নিজস্ব প্রতিবেদক।।বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত গভীর সংকটে রয়েছে।খেলাপি ঋণের পাহাড়,আমানতকারীর আস্থাহীনতা এবং দুর্বল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার মধ্যে নতুন বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত মাইক্রোক্রেডিট ব্যাংক “ইউনূস–ব্যাংক” গঠনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।এই উদ্যোগ কেবল অর্থনৈতিক প্রশ্ন নয়,বরং রাজনৈতিক, সামাজিক এবং নৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকেও গুরুত্বপূর্ণ। অর্থনৈতিক ও ব্যাংকিং প্রেক্ষাপট ব্যাংক/প্রতিষ্ঠান মোট ঋণ (কোটি টাকা) খেলাপি ঋণ (%) বার্ষিক মুনাফা (%) সামাজিক প্রভাব গ্রামীণ ব্যাংক 50,000 5 2 উচ্চ (দারিদ্র্য বিমোচন, নারীর ক্ষমতায়ন) অন্যান্য ক্ষুদ্রঋণ 20,000 15 5 মধ্যম (ঋণপ্রাপকদের সচ্ছলতা অসম্পূর্ণ) বড় বাণিজ্যিক ব্যাংক 150,000 12 10 মধ্যম–নিম্ন (অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, সামাজিক প্রভাব সীমিত) নতুন “ইউনূস–ব্যাংক” (প্রস্তাবিত) 10,000 অজানা অজানা উচ্চ সম্ভাবনা (মাইক্রোক্রেডিট) কিন্তু নিয়ন্ত্রণের ঝুঁকি আছে > বিশ্লেষণ: খেলাপি ঋণ সর্বাধিক বড় বাণিজ্যিক ব্যাংকে,যা আর্থিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি। গ্রামীণ ব্যাংকের তুলনায় অন্যান্য ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের ঝুঁকি বেশি। নতুন ব্যাংক গঠনের সম্ভাব্য সামাজিক প্রভাব গ্রামীণ ব্যাংকের মডেল অনুসারে উচ্চ,তবে নিয়ন্ত্রণহীন হলে ঋণগ্রহীতাদের ওপর চাপ বাড়তে পারে। রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দৃষ্টিকোণ নতুন ব্যাংক অনুমোদন চলমান অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে অধ্যাদেশের মাধ্যমে দেওয়া হয়েছে। এটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। বিশেষ সুবিধা থাকায় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতার প্রশ্ন উঠেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন,এটি ক্ষমতার ব্র্যান্ডিং হিসেবে ব্যবহার হতে পারে। সামাজিক বাস্তবতা ও ঝুঁকি মাইক্রোক্রেডিটের ২০–৩০% ঋণগ্রহীতা সফলভাবে অর্থনৈতিকভাবে স্বনির্ভর হতে পারে। শিক্ষার অভাব,অতিরিক্ত ঋণগ্রহণ এবং স্থানীয় প্রশাসনিক ত্রুটি ঝুঁকি বাড়ায়। গ্রামীণ ব্যাংকও সময় সময় ঋণগ্রহীতাদের চাপ ও সামাজিক সমস্যার মুখোমুখি হয়েছে। আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট আন্তর্জাতিকভাবে নিয়ন্ত্রিত মডেল ছাড়া মাইক্রোক্রেডিট প্রকল্প ব্যর্থ হতে পারে। বিশ্বব্যাংক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক রিপোর্টে এ বিষয়ে সতর্কতা রয়েছে। তথ্যচিত্র (ডায়াগ্রাম-ভিত্তিক তুলনা) ডায়াগ্রাম বিষয়বস্তু: 1. মোট ঋণ ও খেলাপি ঋণ – ব্যাংকভিত্তিক তুলনামূলক বার চার্ট। 2. বার্ষিক মুনাফা – ব্যাংকভিত্তিক লাইন গ্রাফ। 3. সামাজিক প্রভাব – রেটিং ১–৫: ১…
বিস্তারিত পড়ুন
সর্বশেষ সংবাদ :———