ সেতু’ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন —আর ক্ষোভের মুখে হেনস্তার শিকার বিতর্কিত ব্যারিস্টার ফুয়াদ–!

নিজস্ব প্রতিবেদক।।আড়িয়াল খাঁ নদীর ওপর মীরগঞ্জ সেতু বরিশালের বাবুগঞ্জ,মুলাদী,হিজলা ও মেন্দিগঞ্জ উপজেলার মানুষের দীর্ঘদিনের প্রানের দাবি ছিল।গত সরকারের আমলে প্রকল্পটি জাতীয় সংসদে একনেকে পাস হয়।তখন সেতু বাস্তবায়নের জন্য উদ্যোগী ভূমিকা রাখেন বরিশাল–৩ আসনের সংসদ সদস্য গোলাম কিবরিয়া টিপু,বরিশাল ৪আসনের সংসদ সদস্য পংকজ দেবনাথ এবং মুলাদীর কৃতি সন্তান সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব আলম।

পরবর্তীতে ইউনুস সরকারের আমলে বহুল প্রতীক্ষিত এই সেতু প্রকল্পটি বাতিল করা হয়।কিন্তু হিজলা উপজেলার আরেক কৃতি সন্তান,নৌ-পরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাখাওত হোসেনের আন্তরিক প্রচেষ্টায় প্রকল্পটি পুনরায় অনুমোদন পায় এবং ৭ ডিসেম্বর ২০২৫ সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।

সেই দিনই ব্যারিস্টার ফুয়াদ তার নিজ এলাকার সাধারণ মানুষের ক্ষোভের মুখে পড়েন ও জনরোষের শিকার হন। ৫ আগস্টের ঘটনার পর থেকে বিভিন্ন বিতর্কিত বক্তব্য ও টক শোতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি আলোচনায় আসেন।তার বিতর্কিত মন্তব্যগুলোর মধ্যে—মুক্তিযুদ্ধ,স্বাধীনতা ও বিজয় দিবসকে অবমাননা,শহীদসংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো, সংবিধান সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য,ক্যান্টনমেন্ট উড়িয়ে দেওয়ার মতো উসকানিমূলক বক্তব্য—জনমনে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি করে।এর সঙ্গে সাম্প্রতিক কক্সবাজারের হোটেলে এক নারী নেত্রীসহ তার অনৈতিক কর্মকাণ্ডের ভিডিও ভাইরাল হওয়ায় জনমনে তার উপরে জনরোষ সৃস্টি হয়।।

সব মিলিয়ে,বিশেষ করে তার মিথ্যাচারমূলক ও উসকানিমূলক বক্তব্যের কারণে এলাকার সাধারণ মানুষ ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে, আর সেই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশই তার প্রতি ঘটিত হেনস্তা।

যারা এই দেশকে অন্তরে ধারণ করে না,যারা মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতাকে অবমাননা করে,যারা ত্রিশ লাখ শহীদের রক্ত ও দুই লাখ মা–বোনের সম্ভ্রমের ইতিহাসকে অস্বীকার বা অপমান করে—তাদের প্রতি গ্রামবাংলার খেটে খাওয়া,শান্ত-প্রাণ, মুক্তিকামী মানুষের ক্ষোভ থাকা স্বাভাবিক।সুযোগ পেলে সাধারণ জনগণ এমন ব্যক্তিদের আরও কঠোরভাবে প্রতিরোধ করবে—এটাই বাস্তবতা।

আরও খবর

Sponsered content