নিজস্ব প্রতিবেদক।।অন্তর্বর্তী সরকার শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের তদন্তে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তরের সহায়তা চাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য জানিয়েছেন। প্রেস সচিব জানান,সরকারের উদ্দেশ্য হলো মামলার পূর্ণাঙ্গ বিচার নিশ্চিত করা।সুযোগ পেলেই জাতিসংঘের দপ্তরকে তদন্তে সহযোগিতার প্রস্তাব দেওয়া হবে।এছাড়া,তদন্ত কার্যক্রমে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দিতে সরকার প্রস্তুত থাকবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক।।বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নিজ দেশের নাগরিকদের সতর্ক করেছে যুক্তরাজ্য। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) ব্রিটিশ ফরেন,কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিস (এফসিডিও) থেকে হালনাগাদ নির্দেশনায় এ সতর্কতা জারি করা হয়। সতর্কবার্তায় বলা হয়,বাংলাদেশে ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং গত ২২ জানুয়ারি থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হয়েছে।নির্বাচনকালীন সময়ে রাজনৈতিক সহিংসতা ও চরমপন্থি হামলার আশঙ্কা রয়েছে।রাজনৈতিক সমাবেশ ও ভোটকেন্দ্র লক্ষ্য করে হামলা হতে পারে,যা নির্বিচারও হতে পারে। এফসিডিও আরও পরামর্শ দিয়েছে,নাগরিকদের আশপাশের পরিবেশ সম্পর্কে সচেতন থাকতে,বড় সমাবেশ ও পুলিশ বা নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতিসহ স্থান থেকে দূরে থাকতে, স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলতে এবং চলাচলের ক্ষেত্রে সতর্ক পরিকল্পনা ও বিকল্প ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে।
নিজস্ব প্রতিবেদক।।নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার জানিয়েছেন,১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।ভোটারদের এখন শুধু ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে হবে। তিনি বলেন,দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় পরিসরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।মোট ৮ লাখ কর্মকর্তা ও প্রায় ৯ লাখ পুলিশ,সেনা ও আনসার সদস্য নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন।ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩ জন,যার মধ্যে পুরুষ ৬ কোটি ৪৮ লাখ, মহিলা ৬ কোটি ২৮ লাখ এবং হিজড়া ভোটার ১ হাজার ২৩২ জন। এবারের নির্বাচনে ৩০০ আসনে মোট ২ হাজার ৩৪ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।মোট ৫১টি রাজনৈতিক দল অংশ নিচ্ছে, সবচেয়ে বেশি প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি— ২৮৮ জন।ভোটগ্রহণ হবে ৪২,৭৭৯টি কেন্দ্রে,২,৪৭,৪৮২টি ভোটকক্ষে। পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ৫৫,৪৫৪ জন,এর মধ্যে ৫০০ জন বিদেশি পর্যবেক্ষক। প্রবাসী ভোটার হিসেবে ইতোমধ্যে ৪ লাখ ৮০ হাজার ভোটার ভোট প্রদান করেছেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক।।হবিগঞ্জের চুনারুঘাটের বরমপুরে একটি এককক্ষের বাসা থেকে পরিচালিত বেসরকারি সংস্থা পিপলস অ্যাসোসিয়েশন ফর সোশ্যাল অ্যাডভান্সমেন্ট (পাশা) এবারের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ১০ হাজারের বেশি পর্যবেক্ষক মোতায়েন করছে। পাশার নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ হুমায়ুন কবীর একমাত্র কর্মী। সংস্থার স্থায়ী অফিস বা নিজস্ব প্রকল্প নেই; অন্যান্য এনজিওর সহযোগী হিসেবে কাজ করে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) পাশার পর্যবেক্ষক নিয়োগ অনুমোদন দিয়েছে,যা দেশের মোট দেশি পর্যবেক্ষকের ১৯%। পাশার পর সর্বাধিক পর্যবেক্ষক নিয়োগকৃত সংস্থা CARD, ৩,৫৬১ জন। স্থানীয়রা জানান, পাশার কার্যক্রম সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা নেই। অতীতে সংস্থার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ ছিল, যেমন নারীদের চাকরি দেওয়ার নামে সমস্যা ও পর্যবেক্ষক কার্ড বিক্রি। ইসি জানিয়েছে,প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণের পর সংস্থাগুলোকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।তবে নির্বাচন পর্যবেক্ষক অনুমোদনে যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ বলে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) মত দিয়েছেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক।।নবম পে-স্কেল ঘোষণার দাবিতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আজ যমুনা এলাকায় প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়েছিলেন।পুলিশের বাধার মুখে আন্দোলনকারীরা শাহবাগ থেকে যমুনার দিকে মিছিল করেন। শাহবাগ মোড়ে পুলিশ প্রথমে জলকামান ব্যবহার করে তাদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করলেও লাঠিচার্জ করা হয়নি।হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড় অতিক্রম করে আন্দোলনকারীরা যমুনার সামনে পৌঁছালে সেখানেও তারা সড়কে বসে বিভিন্ন স্লোগান দেন। পুলিশের শান্তিপূর্ণভাবে সরার অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করার পর পুলিশ লাঠিচার্জ,জলকামান,সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারগ্যাস ব্যবহার করে তাদের সরানোর চেষ্টা করে।আন্দোলনকারীরা রমনা পার্কে ঢুকে পড়লেও পুলিশ তাদের ধাওয়া চালায়। আন্দোলনের সময় কয়েকজন আহত হন। দুপুর ১টার পর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যমুনা এলাকা ছেড়ে শাহবাগের দিকে চলে যান। পুলিশ চার-পাঁচজন আন্দোলনকারীকে আটক করেছে। এ ঘটনায় এলাকাটিতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক।।বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) সংশোধন ও হারানো/নষ্ট কার্ড পুনরায় উত্তোলনের জন্য হালনাগাদ ফি কাঠামো নির্ধারণ করেছে। আবেদনের ধরন ও অনুযায়ী ফি ভিন্ন হবে। ১. ব্যক্তিগত তথ্য সংশোধন (নাম, জন্ম তারিখ, পিতা-মাতার নামসহ অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্য) প্রথমবার আবেদন: ২৩০ টাকা দ্বিতীয়বার আবেদন: ৩৪৫ টাকা পরবর্তী প্রতিবার: ৫৭৫ টাকা ২. অন্যান্য তথ্য সংশোধন (ঠিকানা,রক্তের গ্রুপ,পেশা ইত্যাদি) প্রথমবার আবেদন: ১১৫ টাকা দ্বিতীয়বার আবেদন: ১৭২.৫০ টাকা পরবর্তী প্রতিবার: ৩৪৫ টাকা ৩. হারানো বা নষ্ট এনআইডি কার্ড পুনরায় উত্তোলন (রি-ইস্যু) প্রথমবার আবেদন: ২৩০ টাকা দ্বিতীয়বার আবেদন: ৩৪৫ টাকা পরবর্তী প্রতিবার: ৫৭৫ টাকা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উল্লেখিত সব ফি’র সঙ্গে ১৫ শতাংশ ভ্যাট যুক্ত হবে। ফি পরিশোধ করা যাবে বিকাশ, রকেট ও ওকে ওয়ালেট–এর মাধ্যমে। অনলাইনে আবেদন করতে ভিজিট করতে হবে বাংলাদেশ এনআইডি সার্ভিসেস ওয়েবসাইটে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে,অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন ও ফি পরিশোধ করলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সংশোধন কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক।।উপদেষ্টা পরিষদের সাপ্তাহিক বৈঠকে ছয়টি অধ্যাদেশ এবং তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।একই সঙ্গে ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে অন্তর্বর্তী সরকারের কার্যক্রমের সার্বিক পারফরম্যান্স নিয়েও আলোচনা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল বিকেলে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম সাংবাদিকদের জানান,বৈঠকে মোট ৩৪৮টি এজেন্ডা উপস্থাপন করা হয়।এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছয়টি অধ্যাদেশ চূড়ান্তভাবে অনুমোদন পেয়েছে। অনুমোদিত অধ্যাদেশগুলো হলো— ১. কর্মক্ষেত্র ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ অধ্যাদেশ,২০২৬ ২. পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ অধ্যাদেশ,২০২৬ ৩. বাংলাদেশ গ্যাস (সংশোধন) অধ্যাদেশ,২০২৬ ৪. ডাক সেবা (পোস্টাল সার্ভিস) অধ্যাদেশ,২০২৬ ৫. বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশন অধ্যাদেশ,২০২৬ ৬. বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার ট্রাস্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ,২০২৬ প্রেস সচিব জানান,বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার ট্রাস্ট সংশোধন অধ্যাদেশ অনুমোদনের ফলে ‘বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার’-এর নাম পরিবর্তিত হয়ে ‘জাতীয় কৃষি পুরস্কার’ হবে। তিনি আরও জানান,উপদেষ্টা পরিষদ এলপিজি (তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস) করকাঠামো পুনর্নির্ধারণ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব অনুমোদন করেছে।প্রস্তাব অনুযায়ী,স্থানীয় উৎপাদন ও ব্যবসায়িক পর্যায়ে বিদ্যমান ৭.৫ শতাংশ ভ্যাট এবং আমদানির সময় ২ শতাংশ অগ্রিম কর বাতিল করে আমদানির সময় এককভাবে ৭.৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপ করা হবে।এতে এলপিজির করভার কমবে এবং বাজারে দাম আরও কমার সম্ভাবনা রয়েছে। বৈঠকে আরও একটি প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়,যার মাধ্যমে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতায় ‘আরবান সেফটি অ্যান্ড রিজিলিয়েন্স ইনস্টিটিউট (ইউএসআরআই) বাংলাদেশ’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে পাবলিক ট্রাস্ট হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হবে।ভবিষ্যতে প্রতিষ্ঠানটির নাম পরিবর্তন হতে পারে বলে জানান প্রেস সচিব। এছাড়া বৈঠকে আগামী পবিত্র রমজান মাসে সরকারি অফিসের সময়সূচি নির্ধারণ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী,রমজানে অফিস চলবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত।জোহরের নামাজের…
নিজস্ব প্রতিবেদক।।ফেসবুকে প্রকাশিত কথিত একটি ‘অতি গোপন’ রাষ্ট্রীয় নথি ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।আলী জুয়েল নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে প্রকাশিত ওই স্ট্যাটাসে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তর (NSI) ও নির্বাচন কমিশনের যৌথ বিশেষ প্রোটোকল বলে দাবি করা একটি নথি সংযুক্ত করা হয়।তবে নথিটির সত্যতা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কোনো রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বক্তব্য দেয়নি। ফেসবুকে প্রকাশিত নথিতে উল্লেখ করা হয়,এটি “গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার,মহাপরিচালকের কার্যালয়,জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তর,সেগুনবাগিচা,ঢাকা” থেকে জারি করা। নথিটির গোপনীয়তা স্তর হিসেবে লেখা রয়েছে—“অতি গোপনীয় (TOP SECRET/EYES ONLY)”।নথিতে তারিখ উল্লেখ করা হয়েছে ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। নথির বিষয় হিসেবে বলা হয়েছে—“ফলাফল ঘোষণা ও নির্বাচন পরবর্তী স্থিতিশীলতা নিশ্চিতকরণ সংক্রান্ত যৌথ বিশেষ প্রোটোকল”। নথির আদর্শিক ও কৌশলগত ভিত্তি অংশে বলা হয়েছে, “বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার দর্শন এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনাকে সমুন্নত রেখে রাষ্ট্রীয় সংস্কার কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্ন রাখার লক্ষ্যে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।” ফলাফল প্রক্ষেপণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা শিরোনামের অংশে নথিতে উল্লেখ রয়েছে,“চূড়ান্ত ফলাফল: ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক ও সংশ্লিষ্ট জোটের বিজয়কে একটি অপরিবর্তনীয় প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত হিসেবে গণ্য করা হবে।” এছাড়া পোস্টাল ব্যালট প্রসঙ্গে বলা হয়েছে,“পোস্টাল ব্যালট সমন্বয়: বিশেষ প্রাক্কলন অনুযায়ী,পোস্টাল ব্যালটের নূন্যতম ৭৫% সমর্থন ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের অনুকূলে প্রদর্শিত হবে। এটি একটি অপরিবর্তনীয় গাণিতিক বেঞ্চমার্ক।” নথিতে নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রণ প্রোটোকল অংশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা প্রসঙ্গে বলা হয়,“ফলাফল ঘোষণার ২ ঘণ্টা পূর্ব থেকে সকল কৌশলগত পয়েন্টে বাহিনী মোতায়েন থাকবে।” এবং “ঘোষণার ১০ মিনিট পূর্ব থেকে তারা যেকোনো অননুমোদিত জমায়েত বা বিশৃঙ্খলা দমনে ‘ফুল অ্যাকশন মোড’-এ সক্রিয় হবে।” নথির শেষাংশে বিশেষ সতর্কবার্তা দিয়ে বলা হয়েছে, “এই নথির কোনো অংশ বা অস্তিত্ব অননুমোদিত কোনো পক্ষকে জানানো রাষ্ট্রদ্রোহিতা হিসেবে গণ্য হবে।” ফেসবুকে নথিটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও…
নিজস্ব প্রতিবেদক।।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)।বর্তমান সাংবিধানিক বাস্তবতায় স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের পদ কার্যত অকার্যকর থাকায় সংবিধানের বিশেষ বিধান অনুযায়ী এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) ইসি সদস্য আব্দুর রহমানেল মাছউদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।তিনি বলেন,স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের দায়িত্ব পালন বাস্তবভাবে সম্ভব না হওয়ায় সিইসিই নবনির্বাচিত এমপিদের শপথ পাঠ করাবেন। সংবিধান অনুযায়ী সাধারণত বিদায়ী সংসদের স্পিকার নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করান। তবে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর গত ২ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী পদত্যাগ করেন।অপরদিকে, ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু বর্তমানে কারাগারে থাকলেও তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করেননি। সংবিধানের ৭৪(৬) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে,নতুন স্পিকার দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত আগের স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার বহাল থাকবেন বলে গণ্য হবেন।কিন্তু বর্তমান বাস্তবতায় তাদের পক্ষে শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করা সম্ভব নয়। এ অবস্থায় প্রযোজ্য হচ্ছে সংবিধানের ১৪৮(২ক) অনুচ্ছেদ। এতে বলা হয়েছে,গেজেট প্রকাশের তিন দিনের মধ্যে স্পিকার বা তাঁর মনোনীত ব্যক্তি শপথ পড়াতে ব্যর্থ হলে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পাঠ করাতে পারবেন। এ ছাড়া সংবিধানের তপশিল-৩ অনুযায়ী,স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার উভয়েই দায়িত্বে না থাকলে রাষ্ট্রপতির অনুমোদন সাপেক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পড়ানোর ক্ষমতা রাখেন।এই সাংবিধানিক বিধানের আলোকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান পরিচালিত হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
নিজস্ব প্রতিবেদক।।আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে নির্বাচনে দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের সম্মানী ভাতা বৃদ্ধি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।একই সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য বড় অংকের বাজেট বরাদ্দ রাখা হয়েছে।নির্বাচন পরিচালনা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সামগ্রিকভাবে এবারের নির্বাচনী ব্যয় অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে। ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের সম্মানী ভাতা ইসির সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তারা দুই দিনের জন্য সম্মানী ও যাতায়াত ভাতা পাবেন। নির্ধারিত ভাতা অনুযায়ী প্রিজাইডিং অফিসার পাবেন মোট ১০ হাজার টাকা,সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ৮ হাজার টাকা এবং পোলিং অফিসার ৫ হাজার টাকা। তবে সরকারি বিধি অনুযায়ী এই অর্থ থেকে ১০ শতাংশ ভ্যাট বা আয়কর কর্তন হতে পারে।উল্লেখ্য,২০২৪ সালের দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে প্রিজাইডিং অফিসারের এক দিনের সম্মানী ছিল ৪ হাজার টাকা,যা এবার বাড়ানো হয়েছে। নিরাপত্তা খাতে বড় বরাদ্দ নির্বাচনী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ,র্যাব,আনসার, বিজিবি ও সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করা হবে।নির্বাচন কমিশনের হিসাব অনুযায়ী এবারের নির্বাচনী বাজেটের প্রায় ৪০ থেকে ৬০ শতাংশই ব্যয় হবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পেছনে। ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত প্রাথমিকভাবে নিরাপত্তা খাতে বরাদ্দ ধরা হয়েছে ১,২০০ কোটি টাকা।এর মধ্যে সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাচ্ছে আনসার বাহিনী—৫৪৪ কোটি ২৩ লাখ টাকা।পুলিশ পাবে ২৭০ কোটি ২১ লাখ টাকা এবং সশস্ত্র বাহিনীর জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১৮৫ কোটি ২৫ লাখ টাকা। এদিকে আনসার সদস্যদের দৈনিক রেশন ভাতা বাড়িয়ে ১২০ টাকা করা হয়েছে।অন্যান্য বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্বের ধরন ও ঝুঁকি অনুযায়ী টিএ/ডিএ ও বিশেষ ডিউটি ভাতা পাবেন। নির্বাচনী বাজেটের চিত্র আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে মোট নির্বাচনী বাজেট ধরা হয়েছে প্রায় ৩,১৫০ কোটি টাকা।এর মধ্যে প্রায় ১,২০০ কোটি টাকা ব্যয় হবে নিরাপত্তা খাতে এবং অবশিষ্ট অর্থ ব্যবহার করা হবে নির্বাচন ব্যবস্থাপনা,লজিস্টিকস ও…
সর্বশেষ সংবাদ :———