প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে ভাইভা শেষে ফলের অপেক্ষা, মিলেছে ডিজিটাল জালিয়াতির প্রমাণ
  • newadminnewadmin
  • ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক।।সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা (ভাইভা) শেষ হয়েছে।গত ৩ ফেব্রুয়ারি জেলা পর্যায়ে এই পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর সারা দেশের ৬৯ হাজার ২৬৫ জন পরীক্ষার্থী এখন চূড়ান্ত ফল প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছেন। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে মৌখিক পরীক্ষার প্রাপ্ত নম্বর যাচাই-বাছাই এবং প্রয়োজনীয় কারিগরি কার্যক্রম চলছে।এসব প্রক্রিয়া শেষ হলেই দ্রুততম সময়ের মধ্যে চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হবে। তবে রেকর্ড গতির এই নিয়োগ প্রক্রিয়া ঘিরে চাকরিপ্রার্থীদের তোলা ডিজিটাল জালিয়াতির অভিযোগ মৌখিক পরীক্ষায় সত্য প্রমাণিত হয়েছে।দিনাজপুরে ভাইভা বোর্ডে সাধারণ প্রশ্নের উত্তর দিতে না পারায় ১১ জন প্রার্থীকে আটক করা হয়েছে। গত ১ ফেব্রুয়ারি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে এসে তাঁদের আটক করা হয়। আটক প্রার্থীদের মধ্যে ঘোড়াঘাট উপজেলার গোলাম রাফসানী অন্যতম।ভাইভা বোর্ডে তাঁকে লিখিত পরীক্ষার প্রশ্নপত্র থেকেই সাধারণ কিছু প্রশ্ন করা হলে তিনি কোনো উত্তর দিতে পারেননি।এতে সন্দেহ হলে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) হাবিবুল হাসান তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। একপর্যায়ে রাফসানী স্বীকার করেন,১০ লাখ টাকার চুক্তিতে ফয়সাল আহমেদ নামের একজন তাঁর হয়ে লিখিত পরীক্ষা দিয়েছিলেন। এছাড়া বিরল উপজেলার মানস চন্দ্র রায় ডিভাইস ব্যবহারের অভিযোগে আটক হন।জেলা প্রশাসন জানিয়েছে,সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদে একে একে মোট ১১ জন প্রার্থী অপরাধ স্বীকার করেছেন।এই জালিয়াতি চক্রের সঙ্গে শিক্ষা অফিসের কিছু কর্মচারী ও শিক্ষকের সম্পৃক্ততার অভিযোগও উঠেছে। বর্তমানে দেশে ৬৫ হাজার ৬২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তীব্র শিক্ষক সংকট রয়েছে।এবারের নিয়োগে ১৪ হাজার ৩৮৫টি সহকারী শিক্ষক পদের বিপরীতে উত্তীর্ণ প্রার্থীরা প্রতিযোগিতায় রয়েছেন। দ্রুত ফল প্রকাশের বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামান জানান,শুধু সহকারী শিক্ষক নয়—দেশজুড়ে ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষকের পদও শূন্য রয়েছে।এর ফলে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। তিনি বলেন,প্রয়োজনের নিরিখে জরুরি ভিত্তিতে এই নিয়োগ…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
অস্ট্রেলিয়া অ্যাওয়ার্ডস স্কলারশিপে বিনা খরচে উচ্চশিক্ষার সুযোগ
  • newadminnewadmin
  • ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক।।অস্ট্রেলিয়ায় উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য আবারও বড় সুযোগ নিয়ে এসেছে অস্ট্রেলিয়া অ্যাওয়ার্ডস স্কলারশিপ।এ বৃত্তির আওতায় সম্পূর্ণ বিনা খরচে অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সুযোগ মিলবে। অস্ট্রেলিয়ার বৈদেশিক বিষয় ও বাণিজ্য বিভাগের (ডিএফএটি) তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এই স্কলারশিপকে বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ বৃত্তি হিসেবে ধরা হয়। এই স্কলারশিপের মাধ্যমে স্বাস্থ্য,ডেভেলপমেন্ট,পরিবেশ, সাসটেইনেবিলিটি,ট্রেড,পাবলিক পলিসি,অর্থনীতি,গভর্ন্যান্স, ইনফ্রাস্ট্রাকচার,বিজ্ঞান,ইঞ্জিনিয়ারিং ও ব্লু ইকোনমিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে স্নাতকোত্তর পর্যায়ে পড়াশোনা করা যাবে। স্কলারশিপের সুযোগ-সুবিধা অস্ট্রেলিয়া অ্যাওয়ার্ডস স্কলারশিপের আওতায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা পাবেন— সম্পূর্ণ বিনা বেতনে পড়াশোনার সুযোগ বই ও শিক্ষা উপকরণের খরচ বিমানে ইকোনমি ক্লাসে যাতায়াতের টিকিট মাসিক ভাতা ও বসবাসের খরচ স্বাস্থ্য বিমা সুবিধা কোর্সভেদে ফিল্ডওয়ার্কের অতিরিক্ত সহায়তা আবেদনের যোগ্যতা এই স্কলারশিপে আবেদন করতে হলে প্রার্থীদের অবশ্যই— ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকত্ব থাকা যাবে না অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকের সঙ্গে বাগদান বা বিবাহিত হলে আবেদন করা যাবে না কোনো সামরিক বাহিনী বা প্রতিরক্ষা সেবার সঙ্গে যুক্ত থাকা যাবে না ইংরেজি ভাষায় দক্ষতার প্রমাণ হিসেবে— আইএলটিএস স্কোর কমপক্ষে ৬.৫ (প্রতিটি ব্যান্ডে ন্যূনতম ৬), অথবা টোয়েফল আইবিটি স্কোর কমপক্ষে ৮৪, অথবা পিটিই অ্যাকাডেমিক স্কোর কমপক্ষে ৫৮ থাকতে হবে আবেদন পদ্ধতি অস্ট্রেলিয়া অ্যাওয়ার্ডস স্কলারশিপে আবেদনের বিস্তারিত নিয়ম,প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও সময়সূচি জানতে স্কলারশিপের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। অনলাইনের মাধ্যমেই আবেদন সম্পন্ন করতে হবে। উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে এই স্কলারশিপ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হয়রানি বাড়ছে, উদ্বেগে শিক্ষাবিদরা
  • newadminnewadmin
  • ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক।।সম্প্রতি দেশের একাধিক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের হয়রানি,নিজ নিজ কার্যালয়ে আটকে রাখা এবং কোথাও কোথাও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার একাধিক ঘটনা সামনে এসেছে।অভিযোগ রয়েছে,আগের শাসনামলের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তুলে কিছু ছাত্রনেতা এসব কর্মকাণ্ডে জড়াচ্ছেন।তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এসব অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না বলে সমালোচনা উঠেছে। শিক্ষাবিদরা এসব ঘটনাকে ‘অপ্রত্যাশিত ও অগ্রহণযোগ্য’ আখ্যা দিলেও সংশ্লিষ্ট ছাত্রনেতারা দাবি করছেন, ‘দুর্নীতিগ্রস্ত শিক্ষকদের’ অতীতের অসদাচরণের জন্য জবাবদিহির আওতায় আনতেই তারা এসব পদক্ষেপ নিয়েছেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বশেষ ঘটনা সর্বশেষ এমন ঘটনা ঘটেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি)।গত ১০ জানুয়ারি ইসলামী ছাত্রশিবির-সমর্থিত ‘সম্প্রীতির শিক্ষার্থী জোট’ প্যানেল থেকে নির্বাচিত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) কয়েকজন নেতা আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হাসান মোহাম্মদ রোমানকে আওয়ামী লীগ সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে জোর করে প্রক্টরের কার্যালয়ে নিয়ে যান। ভর্তি পরীক্ষার তদারকির দায়িত্বে থাকা অবস্থায় চাকসুর কয়েকজন নেতা তাকে ধরে নিয়ে যান।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, অধ্যাপক রোমানকে টেনে-হিঁচড়ে একটি রিকশায় তুলে প্রক্টরের কার্যালয়ের দিকে নেওয়া হচ্ছে। চবি ক্যাম্পাসের কিছু শিক্ষার্থীর অভিযোগ,জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় রোমান আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন এবং নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সঙ্গে তার যোগাযোগ ছিল। তবে এসব অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছেন অধ্যাপক রোমান। ভিডিও ফুটেজে চাকসুর দপ্তর সম্পাদক আবদুল্লাহ আল নোমান,পাঠাগার ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ, ক্যারিয়ার উন্নয়ন সম্পাদক মেহেদী হাসান সোহান,আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক ফজলে রাব্বি তৌহিদসহ একাধিক নেতাকে দেখা গেছে। এ বিষয়ে চাকসু সাধারণ সম্পাদক ও চবি শিবিরের আন্তর্জাতিক ও মানবাধিকার সম্পাদক সাঈদ বিন হাবিব দাবি করেন,কোনো শিক্ষককে হয়রানি করা হয়নি।তিনি বলেন, “যাদের বিরুদ্ধে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে, তাদের শুধু শিক্ষক বলে উপস্থাপন করে প্রকৃত সত্য আড়াল করার চেষ্টা চলছে।” ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯ ধারা…

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
ক্ষমতা থাকলেও শিক্ষা কেন থেমে যায়? রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্ক
  • newadminnewadmin
  • জানুয়ারি ২২, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক।।বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে শাসকগোষ্ঠীর পারিবারিক প্রভাব,যোগ্যতা ও শিক্ষাগত মান নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে—রাষ্ট্রক্ষমতার সর্বোচ্চ স্তরে থাকা পরিবারের সন্তান হয়েও কেন কেউ উচ্চমাধ্যমিক (HSC) পর্যায়ের পর আর এগোতে পারে না? বিশ্লেষকদের মতে,এটি অর্থ বা ক্ষমতার অভাবজনিত কোনো বিষয় নয়।বরং প্রশ্নটি ঘুরে ফিরে এসে দাঁড়াচ্ছে সদিচ্ছা, একাগ্রতা ও ব্যক্তিগত দায়বদ্ধতার জায়গায়।রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন,রাষ্ট্রপতি,সেনাপ্রধান বা প্রধানমন্ত্রী—এমন অবস্থানে থাকা পরিবারের সন্তানের জন্য বিশ্বের যেকোনো নামকরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দরজা খোলা থাকে।কিন্তু সেই সুযোগ কাজে লাগাতে হলে প্রয়োজন ব্যক্তিগত আগ্রহ ও পরিশ্রম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সমাজবিজ্ঞানী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,“ক্ষমতা শিক্ষা অর্জনের পথ সহজ করে, কিন্তু শিক্ষা অর্জন নিজেই একটি শ্রমসাধ্য প্রক্রিয়া।রাজনৈতিক পরিবারের সন্তানদের অনেক সময় বাস্তব সংগ্রাম না থাকায় পড়াশোনার প্রয়োজনীয়তা তারা অনুভব করে না।” রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের আরেকটি অংশ মনে করেন,ক্ষমতার বলয়ে বড় হওয়ায় অনেক তরুণ প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার বদলে প্রভাব,তদবির ও পরিচয়ের ওপর নির্ভরশীল হয়ে ওঠে। ফলে ডিগ্রি বা একাডেমিক যোগ্যতা তাদের কাছে গৌণ হয়ে পড়ে। তবে সমালোচকদের প্রশ্ন আরও তীক্ষ্ণ—ডিগ্রি না থাকলেও যদি অভিজ্ঞতা,ত্যাগ ও রাজনৈতিক সংগ্রাম থাকত,তাহলে বিষয়টি ভিন্নভাবে দেখা যেত।কিন্তু উত্তরাধিকারসূত্রে ক্ষমতার সুবিধা ভোগ করে রাষ্ট্র পরিচালনায় ভূমিকা রাখার চেষ্টা হলে তা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হয়ে ওঠে। সুশীল সমাজের একাংশ বলছে,এই বিতর্ক আসলে কোনো ব্যক্তিকে ঘিরে নয়; বরং এটি রাষ্ট্র পরিচালনায় যোগ্যতা, শিক্ষা ও নৈতিকতার প্রশ্নকে সামনে এনেছে।তাদের মতে, ভবিষ্যতে রাজনৈতিক নেতৃত্ব বাছাইয়ের ক্ষেত্রে পারিবারিক পরিচয়ের চেয়ে শিক্ষা,দক্ষতা ও যোগ্যতাকে অগ্রাধিকার দেওয়াই হবে রাষ্ট্রের জন্য মঙ্গলজনক। শেষ কথা: ক্ষমতা সুযোগ এনে দেয়,কিন্তু শিক্ষা ও যোগ্যতা অর্জন করতে হয় নিজ উদ্যোগে।সেই জায়গাতেই আজকের এই বিতর্ক—যা রাজনীতির ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলছে।

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
শিক্ষক নির্যাতনের অভিযোগ: জয়নাব বিনতে হোসেনের ওপর হামলার প্রতিবাদ
  • newadminnewadmin
  • জানুয়ারি ১১, ২০২৬

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জয়নাব বিনতে হোসেনের ওপর সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগ উঠেছে।ঘটনাটি শিক্ষাঙ্গনে গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা যায়,সম্প্রতি ক্যাম্পাস-সংলগ্ন এলাকায় অধ্যাপক জয়নাব বিনতে হোসেনকে লক্ষ্য করে একদল দুর্বৃত্ত হামলা চালায়।এতে তিনি শারীরিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন বলে অভিযোগ রয়েছে।ঘটনার পর তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। শিক্ষক সমাজ ও বিভিন্ন শিক্ষাবিষয়ক সংগঠনের নেতারা অভিযোগ করেছেন,শিক্ষক নির্যাতন যেন বর্তমান অবৈধ সরকার ও জামাত–বিএনপি–এনসিপির অনানুষ্ঠানিক শাসনব্যবস্থার ‘রুলস অব বিজনেস’-এ পরিণত হয়েছে। তাঁদের মতে,ভিন্নমত দমন ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে শিক্ষাঙ্গনের স্বাধীন পরিবেশ বিনষ্ট করা হচ্ছে। ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে শিক্ষকরা অবিলম্বে হামলাকারীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। তাঁরা বলেন,শিক্ষকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব; এই দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতা শিক্ষাব্যবস্থাকে গভীর সংকটে ঠেলে দেবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক সূত্র জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।তবে এ ঘটনায় এখনো কাউকে গ্রেপ্তারের তথ্য পাওয়া যায়নি। শিক্ষক ও নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে জোর দিয়ে বলা হচ্ছে—সকল অপরাধকে অবশ্যই বিচারিক প্রক্রিয়ার আওতায় আনতে হবে।অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত না হলে শিক্ষক নির্যাতনের মতো ঘটনাগুলো আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। এদিকে,বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে শিক্ষকদের নিরাপত্তা জোরদার ও ক্যাম্পাসে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
অভাবের মাঝে মেধার উজ্জ্বলতা: তিথি সাহার মেডিকেল ভর্তি অনিশ্চয়তায়
  • newadminnewadmin
  • জানুয়ারি ৭, ২০২৬

কেশবপুর(যশোর)প্রতিনিধি।।যশোরের কেশবপুর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের তিথি সাহা (১৯) স্বপ্নের পথে এগোচ্ছেন—তবে পরিবারে আর্থিক সংকট তাঁর মেডিকেল ভর্তি প্রক্রিয়াকে অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে। বাবা কালিদাস সাহা একটি কোম্পানির জুস,মসলা ও জেলিসহ বিভিন্ন পণ্য ভ্যানে করে ডেলিভারি দেন।মা মাধবী সাহা অবসরে ঠোঙা ও পাঁপড় বানিয়ে বিক্রি করেন।চার সদস্যের এই পরিবারটি ছোট্ট টিন-ইটের ছাপরাঘরে বাস করছে।ঘরের কাঠের বেড়াগুলো ক্ষয়প্রাপ্ত,তাই পরিবারকে বেশিরভাগ সময় বারান্দায় থাকতে হয়। তিথি সাহা নীলফামারী মেডিকেল কলেজে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন।কিন্তু ভর্তি ও পড়াশোনার খরচ জোগাড় করতে পারছে না পরিবার।মা মাধবী সাহা জানান,“তিথিকে বড় করতে অনেক কষ্ট করেছি।খেয়ে না-খেয়েও দিন চলে গেছে।কিন্তু এখন তার ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছি।” তিথি ছোটবেলা থেকেই মেধাবী।তিনি পঞ্চম শ্রেণি থেকে বৃত্তি পেয়ে আসছেন।কেশবপুর সরকারি পাইলট উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এসএসসিতে জিপিএ-৫ এবং কেশবপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসিতে জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন। তিনি মেডিকেল ভর্তি কোচিংয়ে বিনামূল্যে সহায়তা পেয়েছেন শিক্ষকদের কাছ থেকে।শহীদ ফ্লাইট লেফটন্যান্ট মাসুদ মেমোরিয়াল কলেজের সহকারী অধ্যাপক দীনেশচন্দ্র দেবনাথ বলেন,“তিথি অত্যন্ত মেধাবী।তার নিজের চেষ্টায় এ পর্যন্ত এসেছে।” কেশবপুর পাইলট সরকারি উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবু তালেব জানান,“তিথি খুবই বিনয়ী।লেখাপড়ায় একাগ্রতার জন্যই সে এই সাফল্য অর্জন করেছে।সহযোগিতা পেলে সে জীবনে অনেক বড় হতে পারবে।” পরিবারের আর্থিক সহায়তা ও স্থানীয় well-wisherদের সমর্থন ছাড়া তিথি সাহার স্বপ্ন পূরণ কঠিন হয়ে উঠেছে। আগামী ১০-১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত ভর্তি কার্যক্রম চলবে।

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
যৌন হয়রানি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মিডিয়া অ্যাডভাইজারকে বহিস্কারের দাবি
  • newadminnewadmin
  • জানুয়ারি ৪, ২০২৬

রাজশাহী প্রতিনিধি।।বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মিডিয়া অ্যাডভাইজার ও জার্নালিজম,কমিউনিকেশন অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের অ্যাজুটেন ফ্যাকাল্টি জনাব গোলাম রাব্বানীর বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের যৌন হয়রানি,আর্থিক দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার ও প্রশাসনিক প্রভাব বিস্তারের একাধিক গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব দায়িত্ব থেকে স্থায়ীভাবে বহিস্কারের দাবি জানিয়েছেন একদল শিক্ষার্থী। বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান জনাব হাফিজুর রহমান খানের কাছে দেওয়া লিখিত আবেদনে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন,অভিযুক্ত শিক্ষক প্রশাসনিক ঘনিষ্ঠতার সুযোগ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ভয় ও অনিরাপত্তার পরিবেশ তৈরি করে আসছেন। আবেদনের অনুলিপি শিক্ষা মন্ত্রণালয়েও পাঠানো হয়েছে। ছাত্রীদের যৌন হয়রানির গুরুতর অভিযোগ আবেদনে বলা হয়,অভিযুক্ত শিক্ষক কয়েকজন ছাত্রীকে তার ব্যক্তিগত মিডিয়া প্রতিষ্ঠান,অনলাইন পোর্টাল ও টেলিভিশনে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। অভিযোগ অনুযায়ী,এই প্রলোভনের আড়ালে তিনি একাধিক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির শিকার করেন।ক্ষমতার দাপট ও প্রশাসনিক ঘনিষ্ঠতার কারণে ভুক্তভোগী ছাত্রীরা প্রকাশ্যে অভিযোগ জানাতে ভয় পাচ্ছেন বলে শিক্ষার্থীদের দাবি। শিক্ষার্থীদের ভাষ্য,যারা তার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে বা তার প্রতিষ্ঠান ছেড়ে চলে এসেছে,তাদের জায়গায় নতুন ছাত্রীদের টার্গেট করা হয়েছে—যা একটি ধারাবাহিক নিপীড়নের চিত্র তুলে ধরে। আইনি বিশ্লেষণ: যৌন হয়রানি অপরাধ কি না? আইন বিশেষজ্ঞদের মতে,অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে এটি বাংলাদেশে একাধিক আইনের সরাসরি লঙ্ঘন— হাইকোর্ট নির্দেশনা (BNWLA বনাম বাংলাদেশ, ২০০৯): শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী বা কর্মস্থলে নারীকে যৌন হয়রানি দণ্ডনীয় অপরাধ।প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটি গঠন ও অভিযোগের তদন্ত বাধ্যতামূলক। দণ্ডবিধি,১৮৬০-এর ধারা ৩৫৪ ও ৫০৯: নারীর শালীনতা ক্ষুণ্ন করা বা অশ্লীল ইঙ্গিত,প্রস্তাব বা আচরণ শাস্তিযোগ্য অপরাধ। দোষী সাব্যস্ত হলে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড হতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) বিধিমালা: শিক্ষক কর্তৃক শিক্ষার্থীদের প্রতি ক্ষমতার অপব্যবহার ও যৌন হয়রানি প্রমাণিত হলে তা গুরুতর অসদাচরণ (Gross Misconduct) হিসেবে গণ্য হয় এবং চাকরিচ্যুতির বিধান রয়েছে। আইনজ্ঞদের মতে,এই ধরনের…

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তিন দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ
  • newadminnewadmin
  • ডিসেম্বর ৩০, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক।।বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে রাষ্ট্রীয় শোক পালনের অংশ হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মঙ্গলবার থেকে তিন দিন সব ধরনের ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর জানায়,সরকার ঘোষিত তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোকের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ভবনে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানানো হয়,কেন্দ্রীয় মসজিদসহ সকল হল,হোস্টেল ও আবাসিক এলাকার মসজিদ ও ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হবে।বুধবার খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশগ্রহণের সুবিধার্থে শিক্ষক, শিক্ষার্থী,কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য পরিবহনের ব্যবস্থা করা হবে।

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
শিক্ষকরা ‘১১টি পেশায় যুক্ত হতে পারবেন না-সেই নোটিশ প্রত্যাহার
  • newadminnewadmin
  • ডিসেম্বর ১৭, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক।।বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা ‘১১টি পেশায় যুক্ত হতে পারবেন না’ সংক্রান্ত আলোচিত সেই নোটিশটি প্রত্যাহার করা হয়েছে। বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) কালকিনি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আশরাফুজ্জামান সাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে সংশ্লিষ্ট নোটিশের জন্য দুঃখও প্রকাশ করেন সংশ্লিষ্ট ওই কর্মকর্তা। এতে বলা হয়,১৪/১২/২০২৫ ইং তারিখের স্মারক নং–উমাশি/বৃত্তি/২০২৫/৩২৪ পত্রটি প্রত্যাহার করা হলো এবং পত্রটি প্রকাশে অনাকাঙ্ক্ষিত ভুলের জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি। এর আগে ওই নির্দেশনায় বলা হয়েছিল,বর্তমান বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫ এর আলোকে এমপিওভুক্ত শিক্ষকগণ একটি সম্মানজনক ও পূর্ণকালীন রাষ্ট্রীয় আর্থিক সুবিধাপ্রাপ্ত পেশায় নিযুক্ত।এমতাবস্থায় তাদের পেশাগত দায়িত্ব ও সময়ের পূর্ণ সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে শিক্ষকতার পাশাপশি কোনো অতিরিক্ত লাভজনক পেশায় সম্পৃক্ত হওয়া নীতিগতভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলো। নিষিদ্ধ ও সীমাবদ্ধ পেশাগুলো হলো-সাংবাদিকতা (বানিজ্যিক ভিত্তিতে পরিচালিত); আইন পেশা (যেহেতু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও আদালত উভয়ই একই সময়ে চলে); কোচিং সেন্টার পরিচালনা বা এতে শিক্ষকতা; প্রাইভেট/কেজি স্কুল পরিচালনা; শিক্ষাবিষয়ক প্রকাশনা বা পাবলিকেশন্স বানিজ্যে অংশগ্রহণ; হজ্ব এজেন্ট বা এর মার্কেটিং কার্যক্রম; বিয়ের কাজী বা ঘটকালী পেশা; টং দোকান বা ক্ষুদ্র ব্যবসা; ঠিকাদারি বা নির্মাণ ব্যবসা; মসজিদের পূর্ণকালীন ইমামত বা খতিবের দায়িত্ব পালন (যা শিক্ষকতার সময়কে প্রভাবিত করে) এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের বিশেষ সহকারী/চাটুকার হিসেবে নিয়োজিত থাকতে পারবেন না। তবে পত্রটি প্রকাশের জন্য এটি নিয়ে দেশব্যাপী সমালোচনা শুরু হওয়ায় আজ তা প্রত্যাহার করা হয়েছে।

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মেধা যাচাই পরীক্ষা ১মাসের জন্য স্হগিত
  • newadminnewadmin
  • ডিসেম্বর ১৭, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক।।সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মেধা যাচাই পরীক্ষার কার্যক্রম এক মাসের জন্য স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মেধা যাচাই পরীক্ষা ২১,২২,২৩ ও ২৪ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ গত রোববার (১৪ ডিসেম্বর ২০২৫) রুলসহ এ আদেশ দেন। এ-সংক্রান্ত প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের গত ১১ নভেম্বর স্মারকের (১৯ নভেম্বর স্বাক্ষরিত) কার্যক্রম স্থগিত করেছেন উচ্চ আদালত। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওই স্মারকে শিক্ষার্থীদের মেধা যাচাই পরীক্ষার সময়সূচি জানায়।এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে কেরানীগঞ্জ পাবলিক ল্যাবরেটরি স্কুলের পরিচালক মো. ফারুক হোসেন ও দুজন অভিভাবক ১০ ডিসেম্বর ওই রিটটি করেন। আদালতে রিট আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী নিয়াজ মোর্শেদ।আদেশের বিষয়টি জানিয়ে তিনি আজ বুধবার বলেন,সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মেধা যাচাই পরীক্ষার কার্যক্রম এক মাসের জন্য স্থগিত করেছেন।ফলে পরীক্ষা হচ্ছে না।শুধু সরকারি প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের ওই মেধা যাচাই পরীক্ষার আয়োজন করেছে,যা হাইকোর্টের গত ৩ নভেম্বর দেওয়া রায়ের লঙ্ঘন।’ এর আগে শুধু সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে বলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর গত ১৭ জুলাই এক স্মারকে জানায়।২০২৫ সালের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বৃত্তি পরীক্ষা ২১ থেকে ২৪ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।এ নিয়ে করা এক রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে গত ৩ নভেম্বর হাইকোর্ট রায় দেন। হাইকোর্টের রায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওই সিদ্ধান্ত (গত ১৭ জুলাই) বাতিল ঘোষণা করেন।পাশাপাশি ২০০৮ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরিচালনা নীতিমালার আলোকে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের যোগ্য শিক্ষার্থীদের সুযোগ দিয়ে বৃত্তি পরীক্ষার আয়োজন করতে বলা হয়।এ লক্ষ্যে ১৫ দিনের মধ্যে চিঠি ইস্যু করতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবের প্রতি নির্দেশ দেওয়া হয়।এই রায় স্থগিত চেয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর লিভ টু আপিল করে।লিভ টু আপিল…

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন

সংবাদ

শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার তদন্তে জাতিসংঘের সহায়তা চাওয়ার সিদ্ধান্ত
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে যুক্তরাজ্যের সতর্কতা
খাগড়াছড়ির সাবেক মেয়র রফিকুল আলম ঢাকায় গ্রেপ্তার
পরিবর্তন ও সংস্কারের প্রতীক দাঁড়িপাল্লা ও শাপলা কলি: নাহিদ ইসলাম
খুলনায় সেলুনের সামনে গুলিতে যুবক নিহত
বিএনপি বাতিল করল ঢাকার সমাবেশ, তারেক রহমান দেবেন মহানগর এলাকায় নির্বাচনী বক্তব্য
কায়সার কামাল: অন্ধবিশ্বাস নয়, যুক্তির ভোট দিন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: ভোট দেওয়ার জন্য সব প্রস্তুতি শেষ—ইসি আনোয়ারুল
জাকসুর ভিপি আবদুর রশিদ জিতু বিএনপিতে যোগ
ইবনে সিনা হাসপাতালে শত কোটি টাকার লুটপাট, অভিযোগের কেন্দ্রে ডা. তাহের