নিজস্ব প্রতিবেদক।।পদ্মা সেতু ঘিরে রেল নেটওয়ার্কে যুক্ত হচ্ছে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলা।সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা নিয়ে ফরিদপুরের ভাঙ্গায় নির্মাণ করা হচ্ছে বিশ্বমানের জংশন।
জংশনটিতে থাকছে যাত্রীদের সেবার পাশাপাশি দ্রুতগতির রেল ব্যবস্থাপনা।তাই বিশেষ কম্পেকশনে তৈরি পুরো এলাকাটিতেই পরিকল্পিতভাবে ড্রেনেজ,প্ল্যাটফর্ম,সারি সারি রেল ট্র্যাক, গ্যাংহার্ট,চার রকমের ডরমিটোরি,বেরাক,রেস্টহাউস,অফিস বিল্ডিং,প্রকৌশলী-টিটিসহ জরুরি কর্মীদের বাসস্থানসহ নানা অবকাঠামো তৈরি হচ্ছে।আগামী জুনে জংশনটি ব্যবহার উপযোগী করার টার্গেট নিয়ে চলছে কর্মযজ্ঞ।
প্রকৌশলী সাদমান বলেন,ভাঙ্গায় বিভিন্ন বিল্ডিংয়ের কাজ চলমান।কাজগুলো তদারকিতে আমাদের রেসপেকটিভ ইঞ্জিনিয়াররা রয়েছেন।এখানে প্রতিটি সেকশনেই দক্ষ ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগ দেয়া হয়েছে।যখন কাজগুলো হচ্ছে, প্রতিটি বিষয়ে দায়িত্বের সঙ্গে তদারকি করা হচ্ছে।’
রাজধানী থেকে পদ্মা সেতু হয়ে যশোর পর্যন্ত নতুন রেললাইন স্থাপন ছাড়াও পায়রা বন্দরের সঙ্গে রেল নেটওয়ার্ক যুক্ত করার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়েই জংশনটিতে ১০টি রেললেন স্থাপনের ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে।
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাঈদ আহমেদ বলেন,ভাঙ্গায় আমরা আধুনিক রেলস্টেশন তৈরি করছি।সেখানে ২০টি বিল্ডিং হওয়ার কথা।এর মধ্যে ১৯টি দৃশ্যমান।মেইন আইকনিক যে বিল্ডিংটা হবে তার পাইলিং কাজ শেষ হয়েছে।এখন সুপার স্ট্রাকচারের কাজ চলছে।মেইন বিল্ডিং ছাড়া অন্যান্য কাজ আমরা এই জুনে শেষ করতে পারব।মেইন বিল্ডিং নির্মাণে একটু সময় লাগবে।এ অংশের কাজ শেষ হলে ফরিদপুরের লাইন দিয়ে সারা বাংলাদেশের রেল সংযোগ হবে।’
সংশ্লিষ্টরা জানান, উত্তরে রাজবাড়ী-ফরিদপুর,দক্ষিণে বরিশাল,পশ্চিমে যশোর-খুলনা,আর পূর্বে রাজধানী ঢাকার রেলপথ পদ্মা সেতু হয়ে এই রেল জংশনে মিলিত হবে।দেড় কিলোমিটার এলাকাজুড়ে নির্মাণাধীন দেশের অত্যাধুনিক এই রেল জংশনের বিশটি ভবনসহ সব অবকাঠামোই এখন দৃশ্যমান। কাজের অগ্রগতি ৫০ শতাংশ।
![]()



















































সর্বশেষ সংবাদ :———