ডেস্ক রিপোর্ট।।আমাদের যাতায়াতের সবথেকে বড় পরিবহন মাধ্যম হলো রেল পরিবহন। আমরা এই রেল পরিবহনের মাধ্যমেই স্থল পথে এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে দ্রুত পৌঁছতে পারি। সূত্রের খবর জানা যায়, এশিয়ার রেল পরিবহনে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে আমাদের এই ভারতীয় রেল পরিবহন। ভারতবর্ষের বেশিরভাগ মানুষই এই রেল পরিবহনের মাধ্যমেই যাতায়াত করে। কিন্তু অনেকের কাছেই অজানা রয়েছে এই রেল পরিবহনের একটি গোপন তথ্য। কি সেই তথ্য জেনে নিন।
আমরা অনেকেই হয়তো জানি না এই রেল লাইনের নীচে পাথর দেওয়া হয় কেন? এবং এটাও জানি না যে, সেই পাথরগুলো কোথা থেকে আসে? এই প্রতিবেদনে সেই নিয়েই আলোচনা করা হল। ট্রেনের ওজন ভারসাম্য রক্ষার জন্যই এই রেল লাইনে পাথর দেওয়া হয়। এবং এই পাথরগুলো আলাদা করে তৈরি করা হয়। এই পাথরগুলো তৈরি করতে ব্যবহার করা হয় গ্রানাইট, ডলোমাইট, কার্টজাইট এবং আরো অন্যান্য কিছু। শুধু পাথরগুলোই রেললাইনে দেওয়া থাকে না। রেল লাইনের পাঁচটি স্তর আছে। সবথেকে নিচের স্তরে থাকে মাটি। মাটির উপরের স্তরে থাকে সাবগ্রেটের স্তর এবং তার উপরে থাকে সাব ব্যালেন্স এবং তার ওপরে থাকে পাথর এবং রেল লাইনের উপরে স্তরে থাকে স্লিপার অর্থাৎ যার উপর দিয়ে ট্রেনটি চলাচল করে।
যখন এই স্লিপারের ওপর দিয়ে ট্রেন চলাচল করে সেই সময় স্লিপারের নিচে থাকা পাথরগুলি ট্রেন কে ব্যালেন্স করার বা ধরে রাখার কাজ করে। ট্রেন যাতে উল্টে না যায়।আগেকার সময়ে রেল পরিবহন ব্যবস্থায় এই স্লিপার ছিল কাঠের তৈরি। কিন্তু প্রতিনিয়ত রোদ জলে সেই কাঠ নষ্ট হয়ে যাওয়ায় তৈরি হয় এই কংক্রিটের তৈরি স্লিপার। যা খুব মজবুত হয়।
রেললাইনে থাকা পাথরগুলি ট্রেন চলাচলের সময় যে আওয়াজ হয় সেই আওয়াজকে কম করতেও সাহায্য করে। এছাড়া রেললাইনে যাতে কোন গাছপালা না জন্মায় তার জন্যেও এই পাথর রেললাইনে ফেলা হয়। কারণ গাছপালার ফলে ট্রেন চলাচলে অসুবিধা হবে এবং তার ফলে দুর্ঘটনাও ঘটতে পারে। তবে এই পাথরগুলি কিন্তু কখনোই নদীর ধার থেকে আনা নয়। এই পাথরগুলি আলাদা করে তৈরি করে নিয়ে এসে রেললাইনে ফেলা হয়।
![]()



















































সর্বশেষ সংবাদ :———