ডাকসুতে যুদ্ধাপরাধের দায়ে দণ্ডিত গোলাম আজমের ছবিতে জুতা নিক্ষেপ
  • newadminnewadmin
  • ডিসেম্বর ১৬, ২০২৫

ঢাবি প্রতিনিধি।।মহান বিজয় দিবস উদ্‌যাপনের অংশ হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) যুদ্ধাপরাধের দায়ে দণ্ডিত জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির গোলাম আযমের ছবিতে জুতা নিক্ষেপ কর্মসূচি পালন করেছেন একদল শিক্ষার্থী। মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ভবনের সামনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা গোলাম আযমের ছবিতে জুতা নিক্ষেপের পাশাপাশি ‘পাকিস্তানের দালালেরা,হুঁশিয়ার সাবধান’, ‘মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীদের,এই বাংলায় ঠাঁই নাই’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী আরিফ ফয়সাল বলেন,১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের ১৬ ডিসেম্বর আমরা বাঙালি জাতি একটি রাষ্ট্র গঠন করতে পেরেছিলাম।কিন্তু এ দেশে জন্ম নিয়েও কিছু মানুষ মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছে।’ আরিফ ফয়সাল আরও বলেন,তারা মুক্তিযুদ্ধকে সব সময় ভারতের ষড়যন্ত্র হিসেবে উল্লেখ করেছে।কিন্তু এই ইতিহাস বিকৃতিকে আমরা তরুণ প্রজন্ম ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছি। আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীরা নিজ উদ্যোগে এই জুতা নিক্ষেপ কর্মসূচি পালন করছি।’ এদিকে বিজয় দিবসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘুরতে এসে এই প্রতিবাদী আয়োজনে যোগ দেন শ্যামলী আইডিয়াল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী একরামুল মাওলা তাহসিন। বিকেলে গোলাম আযমের ছবিতে জুতা নিক্ষেপ করে তাহসিন বলেন,আমাদের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে এখনো কথা বলা হচ্ছে। অথচ সে সময় লাখ লাখ মানুষকে হত্যা করা হয়েছিল এবং এরা তাদের পক্ষে ছিল।এই আয়োজনের মাধ্যমে মানুষ তাদের সেসব কাজের কথা জানবে।’

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা ১১টি পেশায় যুক্ত হতে পারবেন না
  • newadminnewadmin
  • ডিসেম্বর ১৬, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক।।বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা দোকান পরিচালনা,সাংবাদিকতা, মসজিদের ইমামতিসহ ১১টি পেশায় যুক্ত হতে পারবেন না। গত রোববার মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস থেকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা উপজেলার সব স্কুল-কলেজে পাঠানো হয়েছে। চিঠির সত্যতা নিশ্চিত করে কালকিনি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আশরাফুজ্জামান জানিয়েছেন,মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে ১১টি পেশা উল্লেখ করে আমাদের একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে।এই চিঠির বিষয়টি আমরা নোটিশ আকারে স্কুল-কলেজগুলোতে পাঠিয়েছি। নির্দেশনা অমান্য করলে এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ নেয়া হবে। নির্দেশনায় জানানো হয়েছে,বর্তমান বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫ এর আলোকে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা একটি সম্মানজনক ও পূর্ণকালীন রাষ্ট্রীয় আর্থিক সুবিধাপ্রাপ্ত পেশায় নিযুক্ত।এমতাবস্থায় তাদের পেশাগত দায়িত্ব ও সময়ের পূর্ণ সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে শিক্ষকতার পাশাপশি কোন অতিরিক্ত লাভজনক পেশায় সম্পৃক্ত হওয়া নীতিগতভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলো। নিষিদ্ধ ও সীমাবদ্ধ পেশাগুলো হলো-বানিজ্যিক ভিত্তিতে পরিচালিত সাংবাদিকতা,আইন পেশা,কোচিং সেন্টার পরিচালনা বা এতে শিক্ষকতা,প্রাইভেট বা কেজি স্কুল পরিচালনা,শিক্ষাবিষয়ক প্রকাশনা বা পাবলিকেশন্স বানিজ্যে অংশ নেয়া,হজ্ব এজেন্ট বা এর মার্কেটিং কার্যক্রম, বিয়ের কাজী বা ঘটকালী পেশা,টং দোকান বা ক্ষুদ্র ব্যবসা, ঠিকাদারি বা নির্মাণ ব্যবসা,শিক্ষকতার সময়কে প্রভাবিত করে এমন মসজিদের পূর্ণকালীন ইমামত বা খতিবের দায়িত্ব পালন এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের বিশেষ সহকারী বা চাটুকার হিসেবে নিয়োজিত থাকতে পারবেন না।স্কুল সাপ্লাই নির্দেশনায় আরো বলা হয়,কোনো শিক্ষক যদি স্বেচ্ছাশ্রমে ধর্মীয় বা সামাজিক কাজে যুক্ত থাকেন তা অবশ্যই নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে থাকতে হবে যাতে মূল পেশাগত দায়িত্বে কোনে ব্যাঘাত না ঘটে।

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
ঢাবির সেরা শিক্ষার্থী রিয়াদুল এসএসসির রেজিস্ট্রেশন ফি জোগাতে রাজমিস্ত্রির জোগালির কাজ করছে
  • newadminnewadmin
  • ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক।।দুপুর গড়িয়ে বিকেল।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মধুর ক্যানটিনের সামনে অপেক্ষা করছি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কড়িঘর উচ্চবিদ্যালয় থেকে উঠে আসা রিফাদুল ইসলামের জন্য।একটু পরেই তিনি এলেন।মুখে বিজয়ের হাসি,কিন্তু সেই হাসির আড়ালে লুকিয়ে আছে ফেলে আসা কঠিন দিনের দীর্ঘশ্বাস। এসএসসি পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশনের ফি জোগাতে করেছেন রাজমিস্ত্রির জোগালির কাজ।কখনো রেস্তোরাঁ কিংবা মুঠোফোন সারানোর দোকানে শ্রম দেওয়া,আবার কখনো ওষুধের দোকানে কাজ করা।ঢাকায় এসে বিশ্ববিদ্যালয়ের খরচ চালাতে গায়ে জড়িয়েছেন ফুডপ্যান্ডার রাইডারের জ্যাকেট।জীবনের চড়াই–উতরাই পেরিয়ে দরিদ্র ঘরের এই ছেলে আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক ব্যবসায় বিভাগের শিক্ষার্থী। রিফাদুল ইসলামের এই উঠে আসার গল্প কোনো রূপকথার চেয়ে কম রোমাঞ্চকর নয়। দারিদ্র্যের সঙ্গে যুদ্ধ করে বেড়ে ওঠা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার পাঁচবাড়িয়া গ্রামে রিফাদুল ইসলামের জন্ম।বাবা আবুল কাশেম পেশায় দরজি এবং মা সুরাইয়া বেগম গৃহিণী।চার ভাই–বোনের মধ্যে রিফাদুল দ্বিতীয়, তবে বড় ছেলে হওয়ায় কাঁধে ছিল পাহাড় সমান দায়িত্ব। অভাবের সংসারে নুন আনতে পান্তা ফুরায় অবস্থা। রিফাদুল ইসলাম যখন বুঝতে শিখলেন দারিদ্র্য কী,তখন থেকেই শুরু হলো তাঁর বেঁচে থাকার লড়াই।ছেলের কলেজের পড়াশোনা শুরুর সময় বাবা তাঁর সামান্য জমিটুকুও বিক্রি করে দিয়েছিলেন।রিফাদুল বলেন,এখন বুঝি,আমাদের সামান্য যতটুকু জমি ছিল,সেটা আমাদের পড়াশোনা চালানোর জন্যই বাবাকে বিক্রি করতে হয়েছে।’ এসএসসির রেজিস্ট্রেশন ফি জোগাতে রাজমিস্ত্রির জোগালির কাজ জীবনের অন্যতম কঠিন সময় ছিল এসএসসি পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশনের সময়ের দিনগুলো।বাবার পকেটে টাকা নেই।কী করবেন?কিন্তু হাল ছাড়ার পাত্র নন রিফাদুল।টানা এক সপ্তাহ রাজমিস্ত্রির জোগালির কাজ করলেন।হাড়ভাঙা খাটুনি খেটে পারিশ্রমিক পেলেন ২ হাজার ১০০ টাকা।রিফাদুল সেই টাকা দিয়েই এসএসসি পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করলেন। স্মৃতিচারণা করে রিফাদুল বলেন,আমার পরিষ্কার মনে আছে, ওই টাকা দিয়ে আমি আমার রেজিস্ট্রেশন ফি দিয়েছিলাম। রেজিস্ট্রেশন না করলে হয়তো ওখানেই পড়াশোনার ইতি টানতে হতো।’ করোনাকাল ও বিচিত্র পেশার অভিজ্ঞতা করোনাকালে যখন স্কুল–কলেজ বন্ধ,রিফাদুল তখন বসে থাকেননি।জীবিকা…

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান কর্মকর্তা লিখিত পরীক্ষা ৪ জানুয়ারী শুরু
  • newadminnewadmin
  • ডিসেম্বর ১৩, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক।।প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান কর্মকর্তা (নবম গ্রেড) পদের লিখিত পরীক্ষা আগামী ৪ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে।এদিন দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত রাজধানীর আগারগাঁওয়ের শেরেবাংলা নগর সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসির) ওয়েবসাইটে (১০ ডিসেম্বর ২০২৫) এ–সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে লিখিত পরীক্ষা–সম্পর্কিত জরুরি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনাগুলো হলো— ১. অনলাইনে প্রাপ্ত প্রবেশপত্র নিয়ে লিখিত পরীক্ষায় উপস্থিত হতে হবে।প্রবেশপত্র হারিয়ে গেলে বা নষ্ট হলে কমিশনের ওয়েবসাইট ও টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করতে হবে। ২. প্রবেশপত্র ছাড়া কোনো পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন না। ৩. পরীক্ষার নির্ধারিত সময়ের কমপক্ষে ১৫ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষাকক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে।পরীক্ষা শুরু হওয়ার ১৫ মিনিট পর কোনো পরীক্ষার্থী পরীক্ষাকক্ষে প্রবেশ করতে পারবেন না।পরীক্ষা শুরু হওয়ার দুই ঘণ্টার মধ্যে কোনো পরীক্ষার্থী পরীক্ষাকক্ষ ত্যাগ করতে পারবেন না। ৪. উত্তরপত্রে রেজিস্ট্রেশন নম্বর সঠিকভাবে না লিখলে এবং সঠিকভাবে বৃত্ত পূরণ না করলে অথবা কোনোরূপ কাটাকাটি করলে বা উত্তরপত্রে ফ্লুইড ব্যবহার করলে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার্থীর উত্তরপত্র বাতিল হবে। ৫. হাজিরা তালিকায় প্রত্যেক পরীক্ষার্থীর রেজিস্ট্রেশন নম্বর এবং নামের পাশে তাঁর ছবি ও প্রবেশপত্রের অনুরূপ স্বাক্ষর মুদ্রিত থাকবে।প্রবেশপত্রের ছবি ও স্বাক্ষরের সঙ্গে হাজিরা তালিকার ছবি ও স্বাক্ষর মিলিয়ে দেখা হবে।মিল না থাকলে উক্ত পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার এবং তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ৬. ভুয়া পরীক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে বিশেষ তল্লাশি অভিযান পরিচালনার ব্যবস্থা করা হবে।পরীক্ষার হলে বই-পুস্তক,ব্যাগ, মানিব্যাগ,হাতঘড়ি,পকেটঘড়ি,ইলেকট্রনিক ঘড়ি,মুঠোফোন, ঘড়িসদৃশ মোবাইল ফোন বা কোনোরূপ ইলেকট্রনিক ডিভাইস, গহনা,ক্রেডিট কার্ড, ্ডেবিট কার্ড ও ব্যাংক কার্ড আনা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।উল্লিখিত নিষিদ্ধঘোষিত সামগ্রী কোনো পরীক্ষার্থীর নিকট পাওয়া গেলে তা বাজেয়াপ্ত করে তাঁর প্রার্থিতা বাতিল করা হবে এবং এ পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করে তাঁর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয়…

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
আমরা বিগত দিনে খুব বেশি যোগ্যতাসম্পন্ন শিক্ষক পাইনি-এহছানুল হক মিলন
  • newadminnewadmin
  • ডিসেম্বর ১৩, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক।।ইআরআইএর চেয়ারম্যান ও সাবেক সফল শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, আমরা বিগত দিনে খুব বেশি যোগ্যতাসম্পন্ন শিক্ষক পাইনি। ২০০১-২০০৬ মেয়াদে আমরা ক্ষমতায় থাকতে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) প্রতিষ্ঠার পর কোয়ালিটি শিক্ষক পেয়েছি। শনিবার হাজারো শিক্ষক-শিক্ষার্থীর উপস্থিতিতে চাঁদপুরের কচুয়ার নূরুল আজাদ কলেজে এডুকেশন রিফর্ম ইনিশিয়েটিভের (ইআরআই) বিশাল মিলনমেলায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মিলন এ কথা বলেন।কয়েকহাজার শিক্ষার্থী ও শিক্ষকের মিলনমেলা বসেছিলো আজাদ কলেজ প্রাঙ্গণে। ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন আরো বলেন,আওয়ামী লীগের সরকার সমবণ্টনে বিশ্বাসী ছিলো না।কেনো যেনো তারা গ্রামের লেখাপড়াকে উপেক্ষা করেছে।এই যে শিক্ষকদের কোনো প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়নি।আমি প্রথম শিক্ষক নিবন্ধন নিয়ে কাজ করেছিলাম।কারণ আমি চেয়েছিলাম যারা শিক্ষক হবেন তারা যেনো যোগ্যতাসম্পন্ন হন।সে জন্য আমি চেষ্টা করেছিলামা যারা শিক্ষক হবেন তারা যেনো পরীক্ষার মাধ্যমে একটি লাইসেন্স পান।যেটি পাওয়ার পর শিক্ষকতা করতে পারবেন।শিক্ষকের কোয়ালিটি ইমপ্রুভ না করলে তো শিক্ষার্থীরা ভালো করতে পারবেন না। তিনি বলেন,মেধার মূল্যায়ন না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা বিদেশে থেকে যায়।সরকার ব্রেইন ড্রেন ঠেকাতে না পারলে মেধা শূন্যতায় ভুগবে দেশ।এটার ওপরে প্রচুর গবেষণা রয়েছে ইআরআইএর।

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার সিলেবাস নিয়ে নতুন নির্দেশনা
  • newadminnewadmin
  • ডিসেম্বর ১২, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক।।২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার সিলেবাস নিয়ে নতুন নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। অনিয়মিত,মানোন্নয়নে ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দের পরীক্ষার্থীদের ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দের পুনর্বিন্যাসকৃত সিলেবাস অনুযায়ী নেয়া হবে।সব শিক্ষা বোর্ড এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বলা হয়েছে।জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের এক চিঠিতে এ তথ্য জানা গেছে। বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড এ চিঠি প্রকাশ করে সংশ্লিষ্টদের ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয়। চিঠিতে বলা হয়েছে,২০২৫ খ্রিষ্টাব্দের এইচএসসি ও সমমান এবং আলিম পরীক্ষা এনসিটিবি কর্তৃক পুনর্বিন্যাসকৃত পাঠ্যসূচি আলোকে অনুষ্ঠিত হয়।যেসব পরীক্ষার্থী ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দের এইচএসসি ও সমমান এবং আলিম পরীক্ষায় অনিয়মিত/মানোন্নয়ন হিসেবে অংশগ্রহণ করবে তাদের পরীক্ষা ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দের এইচএসসি ও সমমান এবং আলিম পরীক্ষার জন্য ইতোপূর্বে এনসিটিবি পাঠানো পুনর্বিন্যাসকৃত পাঠ্যসূচির আলোকে অনুষ্ঠিত হবে।

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
ঢাবি’র আ, লীগপন্হী শিক্ষককে হেনস্থা করলো-ডাকসু নেতারা
  • newadminnewadmin
  • ডিসেম্বর ১১, ২০২৫

ঢাবি প্রতিনিধি।।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আ ক ম জামাল উদ্দীনকে হেনস্তা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সমাজসেবা সম্পাদক যুবাইর বিন নেছারী (এ বি জুবায়ের)। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবনে ওই শিক্ষককে হেনস্তা করেন তিনি।একপর্যায়ে অধ্যাপক জামাল উদ্দীন দৌড়ে পালাতে গেলে তাঁকে ধাওয়া করেন এ বি জুবায়ের।পরে অবশ্য ওই শিক্ষক একটি গাড়িতে করে ক্যাম্পাস ত্যাগ করেন। বেলা দুইটার দিকে এ ঘটনার পর এ বি জুবায়ের এক ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন,ফ্যাসিবাদের দোসর’ পাঁচজন শিক্ষক ক্যাম্পাসে গোপন বৈঠকে যুক্ত হয়েছিলেন।খবর পেয়ে তাঁদের পাকড়াও করে পুলিশে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন তাঁরা। তবে আগে থেকে প্রস্তুত করে রাখা গাড়িতে তাঁরা পালিয়ে গেছেন। এ ঘটনার বিষয়ে জানতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সাইফুদ্দিন আহমদের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে,আ ক ম জামাল উদ্দীনসহ আওয়ামী লীগপন্থী কয়েকজন শিক্ষক আজ দুপুরে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবনে এসেছিলেন।খবর পেয়ে কিছু শিক্ষার্থী ওই ভবনের সামনে জড়ো হন।একপর্যায়ে ডাকসু নেতা এ বি জুবায়েরের নেতৃত্বে আ ক ম জামাল উদ্দীনকে ধাওয়া দেওয়া হয়। এ বি জুবায়ের গত ৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত ডাকসু নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সমাজসেবা সম্পাদক পদে নির্বাচিত হন। জুবায়ের স্বতন্ত্রভাবে ডাকসুতে নির্বাচিত হলেও তাঁর প্রতি ইসলামী ছাত্রশিবিরের সমর্থন ছিল বলে ক্যাম্পাসে আলোচনা আছে।ডাকসুতে নির্বাচিত হওয়ার পর গত অক্টোবর মাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ভ্রাম্যমাণ দোকান,হকার,মাদকসেবী ও ভবঘুরে উচ্ছেদে ‘অভিযান’ চালিয়ে আলোচনায় আসেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে তখন পক্ষে-বিপক্ষে নানা আলোচনা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষককে হেনস্তার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তাতে দেখা গেছে,সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের সিঁড়িতে অধ্যাপক আ ক ম জামাল উদ্দীনকে জাপটে ধরে আটকানোর চেষ্টা করছেন জুবায়ের।অধ্যাপক জামাল নিজেকে ছাড়ানোর চেষ্টা করতে গিয়ে তাঁর পরিহিত…

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
৬৫,৫০২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের ১০ম গ্রেডে উন্নীতকরণের সুপারিশ
  • newadminnewadmin
  • ডিসেম্বর ১০, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক।।সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা অবশেষে সুসংবাদ পেতে যাচ্ছেন। প্রশাসনিক উন্নয়ন সংক্রান্ত সচিব কমিটি সম্প্রতি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব অনুমোদন করে ৬৫ হাজার ৫০২টি প্রধান শিক্ষকের পদকে ১১ গ্রেড থেকে ১০ম গ্রেডে উন্নীতকরণের সুপারিশ করেছে। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রশাসনিক উন্নয়ন ও সমন্বয়-১ অধিশাখার উপ-সচিব জি এম সরফরাজের সই করা চিঠি থেকে এ তথ্য জানা যায়। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান তুহিন এ তথ্য নিশ্চিত করে নিজের ফেসবুকে লিখেছেন,৬৫ হাজার ৫০২টি প্রধান শিক্ষকের পদের বেতন স্কেল ১১ গ্রেড থেকে ১০ম গ্রেডে উন্নতকরণ। চিঠিতে বলা হয়েছে,গত ৩ ডিসেম্বর মন্ত্রিপরিষদ সচিবের সভাপতিত্বে প্রশাসনিক উন্নয়ন সংক্রান্ত সচিব কমিটির ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ৮ম সভায় এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভার কার্যবিবরণী অনুযায়ী,আলোচ্য বিষয়-৭-এর অধীন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এই প্রস্তাবটি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এর আগে রিট পিটিশন নম্বর ৩২১৪/২০১৮ অনুযায়ী আদালতের নির্দেশে ৪৫ জন প্রধান শিক্ষকের বেতন স্কেল ইতিমধ্যে গ্রেড-১১ থেকে গ্রেড-১০-এ উন্নীত করে সরকারি আদেশ জারি করা হয়েছিল। ওই ৪৫ জন শিক্ষকের ধারাবাহিকতায় এবার অবশিষ্ট ৬৫ হাজার ৫০২টি প্রধান শিক্ষক পদের বেতন স্কেল গ্রেড-১০-এ উন্নীতকরণের প্রস্তাব করা হয়। এই প্রস্তাবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং অর্থ বিভাগের ব্যয় ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগ উভয়ই সম্মতি প্রদান করেছে। অর্থ বিভাগের বাস্তবায়ন অনুবিভাগও ৬৫ হাজার ৫০২টি পদের বেতন স্কেল ১০ম গ্রেডে নির্ধারণ করেছে। বিস্তারিত পর্যালোচনা শেষে সভায় সর্বসম্মতভাবে (ঐকমত্য) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৬৫ হাজার ৫০২টি প্রধান শিক্ষকের পদের বেতন স্কেল ১১ গ্রেড থেকে ১০ গ্রেডে উন্নীতকরণের সুপারিশ করা হয়। সুপারিশে একটি শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়,এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও অর্থ বিভাগের আরোপিত শর্তাদি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) প্রতিপালন করতে হবে এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে হবে।

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
শিক্ষক-কর্মচারী একই সঙ্গে একাধিক চাকরি বা লাভজনক পদে নিয়োজিত থাকতে পারবেন না-শিক্ষা মন্ত্রণালয়
  • newadminnewadmin
  • ডিসেম্বর ৯, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক।।বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫ জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।নতুন নীতিমালা অনুযায়ী এমপিওভুক্ত কোনো শিক্ষক-কর্মচারী একই সঙ্গে একাধিক চাকরি বা লাভজনক পদে নিয়োজিত থাকতে পারবেন না।এর মধ্যে সাংবাদিকতা বা আইন পেশাও আছে। এটি করলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারীর এমপিও বাতিল করা যাবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ সংশোধিত এই নীতিমালা জারি করেছে। নীতিমালায় বলা হয়েছে, এমপিওভুক্ত কোনো শিক্ষক-কর্মচারী একই সঙ্গে একাধিক কোনো পদে বা চাকরিতে বা আর্থিক লাভজনক কোনো পদে নিয়োজিত থাকতে পারবেন না।এটি তদন্তে প্রমাণিত হলে সরকার তাঁর এমপিও বাতিলসহ দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে। নীতিমালায় আর্থিক লাভজনক পদ বলতে সরকারের দেওয়া কোনো ধরনের বেতন,ভাতা,সম্মানী এবং বেসরকারি কোনো প্রতিষ্ঠান,সংস্থা বা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান,সাংবাদিকতা বা আইন পেশায় কর্মের বিনিময়ে বেতন,ভাতা বা সম্মানীকে বোঝাবে। বর্তমানে সারা দেশে ছয় লাখের বেশি শিক্ষক-কর্মচারী এমপিওভুক্ত।এর মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে আছেন ৩ লাখ ৯৮ হাজার,মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে প্রায় পৌনে ২ লাখ এবং কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে আছেন ২৩ হাজারের বেশি শিক্ষক ও কর্মচারী।তাঁরা এত দিন সরকারের কাছ থেকে মাসে মূল বেতন,১ হাজার টাকা বাড়িভাড়া এবং ৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা পেয়ে আসছিলেন।সম্প্রতি এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীদের বাড়িভাড়া ভাতা মূল বেতনের ১৫ শতাংশ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।এই অর্থ দুই ধাপে পাবেন শিক্ষক-কর্মচারীরা। ১৫ শতাংশের মধ্য ৭ দশমিক ৫ শতাংশ (ন্যূনতম দুই হাজার টাকা) কার্যকর হয়েছে এ বছরের ১ নভেম্বর থেকে। আরও সাড়ে ৭ শতাংশ কার্যকর হবে আগামী বছরের ১ জুলাই থেকে।

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
নির্দিষ্ট সংখ্যক শিক্ষার্থী ও পাসের হার না থাকলে শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বন্ধ
  • newadminnewadmin
  • ডিসেম্বর ৮, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক।।বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫ প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ।এতে জানানো হয়,শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতনের সরকারি অংশ পেতে নির্দিষ্ট সংখ্যক শিক্ষার্থী থাকতে হবে।একই সঙ্গে নূন্যতম পাসের হার থাকতে হবে প্রতিষ্ঠানে। রোববার (৭ ডিসেম্বর) মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে এ নীতিমালা প্রকাশ করা হয়েছে। নীতিমালার বেতন-ভাতাদির সরকারি অংশ প্রাপ্তির জন্য অবশ্যকীয় শর্তাবলীতে বলা হয়েছে,প্রতিষ্ঠানকে (স্কুল ও কলেজ) অবশ্যই পাবলিক পরীক্ষায় পরিশিষ্ট-‘গ’ মোতাবেক কাম্য পরীক্ষার্থী থাকতে হবে ও ন্যূনতম পাসের হার অর্জন করতে হবে। শর্ত অনুযায়ী,নিম্ন মাধ্যমিকে শহরে ১২০ ও মফস্বলে ৯০ জন শিক্ষার্থী থাকতে হবে। মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের জন্য শহরে ২০০ ও মফস্বলে ১৫০ এবং উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শহরে ২৫০-৩৯০ এবং শফস্বলে ১৯০ থেকে জন শিক্ষার্থী থাকার কথা বলা হয়েছে। একইভাবে উচ্চ মাধ্যমিক কলেজ,স্নাতক (পাস) কলেজ, স্নাতক (সম্মান) কলেজ এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য শহর ও কলেজ ভেদে বিভিন্ন বিভাগত অনুযায়ী নির্দিষ্ট সংখ্যক শিক্ষার্থী থাকার কথা বলা হয়েছে। নীতিমালায় বলা হয়েছে,এমপিওভুক্ত সহকারী শিক্ষকরা নিয়োগকালীন কাম্য শিক্ষা যোগ্যতা থাকা সাপেক্ষে ১০ম গ্রেডে সন্তোষজনক ১০ (দশ) বছর চাকরি পুর্তিতে ‘সিনিয়র শিক্ষক’ হিসেবে পদোন্নতি পাবেন। ১০ বছর চাকরির পর সহকারী শিক্ষকরা সিনিয়র শিক্ষক হিসেবে পদোন্নতি পাবেন বলে নীতিমালায় উল্লেখ আছে। যদিও গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞানের শিক্ষকরা উচ্চতর গ্রেড পেলেও পদোন্নতি পাবেন না। সহকারী শিক্ষক (গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান) তার উচ্চতর গ্রেডের আর্থিক সুবিধাদি প্রাপ্য হবেন তবে তিনি সিনিয়র শিক্ষক হিসেবে পদোন্নতি প্রাপ্য হবেন না। সহকারী শিক্ষক হিসেবে এমপিওভুক্তির পরে ১০ম গ্রেডে ১০ (দশ) বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা। বেতন গ্রেড-৯ (২২০০০-৫৩০৬০)।

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন

সংবাদ

শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার তদন্তে জাতিসংঘের সহায়তা চাওয়ার সিদ্ধান্ত
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে যুক্তরাজ্যের সতর্কতা
খাগড়াছড়ির সাবেক মেয়র রফিকুল আলম ঢাকায় গ্রেপ্তার
পরিবর্তন ও সংস্কারের প্রতীক দাঁড়িপাল্লা ও শাপলা কলি: নাহিদ ইসলাম
খুলনায় সেলুনের সামনে গুলিতে যুবক নিহত
বিএনপি বাতিল করল ঢাকার সমাবেশ, তারেক রহমান দেবেন মহানগর এলাকায় নির্বাচনী বক্তব্য
কায়সার কামাল: অন্ধবিশ্বাস নয়, যুক্তির ভোট দিন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: ভোট দেওয়ার জন্য সব প্রস্তুতি শেষ—ইসি আনোয়ারুল
জাকসুর ভিপি আবদুর রশিদ জিতু বিএনপিতে যোগ
ইবনে সিনা হাসপাতালে শত কোটি টাকার লুটপাট, অভিযোগের কেন্দ্রে ডা. তাহের