নিজস্ব প্রতিবেদক।।জাপান ও বাংলাদেশের মধ্যে অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (ইপিএ) দেশের বাণিজ্য খাতকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।
সোমবার সচিবালয়ে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন,চুক্তির ফলে বাংলাদেশের উৎপাদনশীল ও সেবা খাতে বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি কর্মী জাপানে পাঠানোর নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে।এটি কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ ৭,৩৭৯টি পণ্যে জাপানের বাজারে শতভাগ শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাবে।এর বিপরীতে জাপান ১,০৩৯টি পণ্য বাংলাদেশে অগ্রাধিকারমূলক সুবিধা পাবে।
উপদেষ্টা জানান,এলডিসি গ্রাজুয়েশনের কারণে নভেম্বর থেকে যে সীমাবদ্ধতা আসছিলো,তা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে। তবে চট্টগ্রাম বন্দরে স্থবিরতার কারণে কিছু জটিলতা রমজানে থাকতে পারে।
চুক্তিটি টোকিওতে সই হয় এবং এতে ২২টি অধ্যায় রয়েছে। এতে পণ্য ও সেবা বাণিজ্য,বিনিয়োগ,শ্রমিক অধিকার, ডিজিটাল অর্থনীতি,মেধাস্বত্ব,সরকারি ক্রয় এবং পরিবেশ সংরক্ষণসহ নানা ক্ষেত্রের নিয়মাবলি অন্তর্ভুক্ত।
উপদেষ্টা বলেন,চুক্তি বাংলাদেশের রপ্তানি,বিনিয়োগ বৃদ্ধি, প্রযুক্তি ও মানোন্নয়ন-এর পাশাপাশি দক্ষ জনশক্তি চলাচলের সুযোগও নিশ্চিত করবে। তবে রাজস্ব ক্ষতি,স্থানীয় শিল্পে প্রতিযোগিতা ও কঠোর মানদণ্ড চ্যালেঞ্জ হিসেবে থাকতে পারে।
এটি বাংলাদেশের জন্য একটি ঐতিহাসিক বাণিজ্য চুক্তি,যা দেশের অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা বাড়াবে।
![]()


















































সর্বশেষ সংবাদ :———