প্রতিনিধি ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪ , ৫:০১:২৬ প্রিন্ট সংস্করণ
অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট।।কোম্পানি পরিচালনায় হিমশিম খাচ্ছেন তিনি।কার্যালয় পরিবর্তন করতে গিয়ে যে ব্যয় তাঁর হয়েছে, তা সামলাতে তিনি রীতিমতো গলদঘর্ম হচ্ছেন।সেই সঙ্গে তাঁর জীবনযাত্রার ব্যয়ও কেবল বাড়ছে।

সম্প্রতি আরেক স্টার্টআপ কোম্পানির স্বত্বাধিকারীর সঙ্গে কফি পান করতে করতে তাঁরা ঠিক করেছেন,এখন সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ হলো,ব্যবসা গুটিয়ে নেওয়া।
শেলি লোটান বলেন,আমাদের এখন মনে হচ্ছে,এই মুহূর্তে তাৎপর্যপূর্ণ কিছু না ঘটলে অর্থনীতি শিগগিরই ধসে পড়তে পারে।’
তবে ইসরায়েল অর্থনীতি নিয়ে শঙ্কা যে কেবল গত বছরের ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হয়েছে,তা নয়।তার আগেই দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সুপ্রিম কোর্টকে দুর্বল করার উদ্যোগ নিলে বিক্ষোভ শুরু হয়।তখন দেশটির গণতান্ত্রিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়।বিনিয়োগকারীদের মনেও শঙ্কা তৈরি হয়।
ইসরায়েলের অর্থনীতি এমনিতে যথেষ্ট শক্তিশালী।মূলত প্রযুক্তি ও গবেষণা খাতের বড় কেন্দ্র হিসেবে সে দেশে বিপুলসংখ্যক স্টার্টআপ কোম্পানির কার্যক্রম আছে।গবেষণা ও উন্নয়নের জগতে ইসরায়েল বড় এক নাম।
কিন্তু ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর থেকে পরিস্থিতি বদলে যেতে শুরু করে।হামাসের সঙ্গে যুদ্ধের শেষ দেখা যাচ্ছে না। এখন তার ওপর হিজবুল্লাহর সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ায় ইসরায়েলের অর্থনীতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে,তা নিয়ে দেশটির নাগরিকেরা শঙ্কিত।তাঁদের ভাষ্য,দুটি যুদ্ধের ভার এই অর্থনীতি নিতে পারবে না।











