নিজস্ব প্রতিবেদক।।দেশের সাম্প্রতিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও উগ্রবাদী তৎপরতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।এই প্রেক্ষাপটে সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘ শাসনামল নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
অনেক নাগরিক ও বিশ্লেষকের মতে,শেখ হাসিনার প্রায় ১৫ বছরের শাসনামলে জঙ্গিবাদ ও উগ্রপন্থার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করা হয়েছিল।সে সময় ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির আওতায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত অভিযান,গোয়েন্দা নজরদারি এবং বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দেশকে তুলনামূলকভাবে শান্ত ও স্থিতিশীল রাখা সম্ভব হয়েছিল বলে তারা মনে করেন।
তাদের বক্তব্য অনুযায়ী,নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার পাশাপাশি অবকাঠামো উন্নয়ন,যোগাযোগব্যবস্থা,বিদ্যুৎ ও সামাজিক সেবায় অগ্রগতির কারণে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে স্থিতি ফিরেছিল।বর্তমান বাস্তবতায় সেই সময়কার কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার কার্যকারিতা অনেকের কাছেই নতুন করে উপলব্ধি হচ্ছে।
তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একটি অংশ বলছে,নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি গণতান্ত্রিক চর্চা,মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও রাজনৈতিক সহনশীলতার বিষয়গুলোও সমানভাবে বিবেচনায় রাখা জরুরি।ফলে শেখ হাসিনার শাসনামলের এই মূল্যায়ন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ভিন্নমতও রয়েছে।
সামগ্রিকভাবে,দেশের বর্তমান পরিস্থিতি অতীতের রাষ্ট্র পরিচালনা,নিরাপত্তা কৌশল এবং উন্নয়ন-শাসনব্যবস্থার সমন্বয় নিয়ে নতুন করে জাতীয় পর্যায়ের আলোচনা তৈরি করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
![]()























































সর্বশেষ সংবাদ :———