নরেন্দ্র মোদি: শৈশব থেকে টানা তিনবারের প্রধানমন্ত্রী
  • newadminnewadmin
  • ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক।।ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জীবনবৃত্তান্ত বৈচিত্র্যপূর্ণ ও ঘটনাবহুল।শৈশবের সাধারণ জীবন থেকে বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের নেতৃত্বে পৌঁছানোর এই পথচলা ভারতীয় রাজনীতিতে এক ব্যতিক্রমী অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত। ব্যক্তিগত জীবন ও শৈশব নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদি জন্মগ্রহণ করেন ১৯৫০ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর।বর্তমানে তাঁর বয়স ৭৫ বছর।তাঁর জন্মস্থান গুজরাট রাজ্যের মেহসানা জেলার বাদনগর। তিনি দামোদরদাস মুলচাঁদ মোদি ও হীরাবেন মোদির ছয় সন্তানের মধ্যে তৃতীয়।শৈশবে পরিবারের আর্থিক টানাপোড়েনের কারণে বাবার সঙ্গে রেলস্টেশনে চা বিক্রিতে সহায়তা করতেন—যা তাঁর জীবনের সংগ্রামী দিকটি তুলে ধরে। শিক্ষাগত যোগ্যতা নথিভুক্ত তথ্য অনুযায়ী,মোদি ১৯৭৮ সালে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দূরশিক্ষণ মাধ্যমে বিএ ডিগ্রি অর্জন করেন।পরে ১৯৮৩ সালে গুজরাট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ে এমএ ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। রাজনৈতিক জীবনের সূচনা মাত্র আট বছর বয়সেই তিনি রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS)-এর সঙ্গে যুক্ত হন।পরবর্তীতে পূর্ণকালীন প্রচারক হিসেবে কাজ করতে গিয়ে সংগঠনের বিভিন্ন স্তরে অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। ১৯৮৫ সালে ভারতীয় জনতা পার্টিতে (BJP) যোগ দিয়ে তিনি দ্রুত একজন দক্ষ সংগঠক হিসেবে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের নজরে আসেন। গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী (২০০১–২০১৪) ২০০১ সালে নরেন্দ্র মোদি প্রথমবার গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।টানা চার মেয়াদে প্রায় ১৩ বছর তিনি রাজ্যটির নেতৃত্ব দেন।শিল্পায়ন,অবকাঠামো উন্নয়ন ও প্রশাসনিক সংস্কারের কারণে তাঁর শাসনামল ‘গুজরাট মডেল’ নামে পরিচিতি পায়। ভারতের প্রধানমন্ত্রী (২০১৪–বর্তমান) ২০১৪ সালে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটের নিরঙ্কুশ জয়ের মাধ্যমে তিনি ভারতের ১৪তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ২০১৯ সালে আরও বড় জনসমর্থন নিয়ে দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় ফেরেন। Election Commission of India-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে জয়ের পর তিনি টানা তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।জওহরলাল নেহরুর পর তিনিই প্রথম নেতা যিনি ধারাবাহিকভাবে তিনবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করেন। উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ মোদির শাসনামলে স্বচ্ছ ভারত অভিযান,জন ধন…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
নিউ স্টার্টের মেয়াদ শেষ: যুক্তরাষ্ট্র–রাশিয়ার মধ্যে ফের পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতার শঙ্কা
  • newadminnewadmin
  • ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট।।যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে বিদ্যমান সর্বশেষ পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ চুক্তি ‘নিউ স্টার্ট’-এর মেয়াদ গত বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) শেষ হয়েছে।কয়েক দশক পর এই প্রথম বিশ্বের দুই প্রধান পারমাণবিক পরাশক্তি কোনো ধরনের আইনি সীমাবদ্ধতা ছাড়াই তাদের পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার পরিচালনার অবস্থানে গেল—যা নতুন ও ভয়াবহ এক পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতার আশঙ্কা তৈরি করেছে। ২০১১ সালে কার্যকর হওয়া নিউ স্টার্ট চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া মোতায়েন করা কৌশলগত পারমাণবিক ওয়ারহেডের সংখ্যা ১,৫৫০ এবং আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক মিসাইল ও ভারী বোমারু বিমানের সংখ্যা ৭০০-তে সীমাবদ্ধ রাখতে বাধ্য ছিল। ২০২১ সালে চুক্তির মেয়াদ পাঁচ বছরের জন্য বাড়ানো হলেও ২০২৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি তা শেষ হয়ে যায়। সাবেক মার্কিন কূটনীতিক থমাস কান্ট্রিম্যান সতর্ক করে বলেন, “সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো—কোনো ছোটখাটো বা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা খুব দ্রুত বড় ধরনের পারমাণবিক সংঘাতে রূপ নিতে পারে।” ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের মতে,নিউ স্টার্ট চুক্তি এখন সেকেলে,কারণ এতে চীন অন্তর্ভুক্ত ছিল না।মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন,২১ শতকের বাস্তবতায় কার্যকর অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ তখনই সম্ভব,যখন এতে চীনের ক্রমবর্ধমান পারমাণবিক সক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।পেন্টাগনের ২০২২ সালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়,২০৩৫ সালের মধ্যে চীন তাদের পারমাণবিক ওয়ারহেডের সংখ্যা ১,৫০০-তে উন্নীত করতে পারে। তবে বেইজিং এখন পর্যন্ত কোনো ত্রিপক্ষীয় আলোচনায় বসতে রাজি হয়নি।এদিকে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একে দুঃখজনক আখ্যা দিয়ে জানিয়েছে,যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইতিবাচক সাড়া না পাওয়ায় রাশিয়া আর কোনো বাধ্যবাধকতায় আবদ্ধ নয় এবং তারা নিজেদের মতো করে পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে স্বাধীন। বিশেষজ্ঞদের মতে,চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।কারণ এতে করে রাশিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পর্কে স্বচ্ছতা ও যাচাইয়ের সুযোগ কমে যাবে।নিউ স্টার্টের প্রধান মার্কিন মধ্যস্থতাকারী রোজ গোটমোলার সতর্ক করে বলেন,রাশিয়া খুব দ্রুত তাদের মিসাইলে অতিরিক্ত ওয়ারহেড যুক্ত করতে সক্ষম,যা যুক্তরাষ্ট্রকে কৌশলগতভাবে…

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
প্রেমিককে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগে তরুণী গ্রেপ্তার
  • newadminnewadmin
  • ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্ট।।মোবাইল ফোনে কল ও মেসেজে ব্লক করে দেওয়াকে কেন্দ্র করে প্রেমিককে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক তরুণীর বিরুদ্ধে।ভারতের ছত্তিশগড়ের বিলাসপুরে মঙ্গলবার বিকেলে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত যুবকের নাম কামতা প্রসাদ সূর্যবংশী (২৫)। তিনি বিলাসপুরে একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন এবং স্থানীয় একটি হোটেলে কর্মরত ছিলেন।পুলিশ জানায়,প্রায় ছয় মাস আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে অভিযুক্ত রোশনি সূর্যবংশী (২২)-এর সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়।পরবর্তীতে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সম্প্রতি তাদের সম্পর্কে টানাপোড়েন চলছিল।এ সময় কামতা হঠাৎ রোশনির সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন এবং তাঁর ফোন নম্বর ও মেসেজ ব্লক করে দেন।কামতা অন্য কোনো নারীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন—এমন সন্দেহ থেকে ক্ষুব্ধ হয়ে রোশনি একটি ছুরি নিয়ে তাঁর বাসায় যান বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনার সময় কামতা দরজা খুললে রোশনি তাঁর মোবাইল ফোন দেখতে চান।কামতা এতে অস্বীকৃতি জানালে দুজনের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।একপর্যায়ে ধস্তাধস্তির মধ্যেই রোশনি কামতার বুকে ছুরিকাঘাত করেন বলে অভিযোগ। চিৎকার শুনে কামতার রুমমেট ছুটে এসে তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন। দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়। বিলাসপুর পুলিশের কর্মকর্তা সুম্মত সাহু জানান,অভিযুক্ত তরুণীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাঁর বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রোশনি দাবি করেছেন,ভয় দেখানোর উদ্দেশ্যেই তিনি ছুরি সঙ্গে নিয়েছিলেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে,নিহত কামতা প্রসাদ সূর্যবংশী বিজেপি নেতা ও জেলা পঞ্চায়েত সভাপতি রাজেশ সূর্যবংশীর ভাতিজা। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাঠানো হয়েছে এবং ঘটনার পেছনের প্রকৃত কারণ ও পূর্ণ ঘটনাপ্রবাহ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
ইতালির নাগরিকত্ব আইনে বড় সংস্কার: বাংলাদেশিসহ অভিবাসীদের জন্য সুখবর
  • newadminnewadmin
  • ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্ট।।ইতালিতে বসবাসরত অভিবাসীদের জন্য সুখবর এনেছে দেশটির সরকার। বহুল আলোচিত নাগরিকত্ব আইনে বড় ধরনের সংস্কার আনতে যাচ্ছে ইতালি সরকার,যার সুফল পেতে পারেন বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের অভিবাসীরা।নতুন বছরের শুরু থেকেই এই পরিবর্তনের বাস্তবায়ন শুরু হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ইতালির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে,২০২৬ সালের বাজেটে নাগরিকত্ব আইন সংশোধনের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সংশোধিত আইনের আওতায় নাগরিকত্ব আবেদন প্রক্রিয়ায় যুক্ত হচ্ছে ব্যাপক ডিজিটাল সুবিধা,যা দীর্ঘদিনের আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও ভোগান্তি কমাবে বলে আশা করা হচ্ছে। পুরো প্রক্রিয়া হবে ডিজিটাল নতুন ব্যবস্থায় নাগরিকত্ব সংক্রান্ত সব তথ্য সংরক্ষিত থাকবে একটি জাতীয় ডিজিটাল ডাটাবেজে।আবেদন জমা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে যাচাই প্রক্রিয়া শুরু হবে।আগে যেখানে এক দপ্তর থেকে অন্য দপ্তরে ফাইল ঘুরতে ঘুরতে কয়েক বছর লেগে যেত,সেখানে এখন নিষ্পত্তির সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে। দীর্ঘমেয়াদি বসবাসকারীদের জন্য এআই যাচাই ইতালিতে টানা দীর্ঘ সময় বৈধভাবে বসবাসকারী আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে নাগরিকত্বের জন্য অপেক্ষমান ১০ বছরের তথ্য যাচাইয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করা হবে।এতে অপ্রয়োজনীয় বিলম্ব ও ফাইল আটকে থাকার ঝুঁকি কমবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিদেশে জন্ম নেওয়া শিশুদের জন্য বাড়তি সুযোগ নতুন আইনে বিদেশে জন্ম নেওয়া শিশুদের নাগরিকত্ব ঘোষণার সময়সীমা এক বছর থেকে বাড়িয়ে তিন বছর করা হয়েছে।পাশাপাশি চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এ সংক্রান্ত ২৫০ ইউরো ফি সম্পূর্ণভাবে মওকুফ করা হয়েছে। স্মার্টফোনেই নাগরিকত্ব আবেদন ইতালি সরকারের ‘ইতালিয়া ডিজিটাল ২০২৬’ প্রকল্পের আওতায় আগামী জুন মাসের মধ্যে পুরো নাগরিকত্ব সিস্টেমটি সম্পূর্ণভাবে চালু হওয়ার কথা রয়েছে।তখন আবেদনকারীরা স্মার্টফোন ব্যবহার করে SPID বা CIE এর মাধ্যমে আবেদনের প্রতিটি ধাপ সরাসরি পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন। এর আগে পাসপোর্ট আবেদনের ক্ষেত্রে এই ডিজিটাল সুবিধা চালু ছিল। প্রবাসীদের জন্য বড় সুযোগ স্থানীয় অভিবাসীরা বলছেন,এই পরিবর্তন প্রবাসীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।বিশেষ করে যারা নতুন…

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
এপস্টেইন ফাইলস: কিশোরী নির্যাতন ও ক্ষমতার ছায়া
  • newadminnewadmin
  • ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট।।ধনাঢ্য ব্যবসায়ী জেফ্রি এপস্টেইন দীর্ঘদিন ধরে কিশোরী ও অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের যৌন শোষণের অভিযোগে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন।২০০৮ সালে ফ্লোরিডায় এক কিশোরীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে প্রথম তদন্ত শুরু হলেও,রাজনৈতিক ও আইনি প্রভাব খাটিয়ে বড় সাজা এড়াতে সক্ষম হন।২০১৯ সালে আবারও অপ্রাপ্তবয়স্কদের যৌন পাচারের অভিযোগে গ্রেপ্তার হন।তবে বিচারের অপেক্ষায় থাকা অবস্থায় তিনি কারাগারে রহস্যজনকভাবে মারা যান; কর্তৃপক্ষের ঘোষণা অনুসারে এটি আত্মহত্যা। এপস্টেইন ফাইলস কী? তার বিরুদ্ধে দীর্ঘ অনুসন্ধান ও বিচারের প্রক্রিয়ায় এপস্টেইনের বিভিন্ন সম্পত্তিতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নথি,ই-মেইল,ছবি ও ভিডিও উদ্ধার করা হয়।এই নথিপত্রগুলোকে ‘এপস্টেইন ফাইলস’ বলা হয়।সম্প্রতি প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী,এতে ৩০ লাখের বেশি পৃষ্ঠা নথি,প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার ছবি এবং ২ হাজার ভিডিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে,যা এপস্টেইনের মানি-লন্ডারিং ও যৌন পাচারের সাথে জড়িত বিষয়বস্তুর বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরে। নথিপত্রে যা আছে এপস্টেইনের কারাগারে থাকা অবস্থার মানসিক মূল্যায়ন, মৃত্যুর রহস্য,তার সহযোগী গিসলেন ম্যাক্সওয়েলের বিরুদ্ধে তদন্ত ও দোষ স্বীকারের তথ্য,এবং বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তির সঙ্গে ই-মেইল যোগাযোগ এই ফাইলসের অন্তর্ভুক্ত।এই নথি প্রমাণ দেয় যে আইনি ঝামেলার মধ্যেও এপস্টেইন প্রভাবশালী রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন। ফাইলসের প্রকাশের পর মার্কিন রাজনীতি ও সমাজে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।কারণ এতে অনেক ক্ষমতাধর ও প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম উঠে এসেছে।বিষয়টি শুধু যৌন অপরাধের কাহিনি নয়,বরং ক্ষমতার অপব্যবহার,নৈতিক অধঃপতন এবং আইনের অসাম্য প্রকাশ করছে।

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
যুক্তরাষ্ট্রের গোপন অস্ত্র ‘ডিসকম্বোবুলেটর’ দিয়ে মাদুরো আটক করার দাবি ট্রাম্পের
  • newadminnewadmin
  • জানুয়ারি ২৬, ২০২৬

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট।।যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন,ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে আটক করার সময় যুক্তরাষ্ট্র একটি গোপন অস্ত্র ব্যবহার করেছে,যাকে তিনি ‘ডিসকম্বোবুলেটর’ বলেছেন। ট্রাম্প বলছেন,এটি শত্রুপক্ষের যন্ত্রপাতি নিষ্ক্রিয় করার জন্য ব্যবহৃত হয়েছিল। তবে একজন জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তা মনে করেন,ট্রাম্প সম্ভবত বিভিন্ন সরঞ্জামের সংমিশ্রণকেই গোপন অস্ত্র হিসেবে উল্লেখ করেছেন,যা আলাদা অস্ত্র নয়। মার্কিন বাহিনী অভিযান চলাকালীন সাইবার সরঞ্জাম এবং বিদ্যমান শব্দ ব্যবস্থা ব্যবহার করে ভেনেজুয়েলার প্রতিরক্ষা বিভ্রান্ত করেছে।যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে “অ্যাকটিভ ডিনায়েল সিস্টেম” (এডিএস) নামে একটি তাপ বিকিরণ অস্ত্র ব্যবহার করছে,যা মানুষের ত্বকে তাপ অনুভূতি সৃষ্টি করে,কিন্তু প্রাণঘাতী নয়। তবে মাদুরোকে আটক করার সময় এ অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে কি না তা নিশ্চিত নয়। অভিযান শুরু হয় ৩ জানুয়ারি,রাডার ও আকাশ প্রতিরক্ষা ধ্বংস করে মার্কিন হেলিকপ্টারগুলোকে এগোতে সুবিধা দেওয়া হয়। ২০টি স্থল ও সামুদ্রিক ঘাঁটি থেকে ১৫০টির বেশি বিমান ব্যবহার করা হয়।বিশেষজ্ঞদের ধারণা,হিগুয়েরো শহরে হামলার জন্য একমুখী ড্রোনও ব্যবহার হতে পারে। মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে নিউইয়র্কের আদালতে হাজির করা হচ্ছে।ঠিক কোন স্থানে এবং কীভাবে মাদুরোকে আটক করা হয়েছে,তা এখনও পুরোপুরি প্রকাশ করা হয়নি।

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
যুক্তরাষ্ট্রে পারিবারিক বিরোধে বন্দুক হামলা: ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্যক্তির গুলিতে নিহত ৪
  • newadminnewadmin
  • জানুয়ারি ২৪, ২০২৬

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট।।যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের লরেন্সভিল শহরে পারিবারিক বিরোধের জেরে ভয়াবহ বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটেছে।এ ঘটনায় ভারতীয় বংশোদ্ভূত এক ব্যক্তি তাঁর স্ত্রীসহ চারজন আত্মীয়কে গুলি করে হত্যা করেছেন। হামলার সময় ঘরে তিনটি শিশু উপস্থিত থাকলেও তারা অক্ষত রয়েছে। স্থানীয় সময় শুক্রবার ভোররাতে (প্রায় রাত আড়াইটার দিকে) ব্রুক আইভি কোর্ট এলাকার একটি বাসায় এ ঘটনা ঘটে। জরুরি সেবার নম্বর ৯১১–এ ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘরের ভেতর চারজনের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করে। নিহতরা হলেন অভিযুক্ত বিজয় কুমারের স্ত্রী মিনু ডোগরা (৪৩), গৌরব কুমার (৩৩), নিধি চন্দর (৩৭) এবং হরিশ চন্দর (৩৮)। তাঁদের মধ্যে অন্তত একজন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক নন বলে নিশ্চিত করেছে আটলান্টায় অবস্থিত ভারতীয় কনস্যুলেট। পুলিশ জানায়,গুলির শব্দ শুনে ঘরে থাকা তিনটি শিশু প্রাণ বাঁচাতে একটি আলমারির ভেতরে লুকিয়ে পড়ে।এদের মধ্যে একজন সাহসিকতার সঙ্গে ৯১১ নম্বরে ফোন করলে দ্রুত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে সক্ষম হয়। বর্তমানে শিশুরা নিরাপদে রয়েছে এবং এক আত্মীয়ের তত্ত্বাবধানে আছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত বিজয় কুমারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে চারটি হত্যাকাণ্ডসহ গুরুতর হামলা,গুরুতর অপরাধ সংঘটনের সময় হত্যা,ইচ্ছাকৃত হত্যা এবং শিশুদের প্রতি নিষ্ঠুরতার একাধিক অভিযোগ আনা হয়েছে। আটলান্টায় অবস্থিত ভারতের কনস্যুলেট জেনারেল এ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছে।কনস্যুলেট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিহতদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে সব ধরনের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে।

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের ইমিগ্র্যান্ট ভিসা প্রসেসিং স্থগিত
  • newadminnewadmin
  • জানুয়ারি ১৪, ২০২৬

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট।।বাংলাদেশ ও পাকিস্তানসহ বিশ্বের ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য সব ধরনের ইমিগ্র্যান্ট ভিসা প্রসেসিং সাময়িকভাবে স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র সরকার।আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে এই স্থগিতাদেশ কার্যকর হবে এবং পরবর্তী পুনঃমূল্যায়ন না হওয়া পর্যন্ত তা বহাল থাকবে বলে জানিয়েছে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট। স্টেট ডিপার্টমেন্টের বরাত দিয়ে ফক্স নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।প্রতিবেদনে বলা হয়, কনস্যুলার অফিসারদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়,ভিসা আবেদন যাচাইয়ের ক্ষেত্রে ‘পাবলিক চার্জ’ আইনের কঠোর প্রয়োগ করা হবে। এই আইনের আওতায়,কোনো আবেদনকারী ভবিষ্যতে মার্কিন সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা ভাতা বা অন্যান্য সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হতে পারেন—এমন আশঙ্কা থাকলে তার ভিসা বাতিল করা যাবে। নতুন নির্দেশনায় আবেদনকারীর বয়স,শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য,ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা,আর্থিক সক্ষমতা,দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা প্রয়োজনীয়তা এবং কর্মসংস্থানের সম্ভাবনাসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হবে। এ বিষয়ে স্টেট ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র টমি পিগগট বলেন, ‘আমরা আমাদের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে মূল্যায়ন করব কোনো বিদেশি নাগরিক যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে অতিরিক্ত সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হবেন কি না। যাদের ক্ষেত্রে সে ধরনের ঝুঁকি থাকবে, তাদের ভিসা আবেদন বাতিল করা হবে।’ উল্লেখ্য,২০০২ সালের বিধি অনুযায়ী কনস্যুলার কর্মকর্তারা পাবলিক চার্জের ভিত্তিতে ভিসা আবেদন প্রত্যাখ্যান করতে পারেন।তবে ২০১৯ সালে তৎকালীন ট্রাম্প প্রশাসন এই নীতিকে আরও কঠোর করে।পরবর্তীতে বাইডেন প্রশাসন এর কিছু বিধিনিষেধ শিথিল করলেও সাম্প্রতিক পুনঃমূল্যায়নের অংশ হিসেবে এবার ব্যাপক পরিসরে দেশভিত্তিক স্থগিতাদেশ জারি করা হয়েছে। স্থগিতাদেশপ্রাপ্ত দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে—বাংলাদেশ,পাকিস্তান,আফগানিস্তান,ইরান,ইরাক,সোমালিয়া,রাশিয়া,থাইল্যান্ড,নাইজেরিয়া,ব্রাজিল ইয়েমেনসহ আফ্রিকা,এশিয়া,ইউরোপ ও লাতিন আমেরিকার বিভিন্ন দেশের নাম। বিশ্লেষকদের মতে,এই সিদ্ধান্তের ফলে পরিবারভিত্তিক অভিবাসন,ডাইভার্সিটি ভিসা (ডিভি লটারি) ও অন্যান্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা আবেদনকারীরা অনিশ্চয়তার মুখে পড়তে পারেন।

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
নেপালের প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কারকি: “নেপালকে কোনোভাবেই বাংলাদেশের পথে হাঁটতে দেওয়া হবে না”
  • newadminnewadmin
  • জানুয়ারি ১১, ২০২৬

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট।।নেপালের প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কারকি সম্প্রতি কাঠমান্ডুতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বলেন, “নেপালকে কোনোভাবেই বাংলাদেশের পথে হাঁটতে দেওয়া হবে না।” তিনি বর্তমান সরকারের ওপর রাজনৈতিক দল ও তরুণ প্রজন্মের ক্রমাগত চাপের কঠোর সমালোচনা করেন। কারকি বলেন,“রাজনৈতিক দলগুলো আমাদের কঠোর সমালোচনা করছে; কেউ কেউ প্রতিদিন সরকার ছাড়ার হুমকি দিচ্ছে।জেন-জি তরুণরাও প্রতিদিন বলছে—আজ ছাড়ো,কাল ছাড়ো।কিন্তু সরকার ছাড়ার অর্থ কী?” তিনি বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের কাজকে একটি ‘আকস্মিক ঝড়ের’ সঙ্গে তুলনা করে উল্লেখ করেন, “আমরা অনেকটা পেন্ডুলামের মতো হয়ে গেছি।সব বাধা ও অপমান সহ্য করে আমরা ধৈর্যের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছি।প্রায় ২৫ থেকে ৩০ জন জেন-জি তরুণ একেকজন একেক রকম দাবি নিয়ে আসছে। আমরা যেখানেই যাচ্ছি,কোথাও শান্তি পাচ্ছি না।” প্রধানমন্ত্রী কারকি জানান,তাদের প্রশাসন নেপালকে বাংলাদেশের বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতির দিকে নিয়ে যেতে চায় না।তিনি বলেন,“আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে নেপালকে বাংলাদেশ হতে দেব না।আমরা বাংলাদেশ চাই না।” সূত্র: সমকাল, হেডলাইন নেপাল

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
যুক্তরাষ্ট্রের বিচার ইতিহাসে নতুন অধ্যায়:নিউ ইয়র্ক স্টেট সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন সোমা সাঈদ
  • newadminnewadmin
  • ডিসেম্বর ২৫, ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক।।যুক্তরাষ্ট্রের বিচার ইতিহাসে একটি ব্যতিক্রমী ও গর্বের মুহূর্তের সাক্ষী হলো বিশ্ব।নিউ ইয়র্ক স্টেট সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন সোমা সাঈদ।তিনি প্রথম বাংলাদেশি-আমেরিকান,যিনি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত হলেন। বৃহস্পতিবার নিউ ইয়র্ক সিটির কুইন্স সিভিল কোর্ট হাউসে আয়োজিত শপথ অনুষ্ঠানে উচ্চপদস্থ বিচারপতি,সরকারি কর্মকর্তা ও বিভিন্ন কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রচলিত রীতির পাশাপাশি পরিবেশন করা হয় বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত—যা প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য ছিল এক আবেগঘন ও ঐতিহাসিক মুহূর্ত।পরে পবিত্র কোরআন স্পর্শ করে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করেন। গত ৪ নভেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে বিজয়ী হয়ে নিউ ইয়র্ক স্টেট সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি নির্বাচিত হন সোমা সাঈদ।তাঁর এই অর্জন কেবল ব্যক্তিগত সাফল্য নয়; এটি যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি সমাজের জন্য এক অনন্য গর্বের প্রতীক। বিশ্লেষকদের মতে,এই শপথ যুক্তরাষ্ট্রের বহুসাংস্কৃতিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতান্ত্রিক বাস্তবতার একটি শক্তিশালী বার্তা বহন করে।যোগ্যতা,অধ্যবসায় ও সততার মাধ্যমে জাতিগত পরিচয় বা অভিবাসী পরিচয় কখনোই অগ্রগতির পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায় না—সোমা সাঈদের এই অর্জন তারই বাস্তব প্রমাণ।

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন

সংবাদ

শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার তদন্তে জাতিসংঘের সহায়তা চাওয়ার সিদ্ধান্ত
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে যুক্তরাজ্যের সতর্কতা
খাগড়াছড়ির সাবেক মেয়র রফিকুল আলম ঢাকায় গ্রেপ্তার
পরিবর্তন ও সংস্কারের প্রতীক দাঁড়িপাল্লা ও শাপলা কলি: নাহিদ ইসলাম
খুলনায় সেলুনের সামনে গুলিতে যুবক নিহত
বিএনপি বাতিল করল ঢাকার সমাবেশ, তারেক রহমান দেবেন মহানগর এলাকায় নির্বাচনী বক্তব্য
কায়সার কামাল: অন্ধবিশ্বাস নয়, যুক্তির ভোট দিন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: ভোট দেওয়ার জন্য সব প্রস্তুতি শেষ—ইসি আনোয়ারুল
জাকসুর ভিপি আবদুর রশিদ জিতু বিএনপিতে যোগ
ইবনে সিনা হাসপাতালে শত কোটি টাকার লুটপাট, অভিযোগের কেন্দ্রে ডা. তাহের