নওগাঁ প্রতিনিধি।।নওগাঁ-১ (৪৬) আসনের ৪৫ নম্বর কেন্দ্র নূরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ফলাফল ঘিরে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে।কেন্দ্রের মোট বৈধ ভোটের সংখ্যার সঙ্গে প্রার্থীভিত্তিক প্রাপ্ত ভোটের হিসাব না মেলায় স্থানীয় ভোটার ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে।
কেন্দ্রের সারসংক্ষেপ অনুযায়ী,মোট ভোটার ছিলেন ২ হাজার ৫৭৮ জন।ভোট পড়েছে ২ হাজার ৩৯টি।এর মধ্যে বৈধ ভোট ২ হাজার ৫ এবং বাতিল ভোট ৩৪টি।
কিন্তু কেন্দ্রের রেজাল্ট শিটে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট দেখানো হয়েছে ১ হাজার ৯৭১।একই কেন্দ্রে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক পেয়েছে ১ হাজার ১২৩ ভোট,মোটরসাইকেল ১৩৩ এবং হাতপাখা ১১ ভোট।
সব প্রার্থীর ভোট যোগ করলে মোট দাঁড়ায় ৩ হাজার ২৩৮,যা ঘোষিত বৈধ ভোটের চেয়ে ১ হাজার ২৩৩ ভোট বেশি। ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে— ঘোষিত ভোটারের বাইরে এই অতিরিক্ত ভোট এলো কোথা থেকে?
স্থানীয় কয়েকজন ভোটার অভিযোগ করেন,কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণার আগে ভোটের হিসাব যথাযথভাবে মিলিয়ে দেখা হয়নি।তাদের দাবি,এই সংখ্যার ভিত্তিতেই চূড়ান্ত ফল নির্ধারণ করে একজন প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।
নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা বলছেন,একটি কেন্দ্রে প্রদত্ত ভোট, গণনাকৃত ব্যালট এবং প্রার্থীভিত্তিক ভোটের সংখ্যা অবশ্যই একই কাঠামোর মধ্যে থাকতে হয়।এর ব্যত্যয় ঘটলে তা নির্বাচন ব্যবস্থাপনার গুরুতর ত্রুটি কিংবা অনিয়মের ইঙ্গিত দিতে পারে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রিজাইডিং কর্মকর্তা বা রিটার্নিং কর্মকর্তার আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।তবে নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের মতে,বিষয়টি তদন্ত করে ব্যালট পেপার অ্যাকাউন্ট ও কেন্দ্রীয় ফলাফল পুনরায় যাচাই করা প্রয়োজন।
এখন ভোটারদের একটাই প্রশ্ন— “এতো ভোট দিলো কারা?”
উত্তরের অপেক্ষায় পুরো এলাকা।

![]()











































সর্বশেষ সংবাদ :———