নিজস্ব প্রতিবেদক।।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমানকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি কথিত ডিপফেক ভিডিওকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।ভিডিওটি নিয়ে বিভিন্ন মহলে উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করা হচ্ছে।
সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত ভিডিওটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে জাইমা রহমানের মুখমণ্ডল সংযোজন করে বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর কনটেন্ট তৈরি করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, ডিপফেক প্রযুক্তির অপব্যবহার বর্তমানে ব্যক্তিগত মর্যাদা, সামাজিক নিরাপত্তা ও জনবিশ্বাসের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করছে।
ভিডিওটি তৈরি ও প্রচারের সঙ্গে ‘দ্য রেড জুলাই’ নামের একটি সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এবং শিবির-সংশ্লিষ্ট পরিচয়ে পরিচিত মো. সজিব হোসেনের সম্পৃক্ততার অভিযোগ সামাজিক মাধ্যমে ঘুরে বেড়ালেও এ বিষয়ে তার কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডিজিটাল মাধ্যমে ভুয়া তথ্য প্রচার, মানহানি কিংবা সাইবার অপরাধ প্রমাণিত হলে প্রচলিত আইনে কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে।ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন এ ধরনের কনটেন্ট প্রচারের নিন্দা জানিয়ে দ্রুত তদন্ত ও দায়ীদের বিচারের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে,রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের পরিবারকে লক্ষ্য করে ভুয়া বা বিকৃত ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া গণমাধ্যম নৈতিকতা ও ডিজিটাল নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগজনক প্রবণতা।তারা সামাজিক মাধ্যমে দায়িত্বশীল আচরণ এবং তথ্য যাচাইয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
উল্লেখ্য,তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর সাম্প্রতিক এই ঘটনাকে ঘিরে জাইমা রহমানের নাম সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনায় আসে।
এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।তদন্তের অগ্রগতির ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী সময়ে বিস্তারিত জানা যাবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
![]()

























সর্বশেষ সংবাদ :———