প্রতিনিধি ১০ জানুয়ারি ২০২৬ , ৪:৫৬:৪৯ প্রিন্ট সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক।।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটে আসন সমঝোতা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়,মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময়ের আগেই জোটভুক্ত দলগুলোর মধ্যে আসন বণ্টন চূড়ান্ত হবে।

জামায়াত সূত্র অনুযায়ী,দলটি ১৯০টি আসন নিজেদের জন্য রেখে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশকে ৪০টি এবং জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) ৩০টি আসন ছাড় দিতে সম্মত হয়েছে।এ ছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসকে ১৫টি, খেলাফত মজলিসকে ৭টি,লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টিকে (এলডিপি) ৭টি,আমার বাংলাদেশ পার্টিকে (এবি পার্টি) ৩টি এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টিকে (বিডিপি) ২টি আসন ছাড় দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
জামায়াতের সঙ্গে আসন সমঝোতা নিয়ে গত কয়েক মাসে আটটি দলের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে এই জোটে যুক্ত হয় এনসিপি,এলডিপি ও এবি পার্টি। বর্তমানে জোটে মোট দলের সংখ্যা ১১টি।
আলোচনা চলমান থাকলেও জামায়াত ইতিমধ্যে ২৭৬টি আসনে এবং ইসলামী আন্দোলন ২৬৮টি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে।পাশাপাশি জোটভুক্ত অন্য দলগুলোও বিভিন্ন আসনে প্রার্থী দিয়েছে।সমঝোতা চূড়ান্ত হলে একটি আসনে জোটের একজন প্রার্থী রেখে বাকিরা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করবেন।মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ সময় ২০ জানুয়ারি, আর ভোট গ্রহণ হবে ১২ ফেব্রুয়ারি।
সূত্র জানায়,ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে জামায়াতের একাধিক বৈঠকে ৪০ আসনে প্রাথমিক সমঝোতা হয়েছে।তবে ইসলামী আন্দোলন আরও কিছু আসনে ছাড় চাইছে,যেগুলোতে জামায়াত ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের শক্ত প্রার্থী রয়েছে।জনপ্রিয়তা ও যোগ্যতা বিবেচনায় অতিরিক্ত কয়েকটি আসন ছাড় দেওয়া হতে পারে।
এনসিপির ক্ষেত্রে ৩০টি আসন দেওয়ার আশ্বাস আগেই দেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছেন দলটির নেতারা।এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন,“জোটে আমরা কতটি আসন পাচ্ছি, তা দু–এক দিনের মধ্যেই জানানো হবে।”
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২৫–৩০টি আসন দাবি করলেও শেষ পর্যন্ত ১৫টি আসনে সমঝোতার সম্ভাবনা রয়েছে। দলটির নেতারা জানিয়েছেন,কাঙ্ক্ষিত আসনে ছাড় না পেলে কিছু আসনে নিজস্ব প্রার্থী রাখার সিদ্ধান্তে অটল থাকবেন।
এলডিপিকে ৭টি আসন ছাড় দেওয়ার বিষয়টি প্রায় চূড়ান্ত হলেও ৪টি না ৭টি—এ নিয়ে আলোচনা চলছে। এবি পার্টিকে তিনটি এবং বিডিপিকে দুটি আসন ছাড় দেওয়ার বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে।
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেন,“সব দলের নেতাদের সময় সমন্বয় করে শিগগিরই বৈঠক হবে।এরপর আসন সমঝোতার বিষয়টি চূড়ান্ত হবে।”
















