নির্বাচনের ছুটি কার্যকর করা কারখানা চাইলে একদিন অতিরিক্ত কাজ করাতে পারবে
  • newadminnewadmin
  • ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক।।জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের জন্য আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি ঘোষিত ছুটি যেসব কারখানা কার্যকর করবে,তারা প্রয়োজনে পরবর্তীতে যেকোনো একদিন শ্রমিকদের দিয়ে কাজ করিয়ে সেই ছুটি পুষিয়ে নিতে পারবে। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) উপদেষ্টা পরিষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।পোশাক কারখানার মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ’র আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।পোস্টে বলা হয়,জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের জন্য ঘোষিত ১০ ফেব্রুয়ারির ছুটি কার্যকর করা হলে,সংশ্লিষ্ট কারখানা কর্তৃপক্ষ পরবর্তীতে প্রয়োজন অনুযায়ী যেকোনো একদিন শ্রমিকদের দিয়ে কাজ করিয়ে সেই ছুটি সমন্বয় করতে পারবে। ফেসবুক পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়,বিজিএমইএ’র আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতেই আজকের উপদেষ্টা পরিষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
রমজানে সরকারি অফিস চলবে সকাল ৯টা থেকে সাড়ে ৩টা, জোহরে এক ঘণ্টার বিরতি
  • newadminnewadmin
  • ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক।।আসন্ন পবিত্র রমজান মাসে সব সরকারি, আধা সরকারি,স্বায়ত্তশাসিত ও আধা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে সকাল ৯টা থেকে বেলা সাড়ে ৩টা পর্যন্ত অফিস সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।এ সময়ের মধ্যে জোহরের নামাজের জন্য বেলা ১টা থেকে সোয়া ১টা পর্যন্ত বিরতি থাকবে। বৃহস্পতিবার অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ সময়সূচির প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ বৈঠক শেষে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেন,উপদেষ্টা পরিষদের অনুমোদনের পর এখন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন জারি করে আনুষ্ঠানিকভাবে এ সিদ্ধান্ত জানাবে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ১৮ বা ১৯ ফেব্রুয়ারি পবিত্র মাহে রমজান শুরু হতে পারে।

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
শপথ কে পড়াবেন নতুন এমপিদের—সংবিধানিক সংকটে সরকারের দুই বিকল্প
  • newadminnewadmin
  • ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক।।আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের (এমপি) শপথ গ্রহণ কে করাবেন—এ প্রশ্নে একটি আইনি ও সাংবিধানিক জটিলতা তৈরি হয়েছে।প্রচলিত রীতি অনুযায়ী বিদায়ী স্পিকার শপথ পাঠ করালেও বর্তমান পরিস্থিতিতে সেটি সম্ভব হচ্ছে না। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল এ সংকটের পটভূমি,সম্ভাব্য সমাধান ও সরকারের অবস্থান বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। তিনি জানান,সংবিধানের ১৪৮ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সাধারণত বিদায়ী স্পিকার নবনির্বাচিত এমপিদের শপথ পড়ান। যদিও ৭৬ (৬) অনুচ্ছেদে বলা আছে,নতুন স্পিকার দায়িত্ব নেওয়া পর্যন্ত আগের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার পদে বহাল থাকবেন,তবে বর্তমান বাস্তবতা ভিন্ন।আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী পদত্যাগ করে নিখোঁজ রয়েছেন এবং সাবেক ডেপুটি স্পিকার বর্তমানে কারাগারে।ফলে তাদের মাধ্যমে শপথ পড়ানোর কোনো সুযোগ নেই বলে স্পষ্ট করেন আইন উপদেষ্টা। এই প্রেক্ষাপটে সরকারের সামনে দুটি প্রধান বিকল্প রয়েছে বলে জানান ড. আসিফ নজরুল। প্রথমত,সংসদ কার্যপ্রণালী বিধির ৫ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক মনোনীত কোনো ব্যক্তি শপথ পাঠ করাতে পারেন।এ ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী সরকার প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে শপথ পড়ানোর বিষয়টি বিবেচনা করছে। দ্বিতীয়ত,সংবিধানের ১৪৮ (২-ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী গেজেট প্রকাশের তিন দিনের মধ্যে স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার শপথ পড়াতে ব্যর্থ হলে,পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) শপথ পড়াতে পারেন। আইন উপদেষ্টা বলেন,সরকার অপেক্ষা করতে চায় না। নির্বাচন শেষ হওয়ার পর যত দ্রুত সম্ভব শপথ গ্রহণ সম্পন্ন করাই লক্ষ্য।সিইসির মাধ্যমে শপথ পড়াতে গেলে অন্তত তিন দিন অপেক্ষা করতে হয়,যা সরকার এড়াতে চায়।সে কারণেই রাষ্ট্রপতি মনোনীত কোনো ব্যক্তির—বিশেষ করে প্রধান বিচারপতির—মাধ্যমে শপথ পাঠ করানোর সম্ভাবনাই বেশি। তিনি আরও জানান,সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী,স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার এবং মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের শপথ রাষ্ট্রপতি নিজেই পরিচালনা করবেন—এ বিষয়ে কোনো…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
নির্বাচনের পর ১৮০ কার্যদিবস ক্ষমতায় থাকার দাবি ভিত্তিহীন: উপ-প্রেস সচিব
  • newadminnewadmin
  • ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক।।নির্বাচনের পর অন্তর্বর্তী সরকার আরও ১৮০ কার্যদিবস ক্ষমতায় থাকবে—এমন দাবি ও প্রচারণা নাকচ করে দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার।তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার পর যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাছে সরকারের দায়িত্ব হস্তান্তর করা হবে। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ বিষয়ে অবস্থান তুলে ধরেন।ওই স্ট্যাটাসে সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মহলে ছড়িয়ে পড়া কিছু প্রচারণাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিভ্রান্তিকর বলে উল্লেখ করেন তিনি। ফেসবুক স্ট্যাটাসে আবুল কালাম আজাদ মজুমদার লেখেন, নির্বাচনের পরও অন্তর্বর্তী সরকার আরও ১৮০ কার্যদিবস ক্ষমতায় থাকবে—এমন দাবি যারা করছেন, তাদের উদ্দেশ্য অসৎ।তিনি বলেন,এই গোষ্ঠীটি কিছুদিন আগেও নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে সংশয় ও অনিশ্চয়তা তৈরির চেষ্টা করেছে। তিনি আরও লেখেন,এখন যখন স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে যে নির্বাচন যথাসময়েই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে,তখন ওই মহল নতুন করে ষড়যন্ত্রতত্ত্ব ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে।এসব অপপ্রচার মূলত নির্বাচন ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নিয়ে জনমনে সন্দেহ তৈরির একটি কৌশল। উপ-প্রেস সচিব দুঃখ প্রকাশ করে বলেন,এ ধরনের অসৎ প্রচারণায় অনেক উচ্চশিক্ষিত মানুষও বিভ্রান্ত হচ্ছেন।তবে বাস্তবতা হলো—এই দাবির কোনো ভিত্তি নেই এবং এতে বিভ্রান্ত হওয়ারও সুযোগ নেই। তিনি জোর দিয়ে বলেন,অন্তর্বর্তী সরকারের একমাত্র দায়িত্ব হলো একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন নিশ্চিত করা। এর বাইরে কোনো রাজনৈতিক বা ক্ষমতাকেন্দ্রিক লক্ষ্য এই সরকারের নেই।

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
পর্যবেক্ষণ কার্ড বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ, প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন কমিশনের স্বচ্ছতা
  • newadminnewadmin
  • ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক।।আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে সাংবাদিকদের জন্য নির্বাচন পর্যবেক্ষণ কার্ড বিতরণে নানা অসংগতি ও নাটকীয়তার অভিযোগ উঠেছে।মাঠপর্যায়ে দীর্ঘদিন কাজ করা অভিজ্ঞ ও সক্রিয় সাংবাদিকদের অনেকেই যেখানে পর্যবেক্ষণ কার্ড থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন,সেখানে সাংবাদিকতায় তেমন সক্রিয় নন—এমন ব্যক্তিদের নামেও কার্ড ইস্যু করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে,দলীয় সংশ্লিষ্ট কিছু ব্যক্তি বিভিন্ন পত্রিকার পরিচয়পত্র ব্যবহার করে নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ কার্ড সংগ্রহ করেছেন।আরও বিস্ময়ের বিষয় হলো—কিছু সাংবাদিককে নির্দিষ্ট কোনো এলাকা নয়,বরং “সমগ্র বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনের” অনুমতি দিয়ে কার্ড দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে প্রশ্ন উঠেছে—বাস্তবিক অর্থে একজন সাংবাদিক কীভাবে একযোগে সারা দেশে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন?রাজধানীভিত্তিক বা তুলনামূলক কম পরিচিত কোনো পত্রিকার একজন প্রতিনিধি যদি সারাদেশের দায়িত্ব পান,তবে তিনি কি প্রতিটি জেলায় গিয়ে কার্যকরভাবে পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন—নাকি এ ধরনের অনুমতি কেবল কাগুজে দায়িত্বেই সীমাবদ্ধ থাকবে? সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রত্যেক সাংবাদিকের জন্য নির্দিষ্ট এলাকা নির্ধারণ করে পর্যবেক্ষণ কার্ড প্রদান করা হলে পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম আরও কার্যকর, জবাবদিহিমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য হতো। এদিকে অভিযোগ রয়েছে,প্রথম সারির প্রতিষ্ঠিত গণমাধ্যম বাদ দিয়ে কিছু পত্রিকার নামে কার্ড নেওয়া ব্যক্তিদের সঙ্গে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের গোপন সমঝোতার কথাও শোনা যাচ্ছে। অভিযোগকারীদের দাবি,দলবদ্ধভাবে গাড়ি নিয়ে কেন্দ্রভিত্তিক অবস্থান নেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে,যা নিরপেক্ষ ও স্বাধীন নির্বাচন পর্যবেক্ষণের নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই,পর্যবেক্ষণ কার্ড বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত এবং অপব্যবহার রোধে নির্বাচন কমিশনের কঠোর নজরদারি ও সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রয়োগের দাবি জানিয়েছেন সাংবাদিক ও সংশ্লিষ্ট মহল।

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
জামায়াত আমিরের ‘এক্স’ হ্যান্ডেল হ্যাক: প্রমাণ ছাড়াই বঙ্গভবনের কর্মকর্তা গ্রেপ্তার-সাজানো অভিযানের অভিযোগ ও পাঁচ প্রশ্ন
  • newadminnewadmin
  • ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক।।জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’ (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেল হ্যাকের অভিযোগে বঙ্গভবনের এক সহকারী প্রোগ্রামারকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় প্রশাসনিক ও আইনি মহলে তীব্র প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।অভিযোগ উঠেছে,কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ছাড়াই ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এই গ্রেপ্তার অভিযান চালিয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া কর্মকর্তা মোহাম্মদ ছরওয়ারে আলম বঙ্গভবনে সহকারী প্রোগ্রামার হিসেবে কর্মরত। সংশ্লিষ্ট সূত্র ও তাঁর পরিবারের দাবি,সরকারি চাকরি বিধিমালা লঙ্ঘন করে তড়িঘড়ি করে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।এমনকি একটি রাজনৈতিক পক্ষকে সন্তুষ্ট করতেই ডিবির একটি অংশ ‘অতিউৎসাহী’ ভূমিকা নিয়েছে বলেও অভিযোগ করা হচ্ছে। অনুমতি ছাড়াই গ্রেপ্তার সরকারি চাকরি আইন,২০১৮ এবং সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা,২০১৮-এর ৪১ বিধি অনুযায়ী,দায়িত্ব পালনরত কোনো সরকারি কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করতে হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা সরকারের পূর্বানুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। কিন্তু ছরওয়ারে আলমের ক্ষেত্রে এই আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। সূত্র জানায়,গ্রেপ্তারের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর আইনি জটিলতা এড়াতে দ্রুত হাতিরঝিল থানায় মামলা গ্রহণ করা হয়। অভিযোগ উঠেছে,গ্রেপ্তারের প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর পেছনের তারিখ দেখিয়ে অনুমতি নেওয়ার বা দ্রুত অনুমোদন আদায়ের চেষ্টা চলছে।অথচ ডিবি সাইবার ইউনিটের তদন্ত এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। ‘সাজানো অভিযান’-এর অভিযোগ এ ঘটনায় ডিবি প্রধানসহ কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তার ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে,প্রকৃত হ্যাকিংয়ের কোনো দৃশ্যমান ফরেনসিক প্রমাণ না থাকলেও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই গ্রেপ্তার কার্যকর করা হয়েছে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডিবির এক কর্মকর্তা জানান,জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনা ব্যক্তিকে পর্যাপ্ত প্রমাণ ছাড়াই গ্রেপ্তার করায় ডিবির ভেতরেই অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন সাইবার অপরাধ তদন্তের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী,হ্যাকিংয়ের ঘটনায় অভিযোগকারী ও অভিযুক্ত—উভয়ের ডিভাইস ফরেনসিক পরীক্ষার আওতায় আনা প্রয়োজন।কিন্তু এই ঘটনায় শুধু অভিযুক্ত কর্মকর্তার সব ডিভাইস জব্দ করা হয়েছে।অভিযোগকারীর ডিভাইস তদন্তে নেওয়া হয়নি,যা তদন্তের নিরপেক্ষতা…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
ফ্যামিলি কার্ডে ২,৫০০ টাকা: বাজেটে চাপ কতটা বাড়বে?
  • newadminnewadmin
  • ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক।।২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে মাসিক ২,৫০০ টাকা নগদ সহায়তা চালু করলে সরকারের ওপর বড় ধরনের অতিরিক্ত ব্যয়ের চাপ তৈরি হবে।তবে অর্থনীতিবিদদের মতে,দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমানো গেলে এটি বাস্তবায়নযোগ্য হতে পারে। ফ্যামিলি কার্ডে ব্যয়ের হিসাব বর্তমানে প্রস্তাবিত হিসেবে মোট ৪ কোটি ১০ লাখ ১০ হাজার ফ্যামিলি কার্ডের জন্য মাসে ২,৫০০ টাকা বরাদ্দ দিলে— মাসিক ব্যয়: ১০,২৫২.৫ কোটি টাকা বার্ষিক ব্যয়: ১,২৩,০৩০ কোটি টাকা এ অঙ্কটি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ৭,৯০,০০০ কোটি টাকার মোট বাজেটের প্রায় ১৫.৫৭ শতাংশ। এর আগে মাসিক ২,০০০ টাকা ধরে করা হিসাবে ব্যয় ছিল ৯৮,৪২৪ কোটি টাকা, যা বাজেটের ১২.৪৬ শতাংশ। অর্থাৎ ভাতা ২,৫০০ টাকা হলে বাজেটের ওপর চাপ আরও ৩.১১ শতাংশ বাড়বে। সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বর্তমান বরাদ্দ ২০২৫-২৬ অর্থবছরের চূড়ান্ত বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৯১,২৯৭ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের প্রায় ১১.৫৬ শতাংশ। তবে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (CPD)-এর বিশ্লেষণে বলা হয়েছে,পেনশন ও কৃষি ভর্তুকি বাদ দিলে প্রকৃত সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বরাদ্দ কার্যত বাজেটের মাত্র ৮ শতাংশের কাছাকাছি। অর্থনীতিবিদদের একটি অংশ মনে করেন,উন্নয়ন প্রকল্পে অপচয় রোধ ও প্রশাসনিক দক্ষতা বাড়ানো গেলে সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বাজেটের ১৫–২০ শতাংশ পর্যন্ত বরাদ্দ দেওয়া সম্ভব। মুদ্রাস্ফীতির চাপে থাকা নিম্ন ও সীমিত আয়ের মানুষের জন্য এটি অত্যন্ত জরুরি। টিসিবি স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড: বাস্তব চিত্র বর্তমানে টিসিবির স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে প্রায় ৫৭ লাখ পরিবার ভর্তুকি মূল্যে পণ্য কিনতে পারছে।আগে কার্ড সংখ্যা ১ কোটি থাকলেও এনআইডি যাচাই ও তথ্য হালনাগাদের কারণে প্রায় ৪৩ লাখ কার্ড নিষ্ক্রিয় বা যাচাই প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। সরকারের লক্ষ্য,২০২৫ সালের ৩০ জুনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ ১ কোটি উপকারভোগীর ডাটাবেজ সম্পন্ন করা।এর বাইরে সাভার,আশুলিয়া ও গাজীপুর এলাকার…

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
এস আলম গ্রুপের বিরুদ্ধে মামলায় নড়তে আইনজীবীর ফি’ প্রতিঘন্টায় ১২৫০ ডলার
  • newadminnewadmin
  • ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক।।বাংলাদেশ সরকার আন্তর্জাতিক সালিসি আদালত ICSID–তে এস আলম গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা সাইফুল আলম (এস আলম) ও তার পরিবারের দায়ের করা আরবিট্রেশন মামলায় লড়াই করার জন্য ব্রিটিশ ল ফার্ম হোয়াইট অ্যান্ড কেইস এলএলপি নিয়োগ দিয়েছে। সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি এই নিয়োগ ও আইনি সেবার জন্য ঘণ্টায় ১,২৫০ মার্কিন ডলার খরচের অনুমোদন দিয়েছে। মামলায় এস আলম পরিবার অভিযোগ করেছে,বাংলাদেশ সরকারের সম্পদ জব্দ,বাজেয়াপ্ত ও অন্যান্য পদক্ষেপে তাদের ব্যবসায়িক ক্ষতি হয়েছে।তারা ২০০৪ সালের বাংলাদেশ–সিঙ্গাপুর দ্বিপক্ষীয় বিনিয়োগ চুক্তির আওতায় আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সুরক্ষা দাবি করছে। অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “ICSID আরবিট্রেশন জটিল,তাই আন্তর্জাতিক ল ফার্ম নিয়োগ করা হয়েছে। এটি বহু টাকার বিষয়।”

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
টিআইবির সমালোচনার জবাবে অর্থ উপদেষ্টা: সরকারের উন্নয়ন দেখার দৃষ্টি নেই
  • newadminnewadmin
  • ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক।।সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) পাঁচ আগস্ট-পরবর্তী বর্তমান সরকারের কার্যক্রম পর্যালোচনা করে অর্জনের তুলনায় ব্যর্থতার দিকগুলো বেশি তুলে ধরেছে।এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, টিআইবি সরকারের উন্নয়ন দেখতে পায় না। মঙ্গলবার সচিবালয়ে ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “টিআইবির দিব্যদৃষ্টি বা ভালো দৃষ্টি নেই।দেখতে চাইলে ভালো কিছু দেখতে পারে।” এ সময় সাংবাদিকরা জানতে চান,ইউনূস প্রশাসন নির্বাচিত সরকারের জন্য কেমন অর্থনীতি রেখে যাচ্ছে।জবাবে অর্থ উপদেষ্টা বলেন,“এই সরকার অর্থনীতিকে একটি সন্তোষজনক জায়গায় রেখে যাচ্ছে,যাতে নির্বাচিত সরকার কাজ করতে পারে।” ঋণ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,শুধু ঋণের বোঝা বাড়েনি—সরকার সর্বোচ্চ ঋণ শোধও করেছে। “আমরা প্রায় ছয় বিলিয়ন ডলার ঋণ পরিশোধ করেছি,” বলেন তিনি। যদিও অনেক উন্নয়ন প্রকল্প স্থগিত হয়েছে বলে স্বীকার করেন অর্থ উপদেষ্টা,তবে তার ভাষায়, “আগের সরকারের অনেক অপ্রয়োজনীয় প্রকল্প বন্ধ করা হয়েছে।” মেয়াদ শেষের প্রাক্কালে উপদেষ্টাদের কূটনৈতিক পাসপোর্ট জমা দেওয়ার বিষয়ে ড. সালেহ উদ্দিন আহমদ জানান,তিনি স্ত্রীসহ তাঁর কূটনৈতিক পাসপোর্ট জমা দিয়েছেন। এ ছাড়া আসন্ন নির্বাচন সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্ন করতে সরকার সব ধরনের সহযোগিতা করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন,নির্বাচন ব্যবস্থাপনায় বডি ক্যামেরা কেনাসহ প্রয়োজনীয় সব উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
র‌্যাবের নাম বদলে হচ্ছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেশন ফোর্স (এসআইএফ)’
  • newadminnewadmin
  • ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক।।স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন,র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। নতুন নাম হবে ‘স্পেশাল ইন্টারভেশন ফোর্স’ (এসআইএফ)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন,আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বাহিনীটির কার্যক্রম আরও আধুনিক,পেশাদার ও মানবাধিকারসম্মত করতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান,নাম পরিবর্তনের পাশাপাশি বাহিনীটির কাঠামো,দায়িত্ব ও কার্যপরিধি পুনর্নির্ধারণ করা হবে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে খুব শিগগিরই এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলেও জানান তিনি। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বিবেচনায় রেখে এই বাহিনীকে নতুনভাবে ঢেলে সাজানো হচ্ছে।জনআস্থা ফিরিয়ে আনা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।” সরকারি সূত্র জানায়,নতুন নামের অধীনে বাহিনীটি সন্ত্রাস দমন,জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ,বড় ধরনের অপরাধ দমনে বিশেষায়িত ভূমিকা পালন করবে। একই সঙ্গে প্রশিক্ষণ, অপারেশনাল গাইডলাইন ও নজরদারি ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা হবে। উল্লেখ্য,র‌্যাব গঠনের পর থেকে বিভিন্ন সময়ে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের প্রেক্ষাপটে বাহিনীটির সংস্কার ও পুনর্গঠনের দাবি দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনায় ছিল। নাম পরিবর্তনের এই সিদ্ধান্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংস্কার প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। বিস্তারিত আসছে…

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন

সংবাদ

শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার তদন্তে জাতিসংঘের সহায়তা চাওয়ার সিদ্ধান্ত
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে যুক্তরাজ্যের সতর্কতা
খাগড়াছড়ির সাবেক মেয়র রফিকুল আলম ঢাকায় গ্রেপ্তার
পরিবর্তন ও সংস্কারের প্রতীক দাঁড়িপাল্লা ও শাপলা কলি: নাহিদ ইসলাম
খুলনায় সেলুনের সামনে গুলিতে যুবক নিহত
বিএনপি বাতিল করল ঢাকার সমাবেশ, তারেক রহমান দেবেন মহানগর এলাকায় নির্বাচনী বক্তব্য
কায়সার কামাল: অন্ধবিশ্বাস নয়, যুক্তির ভোট দিন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: ভোট দেওয়ার জন্য সব প্রস্তুতি শেষ—ইসি আনোয়ারুল
জাকসুর ভিপি আবদুর রশিদ জিতু বিএনপিতে যোগ
ইবনে সিনা হাসপাতালে শত কোটি টাকার লুটপাট, অভিযোগের কেন্দ্রে ডা. তাহের