প্রতিনিধি ২ জানুয়ারি ২০২৬ , ৭:৪৭:১৩ প্রিন্ট সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক।।বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসনে প্রার্থী হতে জমা দেওয়া হলফনামায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন,তিনি দ্বৈত নাগরিক নন এবং বিদেশে কোনো স্থাবর বা অস্থাবর সম্পদ নেই।এছাড়া,তার বিরুদ্ধে ৭৭টি মামলা থাকলেও বর্তমানে কোনো মামলা চলমান নেই।

হলফনামায় তার বার্ষিক আয় ৬ লাখ ৭৬ হাজার ৩৫৩ টাকা এবং মোট সম্পদ ১ কোটি ৯৬ লাখ ৮০ হাজার ১৮৫ টাকা। সম্পদের মধ্যে নগদ অর্থ,ব্যাংকে এফডিআর,শেয়ার ও বিনিয়োগ রয়েছে।তার নিজ নামে কোনো বাড়ি বা বাণিজ্যিক সম্পত্তি নেই। স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানের সম্পদ ১ কোটি ৫ লাখ ৩০ হাজার ১৯১ টাকা এবং বার্ষিক আয় ৩৫ লাখ ৬০ হাজার ৯২৫ টাকা।
তবে,একই সময়ে যুক্তরাজ্যের সরকারি Companies House–এর নথিতে ১ জুলাই ২০১৫ তারিখে নিবন্ধিত White and Blue Consultants Limited কোম্পানির পরিচালক হিসেবে তারেক রহমানের পরিচয় Nationality: British এবং Country of Usual Residence: England হিসেবে উল্লেখ আছে।
আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন,যদি হলফনামার তথ্য সত্য হয়, তবে কোম্পানিজ হাউসের নথির সঙ্গে সংঘাত গভীর প্রশ্ন তোলে।অন্যদিকে,যদি ব্রিটিশ জাতীয়তার তথ্য সঠিক হয়, তবে নির্বাচনী হলফনামায় মিথ্যা তথ্য প্রদানের বিষয়টি সংবিধান ৬৬(২)(গ) ও Representation of the People Order 1972–এর আওতায় দণ্ডনীয়।
নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী,মনোনয়নপত্র বাছাই ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে।আপিল ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি,প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি।ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ ফেব্রুয়ারি।
এই দ্বৈত তথ্যের বিতর্ক দেশব্যাপী রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক স্বচ্ছতার পরীক্ষা হিসেবে গণ্য হচ্ছে।গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও দায়িত্বশীলতার প্রশ্ন উঠেছে তারেক রহমানের প্রার্থীতা নিয়ে।




















