নিজস্ব প্রতিবেদক।।দেশব্যাপী আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও কার্যকরভাবে তদারকি ও সমন্বয় জোরদারের লক্ষ্যে জেলা ও উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটি সংশোধনপূর্বক পুনর্গঠন করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।এ বিষয়ে রবিবার (১ মার্চ) রাজনৈতিক শাখা-২ এর উপসচিব কে এম ইয়াসির আরাফাত স্বাক্ষরিত একটি অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে।
জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটি
নতুন কাঠামো অনুযায়ী জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কমিটির সভাপতি থাকবেন এবং অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।সদস্য হিসেবে থাকবেন পুলিশ সুপার,ডিএসবি,মেট্রোপলিটন এলাকায় ডেপুটি পুলিশ কমিশনার,সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ,বিজিবি ও উপকূলীয় এলাকায় কোস্ট গার্ড প্রতিনিধি।
এছাড়া জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রধান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা,পৌরসভার মেয়র বা প্রশাসক, আনসার ও ভিডিপি প্রতিনিধি,শিক্ষা ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা,বার অ্যাসোসিয়েশন,চেম্বার অব কমার্স,প্রেসক্লাব প্রতিনিধি,পাবলিক প্রসিকিউটর,মুক্তিযোদ্ধা প্রতিনিধি,ইমাম-খতিব,নারী প্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত থাকবেন।
জেলার সংসদ সদস্যরা কমিটির উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন এবং সভার কার্যবিবরণী নিয়মিত তাদের কাছে পাঠাতে হবে।
কার্যপরিধি
কমিটির প্রধান দায়িত্বগুলোর মধ্যে রয়েছে—
জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা
অপরাধ প্রতিরোধে পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন
খুন,ধর্ষণ,ছিনতাই,অপহরণ,কিশোর গ্যাং,মাদক ও নারী-শিশু পাচারসহ গুরুতর অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কার্যক্রম।
জনগণকে সম্পৃক্ত করে অপরাধ প্রতিরোধ
আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগ জোরদার
সরকারের কাছে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রেরণ
প্রতি মাসে অন্তত একবার সভা অনুষ্ঠিত হবে এবং পুলিশ সুপারকে প্রয়োজনীয় তথ্যসহ উপস্থিত থাকতে হবে।
উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটি
উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।সংসদ সদস্য থাকবেন মুখ্য উপদেষ্টা এবং উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধিরা উপদেষ্টা হিসেবে যুক্ত থাকবেন।
কমিটিতে সহকারী কমিশনার (ভূমি),স্বাস্থ্য কর্মকর্তা,কৃষি,মৎস্য, প্রাণিসম্পদ,শিক্ষা ও সমাজসেবা কর্মকর্তা,থানার ওসি,পৌর মেয়র/প্রশাসক,ইউপি চেয়ারম্যান,প্রেসক্লাব প্রতিনিধি, মুক্তিযোদ্ধা প্রতিনিধি,ইমাম-খতিব,নারী প্রতিনিধি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সদস্য থাকবেন।
উপজেলা কমিটিও প্রতি মাসে অন্তত একবার সভা করবে এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে,স্থানীয় প্রয়োজন অনুযায়ী জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও ইউএনও অতিরিক্ত সদস্য কো-অপ্ট করতে পারবেন এবং সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী কমিটিগুলো কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
![]()






















































সর্বশেষ সংবাদ :———