বিশ্বব্যাংকের সালিশি আদালতে এস আলম গ্রুপের করা অভিযোগের বিরুদ্ধে সরকার লড়বে-গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর
  • newadminnewadmin
  • ডিসেম্বর ১৭, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক।।আলোচিত ব্যবসায়ী গোষ্ঠী এস আলম গ্রুপ বিশ্বব্যাংকের সালিশি আদালত ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর সেটেলমেন্ট অব ইনভেস্টমেন্ট ডিসপিউটসে যে আবেদন করেছে,তার বিরুদ্ধে আইনিভাবে লড়বে বাংলাদেশ ব্যাংক। বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টার ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ ও পাচার করা অর্থ পুনরুদ্ধার সংক্রান্ত বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। একইসঙ্গে তিনি এস আলম গ্রুপের বিশ্বব্যাংকের সালিশি আদালতে যাওয়াকে ‘চোরের মায়ের বড় গলা’ বলেও উল্লেখ করেছেন। এস আলম গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান সাইফুল আলম ও তার পরিবারের আইনজীবীরা গত ২৭ অক্টোবর ওয়াশিংটনে অবস্থিত ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর সেটেলমেন্ট অব ইনভেস্টমেন্ট ডিসপিউটসে এই আবেদন জমা দেন। লন্ডনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমস এই খবর দিয়েছে। আবেদনে বলা হয়েছে,সরকার তাদের ব্যাংক হিসাব জব্দের পাশাপাশি সম্পদ বাজেয়াপ্ত করেছে।সেই সঙ্গে ব্যবসায়িক লেনদেন নিয়ে ‘ভিত্তিহীন’ তদন্ত করেছে।শুধু তাই নয়,এস আলম পরিবারের বিরুদ্ধে ‘প্ররোচনামূলক মিডিয়া অভিযান’ চালানো হয়েছে।আইনজীবীরা দাবি করেছেন,এসব কারণে এস আলম পরিবারের শত কোটি ডলার ক্ষতি হয়েছে। আবেদনে অবশ্য তারা ক্ষতিপূরণের সুনির্দিষ্ট হিসাব উল্লেখ করেননি। ২০০৪ সালে বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর দ্বিপক্ষীয় বিনিয়োগ চুক্তির আওতায় এই সালিশি মামলা করা হয়েছে।এস আলমের পরিবার বর্তমানে সিঙ্গাপুরে বসবাস করছে।ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের খবর অনুযায়ী,পরিবারটি ২০২০ সালে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব ত্যাগ করার পর ২০২১ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে সিঙ্গাপুরের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছে। এস আলমের পরিবারের অভিযোগ,এই পরিবারকে লক্ষ্য করে বিভিন্ন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার।যেমন,অযৌক্তিকভাবে সম্পদ জব্দ ও বাজেয়াপ্ত করা এবং সম্পদ ধ্বংস করা। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতন হওয়ার পর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে যে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়,সেই সরকার এস আলম পরিবারের বিরুদ্ধে এসব ব্যবস্থা নিচ্ছে। আহসান এইচ মনসুর বলেন,এস আলম দাবি করেছেন তিনি সিঙ্গাপুরের নাগরিক।আমরা দেখাবো…

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
৯ দিনে দেশে ১১৬ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে
  • newadminnewadmin
  • ডিসেম্বর ১০, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক।।চলতি মাসের প্রথম ৯ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১১৬ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার।এই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ১২ কোটি ৯০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন,ডিসেম্বরের প্রথম ৯ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১১৬ কোটি ১০ লাখ ডলার।আর গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ৯৪ কোটি ৫০ লাখ ডলার।অর্থাৎ বছর ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে। এছাড়া গত ৯ ডিসেম্বর একদিনে প্রবাসীরা দেশে ১৫ কোটি ৪০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন জানিয়ে তিনি বলেন, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে এসেছে ১ হাজার ৪২০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স। বছর ব্যবধানে যা বেড়েছে ১৮ দশমিক ৪০ শতাংশ। এর আগে গত নভেম্বরে এসেছে চলতি অর্থবছরের সর্বোচ্চ ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স।আর গত অক্টোবর ও সেপ্টেম্বরে দেশে এসেছিল যথাক্রমে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ হাজার ও ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স।আর গত আগস্ট ও জুলাইয়ে যথাক্রমে দেশে এসেছিল ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার ও ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। এদিকে,গত ২০২৪-২৫ অর্থবছর জুড়ে দেশে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স,যা দেশের ইতিহাসে কোনো নির্দিষ্ট অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড।

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
পে স্কেল ঘোষণা করা সহজ কাজ নয়-অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ
  • newadminnewadmin
  • ডিসেম্বর ১০, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক।।নবম পে-স্কেলের চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশের জন্য সরকারি চাকরিজীবীরা সময়সীমা নির্ধারণ করেছেন। তারা জানিয়েছেন,আগামী ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন বেতন কাঠামোর গেজেট প্রকাশ না হলে ১৭ ডিসেম্বর থেকে কঠোর কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামবেন।এ বিষয়ে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন,পে স্কেল ঘোষণা করা সহজ কাজ নয়,অনেকগুলো বিষয় জড়িত।কর্মচারীদের আলটিমেটামের মধ্যে এত কম সময়ে ঘোষণা করা সম্ভব হবে না। আমরা কাজ করছি।’ বুধবার (১০ ডিসেম্বর) পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে সংবাদমাধ্যমকে এসব কথা বলেন তিনি। এর আগে রাজধানীর এক হোটেলে সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (এসডিএফ) আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থ উপদেষ্টা দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং উন্নয়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি উল্লেখ করেন,দেশে দরিদ্রতা বাড়ছে।এর অন্যতম কারণ ভালো প্রজেক্ট নিয়েও সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা হয় না।এটা সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।আইনে দুর্বলতা আছে, দুর্নীতি আছে,সিস্টেমের জটিলতা–সবকিছু মিলিয়েই সমস্যা।’ উদ্যোক্তা তৈরির ওপর জোর দিয়ে ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘ঋণ নিয়ে উদ্যোক্তা হওয়া ভালো।নারীরা উদ্যমী, হিসাবী।তারা ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ারে খরচ করে বেশি।তাই তাদেরকে উদ্যোক্তা তৈরি করতে হবে।’ তিনি আরও বলেন,শহরে প্রপার্টি বাড়ছে,কিন্তু উচিত হলো একে ডিসেন্ট্রালাইজ করা।শহর দরকার আছে,কিন্তু গ্রামকে আরও চমৎকার এবং আকর্ষণীয় করতে হবে।এসডিএফের রোল আরও বলিষ্ঠ হতে হবে।সুবিধাভোগী বাড়াতে হবে। দেশের মানুষের প্রতি দায়িত্ববোধ ও আত্মমানবতায় অবদান রাখতে হবে।’ উল্লেখ্য,গত জুলাইয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের সুযোগ-সুবিধা পর্যালোচনায় অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত পে কমিশনকে ছয় মাসের মধ্যে সুপারিশ জমা দেয়ার সময় বেঁধে দেয়া হয়।সে হিসাবে কমিশনের হাতে সময় রয়েছে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
আমরা ইতিমধ্যেই ঋণের ফাঁদে পড়েছি-এনবিআর চেয়ারম্যান,আবদুর রহমান খান
  • newadminnewadmin
  • ডিসেম্বর ৮, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক।।দেশের ঋণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন নীতিনির্ধারক ও বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের উদ্বেগ,বাংলাদেশ ঋণের ফাঁদে পড়ে যেতে পারে। সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান বলেন,প্রয়োজনীয় সংস্কার ও আর্থিক শৃঙ্খলা নিশ্চিত করে রাজস্ব আদায় বাড়াতে না পারলে বাংলাদেশ গুরুতর ঋণের ফাঁদে পড়ে যেতে পারে,এম আশঙ্কা আছে। অন্যদিকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান আরও স্পষ্টভাবে মন্তব্য করেন,আমরা ইতিমধ্যেই ঋণের ফাঁদে পড়েছি;এ সত্য স্বীকার না করলে সামনে এগোনো সম্ভব নয়।’ সোমবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সেমিনারে এসব কথা বলেন তাঁরা। বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি) ‘বাংলাদেশ স্টেট অব দ্য ইকোনমি ২০২৫’ ও ‘টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) অগ্রগতি প্রতিবেদন ২০২৫’ প্রকাশ ও উপস্থাপন উপলক্ষে এ সেমিনার আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার অর্থবিষয়ক বিশেষ সহকারী আনিসুজ্জামান চৌধুরী।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর। উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম,প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের এসডিজি–বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ,অর্থ বিভাগের সচিব মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার ও পরিকল্পনা বিভাগের সচিব এস এম শাকিল আখতার। অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ।অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের (জিইডি) সদস্য মঞ্জুর হোসেন।মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জিইডির অতিরিক্ত সচিব মনিরা বেগম। অনুষ্ঠানে সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান বলেন,ঋণের ফাঁদে পড়া আমাদের দেশের জন্য ভালো হবে না।তখন ঋণ নিয়ে আবার ঋণ পরিশোধ করতে হবে। ইতিমধ্যে রাজস্ব বাজেটে ব্যয়ের প্রধান খাতের মধ্যে ছিল সরকারি কর্মচারীদের বেতন ও পেনশন।এরপর দ্বিতীয় স্থানে ছিল কৃষি ও শিক্ষা।কিন্তু কৃষি ও শিক্ষার মতো খাত পেছনে ফেলে এখন জায়গা এখন নিয়েছে…

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
আইএমএফ’র কথা শুনলে মুদ্রার দাম পাকিস্তান বা শ্রীলঙ্কার মতো হয়ে যেত-গভর্নর
  • newadminnewadmin
  • ডিসেম্বর ৮, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক।।বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেছেন-মুদ্রার বিনিময় হারের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কথা শুনলে বাংলাদেশের মুদ্রার দাম পাকিস্তান বা শ্রীলঙ্কার মতো হয়ে যেত। সোমবার (৮ ডিসেম্বর) পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের এনইসি সম্মেলন কক্ষে ‘টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য মাত্রা অর্জনে বাংলাদেশের অগ্রগতি’ শীর্ষক প্রতিবেদন উপস্থাপন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। গভর্নর বলেন,বৈদেশিক মুদ্রার বাজার স্থিতিশীল না হওয়া পর্যন্ত ডলারের দাম আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের পরামর্শ অনুযায়ী বাজারভিত্তিক করার পথে বাংলাদেশ এগোয়নি।সেটা হলে মুদ্রার দাম শ্রীলঙ্কা বা পাকিস্তানের মতো দ্রুত ঊর্ধ্বমুখী হতে পারতো।বর্তমানে হয়ত ১৯০-২০০ টাকায় পৌঁছাত।আমরা সব ক্ষেত্রে তাদের কথা শুনিনি।অনেকেই এ সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন।তবে আজ আমাদের মুদ্রার বিনিময় হার নিয়ন্ত্রণে আছে। তিনি আরও বলেন,আগে সাড়ে ৩ বিলিয়ন ডলার বিদেশি দায় পরিশোধে জোর দেয়া হয়েছিল।কারণ এ দায়ের জন্য এলসি খোলার গ্যারান্টির সুবিধা কম ছিল।মুদ্রাবাজার স্থিতিশীলতা ছিল প্রয়োজন,যাতে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে থাকে। যখন দায়িত্ব নিয়েছিলাম,ডলার দর ছিল ১২০ টাকা; এখন প্রায় ১২২ টাকা।রিজার্ভও বেড়েছে। সুদহার কমানোর বিষয়ে সরকারের ভেতরে-বাইরে আলোচনা হচ্ছে জানিয়ে গভর্নর বলেন,সরকারের ভেতরে-বাইরে আলোচনা চলছে।তবে সুদহার বাড়ানোর ফলে মূল্যস্ফীতি কমেছে।বর্তমানে মুদ্রাবাজারে কোনো হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে না। আমানত হার বেড়েছে,বাজেট সহায়তার জন্য টাকা ছাপানো বন্ধ করা হয়েছে এবং ডলার বেচা বন্ধ হয়েছে।এনবিআর রাজস্ব বাড়ালে সরকারের ঋণের চাপ কমবে এবং আমানত আরও বাড়বে। এদিকে,রাজস্ব আদায় চলতি বছরে ১৫ শতাংশ বেড়েছে তবু কর-জিডিপি অনুপাত কমছে,যা ভাবনার বিষয় বলে মন্তব্য করেছেন এনবিআর চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান।তিনি বলেন,জিডিপি হিসাবের কোথাও ঘাটতি আছে কি না তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।ভ্যাট আইন কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা হয়নি।এখন থেকে করছাড় আর এনবিআর স্বয়ং দেবে না,এজন্য সংসদ থেকে অনুমোদন নিতে হবে।চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে রাজস্বে ২০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হলেও ভ্যাট ও অন্যান্য কর কোথায় হারাচ্ছে,তা শনাক্ত করার…

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
এবার সেরা ভ্যাটদাতা প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা দেয়া হবে না-এনবিআর
  • newadminnewadmin
  • ডিসেম্বর ২, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক।।ভ্যাট দিতে উৎসাহিত করতে জাতীয় ও জেলা পর্যায়ে সেরা ভ্যাটদাতা প্রতিষ্ঠানকে সম্মানিত করার রেওয়াজ রয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর)। দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সেই রেওয়াজ থেকে বেরিয়ে এসেছে এনবিআর।তাই গতবারের মতো এবারেও সেরা ভ্যাটদাতা প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা দিচ্ছে না সরকারি এ সংস্থাটি। এনবিআরের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে এ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন,আগামী ১০ ডিসেম্বর ভ্যাট দিবস,আর ১০ থেকে ১৫ ডিসেম্বর ভ্যাট সপ্তাহ পালন করবে এনবিআর। এ লক্ষ্যে গত নভেম্বর মাসেই ভ্যাট দিবস ও ভ্যাট সপ্তাহ, ২০২৫ উদযাপন উপলক্ষে কেন্দ্রীয় স্টিয়ারিং কমিটি গঠন করে এনবিআর। এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খানকে সভাপতি করে নয় সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়।কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন—কাস্টমস : নিরীক্ষা,আধুনিকায়ন ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, কাস্টমস : রপ্তানি,বন্ড ও আইটি, কর নীতি,কাস্টমস : নীতি ও আইসিটি,মুসক বাস্তবায়ন ও আইটি শুল্ক ও ভ্যাট প্রশাসন,মুসক নীতি,মূসক নিরীক্ষা ও গোয়েন্দা দপ্তরের সদস্য পদমর্যাদার কর্মকর্তারা।

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
নভেম্বর মাসে ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে
  • newadminnewadmin
  • ডিসেম্বর ১, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক।।সদ্যবিদায়ী নভেম্বর মাসে দেশে এসেছে ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা চলতি ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের যে কোনো মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। এই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ৯ কোটি ৬৩ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। সোমবার (১ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। এতে বলা হয়,নভেম্বরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার ডলার।এর মধ্যে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৫৮ কোটি ৭৭ লাখ ৬০ হাজার ডলার। এছাড়া বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ২৯ কোটি ৮৯ লাখ ৫০ হাজার ডলার,বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে ১৯৯ কোটি ৬৮ লাখ ৭০ হাজার ডলার ও বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৫৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স। বাংলাদেশ ব্যাংক আরও জানায়,২৩ থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ৭৫ কোটি ৪৫ লাখ ৩০ হাজার ডলার। নভেম্বরের ১৬ থেকে ২২ তারিখ পর্যন্ত দেশে এসেছে ৬১ কোটি ২২ লাখ ৭০ হাজার ডলার।৯ থেকে ১৫ নভেম্বর দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৭৬ কোটি ৮৪ লাখ ৮০ হাজার ডলার।২ থেকে ৮ নভেম্বর দেশে এসেছে ৭১ কোটি ১০ লাখ ৭০ হাজার ডলার। আর নভেম্বরের প্রথম দিন প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ৪ কোটি ৩১ লাখ ৮০ হাজার ডলার। এর আগে গত অক্টোবর ও সেপ্টেম্বরে দেশে এসেছে যথাক্রমে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ হাজার ও ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স।আর গত আগস্ট ও জুলাইয়ে যথাক্রমে দেশে এসেছিল ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার ও ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। এদিকে,গত ২০২৪-২৫ অর্থবছর জুড়ে দেশে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স,যা দেশের ইতিহাসে কোনো নির্দিষ্ট অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড।

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
ডলারের দর পতন ঠেকাতে আবারো সরকার ডলার কিনেছে
  • newadminnewadmin
  • ডিসেম্বর ১, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক।।দুই মাস পর নিলামের মাধ্যমে আবারও বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।মূলত ডলারের দর পতন ঠেকাতে এবং দাম যাতে অনেক নিচে নেমে না যায়,সে জন্যই আবার ডলার কেনা শুরু করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। রোববার বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে ১২২ টাকা ২৫ পয়সা দরে ৫৪ মিলিয়ন ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।এতে চলতি অর্থবছরের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত ডলার কেনার পরিমাণ দাঁড়াল ২ বিলিয়নেরও বেশি। বৃহস্পতিবার ডলারের দর ১২২ টাকা ১৭ পয়সায় নেমে যাওয়ায় নিলাম করল বাংলাদেশ ব্যাংক।এতে বাজারে এক ধরনের সংকেত দেওয়া হলো যে,ডলারের দর যেন ১২২ টাকা ২৫ পয়সার নিচে না নামে—এমনটিই বলেছেন একটি বেসরকারি ব্যাংকের ট্রেজারি বিভাগের একজন কর্মকর্তা। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী,ইন্টারব্যাংক বাজারে দুই সপ্তাহ আগে ডলারের সর্বনিম্ন দর ছিল ১২২ টাকা ৪৮ পয়সা; যা গত বৃহস্পতিবার নেমে আসে ১২২ টাকা ১৭ পয়সায়। বাংলাদেশ ব্যাংক সর্বশেষ ডলার কিনেছিল ৬ অক্টোবর।চলতি বছরের জুলাই থেকে নিলামের মাধ্যমে ডলার কেনা শুরু করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।ডলারের যোগান বেশি হলে দাম কমে,আর চাহিদা বেশি হলে দাম বাড়ে। ডলারের দর কমার পেছনে কয়েকটি কারণ জানিয়েছেন ব্যাংকাররা। প্রথমত,সরকারি বড় পেমেন্টের চাপ কমেছে।ফলে দুই সপ্তাহ আগের তুলনায় ডলারের চাহিদাও কিছুটা কমেছে। দ্বিতীয়ত,দেশে নতুন ব্যবসা-বাণিজ্য বা বিনিয়োগ কার্যত নেই। ব্যবসায়ীরা নতুন বিনিয়োগ করছেন না। এতে আমদানি, বিশেষ করে মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি কমে গেছে।সেপ্টেম্বর শেষে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি মাত্র ৬ দশমিক ২৯ শতাংশ,যা রেকর্ড সর্বনিম্ন।অর্থাৎ পর্যাপ্ত ডলার থাকা সত্ত্বেও ব্যবসায়ীরা আমদানিতে আগ্রহী নন। তৃতীয়ত,মাসের শেষ দিকে বিদেশে স্যালারি প্রদানের সময় হওয়ায় রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে।এতে ব্যাংকগুলোতে চাহিদার তুলনায় যোগান বেশি দেখা দিয়েছে। মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ মহবুবুর রহমান বলেন,ইতোমধ্যে সরকারি বড় বড় পেমেন্ট হয়ে গেছে।সামনে তেমন বড় পেমেন্ট নেই। তাই ডলারের…

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’-এর কার্যক্রম শুরু
  • newadminnewadmin
  • নভেম্বর ৩০, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক।।বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে চূড়ান্ত অনুমোদনের মাধ্যমে দেশের সবচেয়ে বড় ও সরকারি ইসলামী ব্যাংক ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’-এর কার্যক্রম শুরু হলো। রোববার (৩০ নভেম্বর) সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক বোর্ড সভা।এর মাধ্যমে নতুন ব্যাংকের কার্যক্রম শুরু করতে আর কোনো বাধা থাকল না অর্থ মন্ত্রণালয়ের। এর আগে অর্থ মন্ত্রণালের আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ৯ নভেম্বর প্রাথমিক অনুমোদন দেয়া হয় সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের। যেখানে আরজিএসসি থেকে কোম্পানি নাম ছাড়পত্র,ব্যাংকের চলতি হিসাব খোলাসহ ব্যাংক কোম্পানি আইনের বিধিবিধান পূরণের দায়িত্ব পড়ে সরকারের ওপর। রোববার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে চূড়ান্ত অনুমোদনের মাধ্যমে ব্যাংকটির কার্যক্রম শুরু হলো।শিগগিরই আমানতকারীদের অর্থ পরিশোধ,সুদের হার,বেতন স্কেলসহ বিস্তারিত স্কিম নির্ধারণ করার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের কার্যক্রম আগামী সপ্তাহ থেকে শুরু হবে-গভর্নর আহসান এইচ মনসুর
  • newadminnewadmin
  • নভেম্বর ২৯, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক।।ইসলামী ধারার ৫ ব্যাংক নিয়ে গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের কার্যক্রম আগামী সপ্তাহ থেকে শুরু হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর। শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে চতুর্থ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান। গভর্নর বলেন,পাঁচটি ব্যাংকের মাধ্যমে আমরা নতুন একটি ব্যাংক তৈরি করব।আমরা আশাবাদী,এটা আগামী সপ্তাহে লঞ্চিং হয়ে যাবে।’ তিনি বলেন,আমাদের যে খারাপ ব্যাংকগুলো আছে,খারাপ আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো আছে,যেগুলো অচল হয়ে আছে, ডিপোজিটরদের টাকা দিতে পারছে না,সেগুলোকে তো আমাদের কিছু একটা করতে হবে।আমরা পাঁচটা ব্যাংকের ক্ষেত্রে ব্যাংক রেজল্যুশন অর্ডিন্যান্স প্রয়োগ করতে যাচ্ছি।’ অতীতে রাজনৈতিক প্রভাবেই ব্যাংক খাত সংকটে পড়েছিল জানিয়ে ড. মনসুর বলেন,ভবিষ্যতে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ করে বাংলাদেশ ব্যাংকের স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত রাখতে হবে। ৯টি নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে অতি দ্রুত অবসায়ন করা হবে। এসময় দেশে এই মুহূর্তে ডলার সংকট না থাকায় যত ইচ্ছা আমদানি করা যাবে বলে জানান গভর্নর। গভর্নর বলেন,মূল্যস্ফীতি কমাতে ডলার এক্সচেঞ্জ রেট বাজার ভিত্তিক করা হয়েছে,এতে আমরা সফল হয়েছি৷ আমরা যত ইচ্ছে আমদানি করতে পারি,ব্যাংকিং খাতে আমদানিতে কোনো সমস্যা নেই। যদি কেউ আমদানি করতে না পারে; সেটা তার নিজের সমস্যা বলেও জানান ড. মনসুর।তিনি বলেন,আমদানি করার পর টাকা নিয়ে আসা ব্যবসায়ীদের দায়িত্ব। দেশে ডলার সংকট নেই জানিয়ে তিনি আরও বলেন, রমজানকে কেন্দ্র করে এখনো পর্যন্ত কোনো শঙ্কা নেই আমদানিতে।প্রতিটি পণ্যের আমদানি বেশি হয়েছে।অর্থপাচার হওয়ার কারণে আগে আমদানির চিত্র উল্টো দেখানো হতো। তবে এখন বাড়ছে। ঋণ খেলাপি নিয়ে গভর্নর বলেন,আমাদের আশা ছিল ২০ শতাংশ হবে ঋণ খেলাপি; তবে এটি অকল্পনীয় ৩৫ শতাংশ। ধাপে ধাপে ব্যংকিং খাতের সকল সমস্যা সমাধান করা হবে। ব্যাংকিং খাতের দুরাবস্থার অন্যতম কারণ বন্ড মার্কেট এবং স্টক মার্কেট ঠিক নেই।আরও বেশি খারাপ অবস্থা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিগুলোর।এসব আস্থাহীনতা থেকে আমাদের…

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন

সংবাদ

শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার তদন্তে জাতিসংঘের সহায়তা চাওয়ার সিদ্ধান্ত
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে যুক্তরাজ্যের সতর্কতা
খাগড়াছড়ির সাবেক মেয়র রফিকুল আলম ঢাকায় গ্রেপ্তার
পরিবর্তন ও সংস্কারের প্রতীক দাঁড়িপাল্লা ও শাপলা কলি: নাহিদ ইসলাম
খুলনায় সেলুনের সামনে গুলিতে যুবক নিহত
বিএনপি বাতিল করল ঢাকার সমাবেশ, তারেক রহমান দেবেন মহানগর এলাকায় নির্বাচনী বক্তব্য
কায়সার কামাল: অন্ধবিশ্বাস নয়, যুক্তির ভোট দিন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: ভোট দেওয়ার জন্য সব প্রস্তুতি শেষ—ইসি আনোয়ারুল
জাকসুর ভিপি আবদুর রশিদ জিতু বিএনপিতে যোগ
ইবনে সিনা হাসপাতালে শত কোটি টাকার লুটপাট, অভিযোগের কেন্দ্রে ডা. তাহের