রাজনীতি

ঢাকা-২ আসনের জামায়াত প্রার্থী নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্ক

  প্রতিনিধি ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ , ২:৩৯:০৭ প্রিন্ট সংস্করণ

ঢাকা-২ আসনের জামায়াত প্রার্থী নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক।।ঢাকা-২ সংসদীয় আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে একজন সাবেক সেনা কর্মকর্তা ও আওয়ামী লীগ আমলে প্রভাবশালী জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা (এনএসআই)-এর কর্মকর্তা মনোনয়ন পাওয়ায় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা ও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। একসময় তাকে নিরপেক্ষ,দেশপ্রেমিক সেনা কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত করা হলেও তার দীর্ঘদিনের জামায়াত সংশ্লিষ্টতা এখন আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে।

রাজনৈতিক সূত্রগুলো বলছে,জুলাই-আগস্টের সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহের আগে এই কর্মকর্তার পরিচিতি ছিল মূলত রাষ্ট্রীয় কাঠামোর ভেতরের একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে।তবে বিভিন্ন মহলে আগে থেকেই তিনি জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত—এমন আলোচনা থাকলেও তা প্রকাশ্যে তেমনভাবে সামনে আসেনি।

বিশ্লেষকদের মতে,সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তন ও ঘটনাপ্রবাহের পর তার রাজনৈতিক অবস্থান আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।ফলে প্রশ্ন উঠেছে—রাষ্ট্র পরিচালনার সময় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কি তার রাজনৈতিক পরিচয় সম্পর্কে অবগত ছিল, নাকি বিষয়টি উপেক্ষিত ছিল? এই প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক অঙ্গনে ‘রাষ্ট্রযন্ত্রের ভেতরে রাজনৈতিক অনুপ্রবেশ’ নিয়েও আলোচনা জোরালো হচ্ছে।

একাধিক রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মনে করছেন,তিনি শুধু প্রকাশ্য রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডেই সীমাবদ্ধ ছিলেন না; বরং সেনাবাহিনী ও কূটনৈতিক মহলকেন্দ্রিক কিছু নেটওয়ার্কের সঙ্গে তার ভূমিকা ছিল—এমন অভিযোগ ও বিশ্লেষণ এখন সামনে আসছে।যদিও এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অভিমত,যদি জুলাই-আগস্টের ঘটনাগুলো না ঘটত,তাহলে এই দ্বৈত পরিচয়ের বিষয়টি হয়তো জনসমক্ষে আসত না।এতে করে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা সংস্থা ও রাজনৈতিক দলের সম্পর্ক,পাশাপাশি ভবিষ্যতে সংবেদনশীল পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে যাচাই-বাছাইয়ের প্রশ্নও নতুন করে উঠে এসেছে।

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন বা সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা সংস্থার পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।তবে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে এই ইস্যু রাজনৈতিক বিতর্কে আরও গুরুত্ব পাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আরও খবর

Sponsered content