প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে ভাইভা শেষে ফলের অপেক্ষা, মিলেছে ডিজিটাল জালিয়াতির প্রমাণ
নিজস্ব প্রতিবেদক।।সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা (ভাইভা) শেষ হয়েছে।গত ৩ ফেব্রুয়ারি জেলা পর্যায়ে এই পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর সারা দেশের ৬৯ হাজার ২৬৫ জন পরীক্ষার্থী এখন চূড়ান্ত ফল প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছেন। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে মৌখিক পরীক্ষার প্রাপ্ত নম্বর যাচাই-বাছাই এবং প্রয়োজনীয় কারিগরি কার্যক্রম চলছে।এসব প্রক্রিয়া শেষ হলেই দ্রুততম সময়ের মধ্যে চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হবে। তবে রেকর্ড গতির এই নিয়োগ প্রক্রিয়া ঘিরে চাকরিপ্রার্থীদের তোলা ডিজিটাল জালিয়াতির অভিযোগ মৌখিক পরীক্ষায় সত্য প্রমাণিত হয়েছে।দিনাজপুরে ভাইভা বোর্ডে সাধারণ প্রশ্নের উত্তর দিতে না পারায় ১১ জন প্রার্থীকে আটক করা হয়েছে। গত ১ ফেব্রুয়ারি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে এসে তাঁদের আটক করা হয়। আটক প্রার্থীদের মধ্যে ঘোড়াঘাট উপজেলার গোলাম রাফসানী অন্যতম।ভাইভা বোর্ডে তাঁকে লিখিত পরীক্ষার প্রশ্নপত্র থেকেই সাধারণ কিছু প্রশ্ন করা হলে তিনি কোনো উত্তর দিতে পারেননি।এতে সন্দেহ হলে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) হাবিবুল হাসান তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। একপর্যায়ে রাফসানী স্বীকার করেন,১০ লাখ টাকার চুক্তিতে ফয়সাল আহমেদ নামের একজন তাঁর হয়ে লিখিত পরীক্ষা দিয়েছিলেন। এছাড়া বিরল উপজেলার মানস চন্দ্র রায় ডিভাইস ব্যবহারের অভিযোগে আটক হন।জেলা প্রশাসন জানিয়েছে,সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদে একে একে মোট ১১ জন প্রার্থী অপরাধ স্বীকার করেছেন।এই জালিয়াতি চক্রের সঙ্গে শিক্ষা অফিসের কিছু কর্মচারী ও শিক্ষকের সম্পৃক্ততার অভিযোগও উঠেছে। বর্তমানে দেশে ৬৫ হাজার ৬২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তীব্র শিক্ষক সংকট রয়েছে।এবারের নিয়োগে ১৪ হাজার ৩৮৫টি সহকারী শিক্ষক পদের বিপরীতে উত্তীর্ণ প্রার্থীরা প্রতিযোগিতায় রয়েছেন। দ্রুত ফল প্রকাশের বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামান জানান,শুধু সহকারী শিক্ষক নয়—দেশজুড়ে ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষকের পদও শূন্য রয়েছে।এর ফলে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। তিনি বলেন,প্রয়োজনের নিরিখে জরুরি ভিত্তিতে এই নিয়োগ…
![]()














সর্বশেষ সংবাদ :———