সিলেট প্রতিনিধি।।সিলেট থেকে প্রখ্যাত রাজনৈতিক নেতা ডা. শফিকুর রহমান ১৯৯১ থেকে ২০০১ সালের মধ্যে তিনটি সাধারণ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছেন।তিনি সিলেট-৪ আসন থেকে জামায়াতে ইসলামী দলের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।নির্বাচনের ফলাফলের পরিসংখ্যান নিম্নরূপ:
১৯৯১: ১৭,৫১৭ ভোট
১৯৯৬: ১৮,০২৯ ভোট
২০০১: ১২,৪১৫ ভোট
এই তিন নির্বাচনের মোট ভোটসংখ্যা দাঁড়ায় ৪৭,৯৬১।
বর্তমানে ডা. শফিকুর রহমান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং দলের নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ভূমিকা রাখছেন।
ভোটার ২,৫৩৮ — ভোট পড়ল ২,৭৫৪! সিলেটের কানাইঘাটে ‘১০৮ শতাংশ ভোট’ নিয়ে তোলপাড়
কানাইঘাট(সিলেট)প্রতিনিধি।।সিলেটের কানাইঘাট পৌরসভার একটি ভোটকেন্দ্রে ভোটারের সংখ্যার চেয়েও বেশি ভোট গণনার ঘটনায় নতুন করে আলোচনায় এসেছে দেশের নির্বাচন ব্যবস্থা।২০২১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত পৌরসভা নির্বাচনের সেই বহুল আলোচিত অভিযোগ দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে ২০২৬ সালে আদালতের রায়ের মাধ্যমে চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়েছে। ঘটনার কেন্দ্র: রায়গড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (মহিলা কেন্দ্র) তৎকালীন গণমাধ্যম প্রতিবেদন ও আদালত সূত্রে জানা যায়, কানাইঘাট পৌরসভার রায়গড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (মহিলা) কেন্দ্রে মোট ভোটার ছিলেন ২ হাজার ৫৩৮ জন। কিন্তু নির্বাচনের ফলাফল বিবরণীতে ওই কেন্দ্রে মোট প্রদত্ত ভোট দেখানো হয় ২ হাজার ৭৫৪টি। অর্থাৎ ভোটারের তুলনায় ২১৬টি ভোট বেশি গণনা করা হয়, যা শতাংশের হিসেবে দাঁড়ায় ১০৮ দশমিক ৫ শতাংশ — যা একটি নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় প্রায় নজিরবিহীন ঘটনা হিসেবে আলোচিত হয়। আইনি লড়াই ও আদালতের রায় নির্বাচনে মাত্র ১৪৬ ভোটে পরাজিত স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী সোহেল আমিন ফলাফল জালিয়াতি ও ভোট কারচুপির অভিযোগ এনে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন।দীর্ঘ পাঁচ বছর শুনানি শেষে ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে আদালত রায় ঘোষণা করে। রায়ে আদালত ওই কেন্দ্রের ফলাফল বাতিল করে তৎকালীন মেয়র লুৎফুর রহমানের জয়কে অবৈধ ঘোষণা করেন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী সোহেল আমিনকে বৈধ বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা দেন। ‘ভৌতিক ভোট’ নিয়ে প্রশ্ন ফলাফলের শিট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।নির্বাচন পর্যবেক্ষক ও স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা বলেন,বাস্তবে ১০০ শতাংশ ভোট পড়াই প্রায় অসম্ভব; সেখানে ভোটারের চেয়ে বেশি ভোট দেখানো নির্বাচনী অনিয়মের স্পষ্ট ইঙ্গিত। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্থানীয় শিক্ষক বলেন, “মৃত ও অনুপস্থিত ভোটার বাদ দিলেও পূর্ণ ভোট হয় না। সেখানে ১০৮ শতাংশ ভোট পড়া অস্বাভাবিক এবং তদন্তযোগ্য।” প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া জেলা নির্বাচন অফিসের এক কর্মকর্তা অনানুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টিকে ‘টাইপিং বা করণিক ভুল’ হতে পারে বলে মন্তব্য করলেও…
![]()














































সর্বশেষ সংবাদ :———