সঞ্চয়পত্রে অতিরিক্ত কাটা কর ফেরত দেবে সরকার
  • newadminnewadmin
  • ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক।।সরকার সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত কেটে নেওয়া উৎসে কর ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জানুয়ারি মাসে যেখানে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগের মুনাফার ওপর কর ৫% হওয়া উচিত ছিল,সেখানে ১০% কেটে নেওয়া হয়েছিল। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের বাড়তি কাটা কর পরের মাসের মুনাফার সঙ্গে ফেরত দেওয়া হবে। সঞ্চয় অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. রওশন আরা বেগম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

Loading

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
ব্যাংকিং খাতে সামনে আরও কঠিন চ্যালেঞ্জ, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতের আহ্বান: অর্থ উপদেষ্টা
  • newadminnewadmin
  • ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক।।ভবিষ্যতে দেশের ব্যাংকিং খাতের জন্য আরও কঠিন চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ।তিনি বলেন, এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ব্যাংকগুলোকে এখন থেকেই স্বচ্ছতা,জবাবদিহি এবং পেশাগত উৎকর্ষ নিশ্চিত করতে হবে। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) আয়োজিত সোনালী ব্যাংকের ‘বার্ষিক সম্মেলন ২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অর্থ উপদেষ্টা বলেন,অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি যতটা সম্ভব স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেছে।তবে দীর্ঘমেয়াদী সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়ন এবং ভবিষ্যতের সম্ভাব্য সংকট উত্তরণের দায়িত্ব পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের ওপরই বর্তাবে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন,খেলাপি ঋণ কমাতে ব্যাংকগুলোকে ঋণ প্রদানের ক্ষেত্রে আরও সতর্ক ও সাহসী হতে হবে।তিনি বলেন,ঋণগ্রহীতার প্রকৃত পরিশোধ সক্ষমতা যাচাই করেই ঋণ দিতে হবে এবং খেলাপি ঋণ আদায়ে কোনো ধরনের শৈথিল্য দেখানো যাবে না। এ সময় রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ানো এবং রপ্তানি বাণিজ্যে ব্যাংকগুলোর কার্যকর ভূমিকার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন গভর্নর। সোনালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরীর সভাপতিত্বে আয়োজিত এ সম্মেলনে ব্যাংকটির সাম্প্রতিক আর্থিক চিত্র তুলে ধরা হয়।বর্তমানে সোনালী ব্যাংকের শাখা সংখ্যা ১ হাজার ২৩৪টি।ব্যাংকটির মোট আমানতের পরিমাণ ১ লাখ ৭৯ হাজার ৮৭৮ কোটি টাকা এবং ঋণের পরিমাণ ১ লাখ ৪ হাজার ৭২৩ কোটি টাকা। বর্তমানে সোনালী ব্যাংকের খেলাপি ঋণের হার ১৫ দশমিক ৩৪ শতাংশ।তবে চলতি বছরে ১০ হাজার কোটি টাকার বেশি মুনাফা অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে রাষ্ট্রায়ত্ত এই ব্যাংক।

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
উন্নয়ন নেই, তবু ঋণ বাড়ছে—বাংলাদেশের বাস্তবতায় অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ
  • newadminnewadmin
  • জানুয়ারি ২৮, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক।।বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর বড় কোনো নতুন উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন না হলেও রাষ্ট্রীয় ঋণের পরিমাণ দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে।এই বাস্তবতা শুধু অতীত সরকারের নেওয়া সিদ্ধান্তের উত্তরাধিকার নয়,বরং বর্তমান সরকারের আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও স্বচ্ছতার প্রশ্নও সামনে আনছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী,২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত দেশের মোট দেশি ও বৈদেশিক ঋণের স্থিতি ছিল প্রায় ১৮.৩৫ লক্ষ কোটি টাকা।অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বৈদেশিক ঋণের কিস্তি ও সুদ পরিশোধ,টাকার ধারাবাহিক অবমূল্যায়ন এবং বাজেট ঘাটতির কারণে এই অংক বেড়ে বর্তমানে প্রায় ২৩ লক্ষ কোটি টাকার কাছাকাছি পৌঁছেছে।বাস্তবে নতুন উন্নয়ন ব্যয় না থাকলেও কাগজে-কলমে ঋণের এই দ্রুত বৃদ্ধি জনমনে প্রশ্ন তৈরি করেছে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন,অন্তর্বর্তী সরকার নতুন প্রকল্প হাতে না নিলেও ঋণ ব্যবস্থাপনায় কার্যকর কোনো কৌশল দৃশ্যমান হয়নি।বৈদেশিক মুদ্রার বিপরীতে টাকার দরপতন রোধে শক্ত পদক্ষেপ না নেওয়ায় আগেই নেওয়া ডলারভিত্তিক ঋণের টাকামূল্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে বেড়ে যাচ্ছে।এতে নতুন ঋণ না নিলেও রাষ্ট্রীয় দায় বাড়ছে,যা সরাসরি সরকারের আর্থিক সক্ষমতার ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। বাংলাদেশের বাৎসরিক রাজস্ব আয় বর্তমানে আনুমানিক ৫ থেকে সাড়ে ৫ লক্ষ কোটি টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ।অথচ প্রতিবছর ঋণের সুদ ও আসল পরিশোধেই ব্যয় হচ্ছে কয়েক লক্ষ কোটি টাকা।ফলে রাজস্ব আয়ের বড় অংশই চলে যাচ্ছে পুরোনো ঋণ শোধে।উন্নয়ন,কর্মসংস্থান বা উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগের সুযোগ সংকুচিত হয়ে পড়ছে,যা অর্থনীতির গতি আরও মন্থর করছে। সমালোচকদের মতে,অন্তর্বর্তী সরকারের অন্যতম দায়িত্ব ছিল অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফেরানো ও ঋণচাপ কমানোর একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ দেওয়া।কিন্তু বাস্তবে এখন পর্যন্ত ঋণ পুনঃতফসিল,ব্যয় সংকোচন কিংবা রাজস্ব সংস্কার—কোনোটিই দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখাতে পারেনি সরকার।ফলে অতীতের দায়ের সঙ্গে বর্তমানের সিদ্ধান্তহীনতা যুক্ত হয়ে ঋণ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলছেন,এই ধারা অব্যাহত থাকলে বাজেটের বড় একটি অংশ…

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
আমদানি বাড়ায় দেশের বাণিজ্য ঘাটতি উদ্বেগজনক পর্যায়ে
  • newadminnewadmin
  • জানুয়ারি ১৫, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক।।চলতি অর্থবছরের (২০২৫-২৬) প্রথম পাঁচ মাসে বাংলাদেশের পণ্য বাণিজ্যে ঘাটতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৪০ কোটি ৭০ লাখ ডলার,যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৫.৬৩ শতাংশ বেশি।বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। জুলাই–নভেম্বর সময়ে রফতানি আয় ছিল ১৮ দশমিক ১৮ বিলিয়ন ডলার,সামান্য বৃদ্ধি পেলেও আমদানি বেড়ে হয়েছে ২৭ দশমিক ৫৯ বিলিয়ন ডলার,যার কারণে ঘাটতি বাড়তে বাধ্য হয়েছে। কারেন্ট অ্যাকাউন্টও ঋণাত্মক অবস্থায় রয়েছে।নভেম্বর শেষে চলতি হিসাবের ঘাটতি ৭০ কোটি ডলার,আগের বছরের ৫৭ কোটি ডলারের তুলনায় বেশি।তবে সামগ্রিক লেনদেনের পরিমাণ ৭৭ কোটি ডলারে পজিটিভ,যা দেশের বৈদেশিক অবস্থার কিছুটা স্থিতিশীলতার দিক নির্দেশ করছে। প্রবাসী রেমিট্যান্স বেড়ে ১৩০৪ কোটি ডলার এবং প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (FDI) ৬৫ কোটি ডলার হয়েছে। তবে দেশের শেয়ারবাজারে বিদেশি বিনিয়োগ নেতিবাচক অবস্থায় নেমেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন,রফতানির তুলনায় আমদানি বেশি হওয়ায় এবং বিশ্ববাজারে জ্বালানি ও অন্যান্য পণ্যের মূল্য বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশ পণ্য বাণিজ্যে ঘাটতিতে পড়েছে।

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
ভারত থেকে আমদানিতে সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি,বয়কট আহ্বানের প্রভাব নেই
  • newadminnewadmin
  • জানুয়ারি ১৪, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক।।বিভিন্ন সময়ে সরকারসংশ্লিষ্ট মহল থেকে ভারতনির্ভরতা কমানোর কথা বলা হলেও সদ্যসমাপ্ত অর্থবছরে ভারত থেকে আমদানিতে তার কোনো প্রভাব পড়েনি।বরং ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের পণ্য আমদানির প্রধান উৎসগুলোর মধ্যে ভারত থেকেই আমদানি ব্যয়ের প্রবৃদ্ধি সবচেয়ে বেশি হয়েছে। বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুযায়ী,২০২৪–২৫ অর্থবছরে ভারত থেকে আমদানি ব্যয় দাঁড়িয়েছে ৯৬৯ দশমিক ৩ কোটি টাকা,যা আগের অর্থবছরের ৮৯৮ দশমিক ৯ কোটি টাকার তুলনায় ৭ দশমিক ৮৩ শতাংশ বেশি।এই প্রবৃদ্ধি অন্যান্য প্রধান আমদানিকারক দেশের তুলনায় সর্বোচ্চ। সমীক্ষার তথ্য অনুযায়ী,একই সময়ে চীন থেকে আমদানি ব্যয় ৭ দশমিক ৭৩ শতাংশ বেড়ে ২ হাজার ৫২ দশমিক ২ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।সিঙ্গাপুর থেকে আমদানি বেড়েছে ৬ দশমিক ৫৩ শতাংশ,দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ৪ দশমিক ১৬ শতাংশ এবং জাপান থেকে আমদানি বেড়েছে শূন্য দশমিক ৮২ শতাংশ। অন্যদিকে কয়েকটি দেশ থেকে আমদানি ব্যয় কমেছে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি ১৩ দশমিক ৭ শতাংশ কমে ২৫০ দশমিক ৬ কোটি টাকায় নেমে এসেছে।মালয়েশিয়া থেকে আমদানি কমেছে ১৪ দশমিক ১৯ শতাংশ।তাইওয়ান থেকেও আমদানি ৮ দশমিক ২ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। অর্থনীতিবিদদের মতে,ভৌগোলিক নিকটতা,তুলনামূলক কম পরিবহন ব্যয় এবং খাদ্যশস্য ও শিল্পের কাঁচামালে ভারতের প্রতিযোগিতামূলক মূল্য বাংলাদেশের আমদানিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভারতীয় পণ্য বর্জনের আহ্বান থাকলেও তা রাষ্ট্রীয় আমদানি পরিসংখ্যানে প্রতিফলিত হয়নি। বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুযায়ী,সামগ্রিকভাবে ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের আমদানির প্রধান উৎসগুলোর মধ্যে ভারত,চীন ও অন্যান্য দেশ থেকেই আমদানির প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। সূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫, বণিক বার্তা

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
এলসি সংকট ও অর্থনৈতিক আইসিইউ: বাংলাদেশ–শ্রীলঙ্কা–পাকিস্তান: একটি তুলনামূলক অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ
  • newadminnewadmin
  • জানুয়ারি ৮, ২০২৬

বিশেষ অর্থনৈতিক রিপোর্ট।।ব্যাক টু ব্যাক এলসি হ্রাস, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানিতে ধস এবং জ্বালানি আমদানির সংকোচন—এই তিনটি সূচক একত্রে কোনো দেশের অর্থনীতির “লাইফলাইন” নির্দেশ করে।সাম্প্রতিক সময়ে এসব সূচকে বাংলাদেশ যে নেতিবাচক প্রবণতার মুখে পড়েছে,তা দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দুই সংকটাপন্ন অর্থনীতি—শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানের সঙ্গে তুলনা করলে আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। 📊 মূল অর্থনৈতিক সূচকের তুলনামূলক চিত্র ১️⃣ এলসি প্রবৃদ্ধি (LC Growth %) চার্টে দেখা যাচ্ছে— বাংলাদেশ: –১৮% শ্রীলঙ্কা: –২৫% পাকিস্তান: –২২% 🔎 বিশ্লেষণ: বাংলাদেশ এখনো শ্রীলঙ্কার মতো চূড়ান্ত ধসে না পড়লেও প্রবণতাগতভাবে একই পথে অগ্রসর হচ্ছে। এলসি হ্রাস মানে আমদানি সংকোচন → উৎপাদন হ্রাস → রপ্তানি ও কর্মসংস্থান ঝুঁকিতে। — ২️⃣ মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি প্রবৃদ্ধি দেশ প্রবৃদ্ধি বাংলাদেশ –২১% শ্রীলঙ্কা –৩০% পাকিস্তান –২৭% 🔎 বিশ্লেষণ: এটি সবচেয়ে বিপজ্জনক সূচক। কারণ— মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি কমা মানে ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ বন্ধ শিল্প সম্প্রসারণ ও প্রযুক্তি আপগ্রেড থেমে যাওয়া মধ্যম আয়ের ফাঁদে আটকে পড়ার ঝুঁকি বাংলাদেশ এখানে পাকিস্তানের কাছাকাছি অবস্থানে, যা সতর্ক সংকেত। — ৩️⃣ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ (বিলিয়ন ডলার) চার্ট অনুযায়ী— বাংলাদেশ: ≈ ২০ বিলিয়ন ডলার পাকিস্তান: ≈ ৮ বিলিয়ন ডলার শ্রীলঙ্কা: ≈ ৪ বিলিয়ন ডলার 🔎 বিশ্লেষণ: রিজার্ভে বাংলাদেশ তুলনামূলক ভালো অবস্থানে থাকলেও— আমদানি বিল পরিশোধের চাপ বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ ডলার বাজারে আস্থাহীনতা এই তিন কারণে রিজার্ভ কার্যকরভাবে কম শক্তিশালী হয়ে পড়ছে। — 4️⃣ মূল্যস্ফীতি (Inflation Rate %) দেশ মূল্যস্ফীতি বাংলাদেশ ৯.৮% শ্রীলঙ্কা ৬.৫% পাকিস্তান ২৩% 🔎 বিশ্লেষণ: পাকিস্তান ইতোমধ্যে মূল্যস্ফীতিজনিত সামাজিক সংকটে পড়েছে। বাংলাদেশ এখনো সেই স্তরে না গেলেও— খাদ্য জ্বালানি পরিবহন খাতে চাপ বাড়ছে, যা নিম্ন ও মধ্যবিত্তের ক্রয়ক্ষমতা ক্ষয় করছে। — 🌍 আন্তর্জাতিক তুলনা: বাংলাদেশ কি শ্রীলঙ্কা-পথে? সূচক বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কা (সংকট-পূর্ব) এলসি সংকোচন শুরু তীব্র ডলার সংকট…

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
নতুন “ইউনূস–ব্যাংক”: ব্যাংকিং সংকটের সমাধান নাকি ঝুঁকিপূর্ণ পদক্ষেপ?
  • newadminnewadmin
  • ডিসেম্বর ২১, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক।।বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত গভীর সংকটে রয়েছে।খেলাপি ঋণের পাহাড়,আমানতকারীর আস্থাহীনতা এবং দুর্বল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার মধ্যে নতুন বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত মাইক্রোক্রেডিট ব্যাংক “ইউনূস–ব্যাংক” গঠনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।এই উদ্যোগ কেবল অর্থনৈতিক প্রশ্ন নয়,বরং রাজনৈতিক, সামাজিক এবং নৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকেও গুরুত্বপূর্ণ। অর্থনৈতিক ও ব্যাংকিং প্রেক্ষাপট ব্যাংক/প্রতিষ্ঠান মোট ঋণ (কোটি টাকা) খেলাপি ঋণ (%) বার্ষিক মুনাফা (%) সামাজিক প্রভাব গ্রামীণ ব্যাংক 50,000 5 2 উচ্চ (দারিদ্র্য বিমোচন, নারীর ক্ষমতায়ন) অন্যান্য ক্ষুদ্রঋণ 20,000 15 5 মধ্যম (ঋণপ্রাপকদের সচ্ছলতা অসম্পূর্ণ) বড় বাণিজ্যিক ব্যাংক 150,000 12 10 মধ্যম–নিম্ন (অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, সামাজিক প্রভাব সীমিত) নতুন “ইউনূস–ব্যাংক” (প্রস্তাবিত) 10,000 অজানা অজানা উচ্চ সম্ভাবনা (মাইক্রোক্রেডিট) কিন্তু নিয়ন্ত্রণের ঝুঁকি আছে > বিশ্লেষণ: খেলাপি ঋণ সর্বাধিক বড় বাণিজ্যিক ব্যাংকে,যা আর্থিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি। গ্রামীণ ব্যাংকের তুলনায় অন্যান্য ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের ঝুঁকি বেশি। নতুন ব্যাংক গঠনের সম্ভাব্য সামাজিক প্রভাব গ্রামীণ ব্যাংকের মডেল অনুসারে উচ্চ,তবে নিয়ন্ত্রণহীন হলে ঋণগ্রহীতাদের ওপর চাপ বাড়তে পারে। রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দৃষ্টিকোণ নতুন ব্যাংক অনুমোদন চলমান অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে অধ্যাদেশের মাধ্যমে দেওয়া হয়েছে। এটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। বিশেষ সুবিধা থাকায় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতার প্রশ্ন উঠেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন,এটি ক্ষমতার ব্র্যান্ডিং হিসেবে ব্যবহার হতে পারে। সামাজিক বাস্তবতা ও ঝুঁকি মাইক্রোক্রেডিটের ২০–৩০% ঋণগ্রহীতা সফলভাবে অর্থনৈতিকভাবে স্বনির্ভর হতে পারে। শিক্ষার অভাব,অতিরিক্ত ঋণগ্রহণ এবং স্থানীয় প্রশাসনিক ত্রুটি ঝুঁকি বাড়ায়। গ্রামীণ ব্যাংকও সময় সময় ঋণগ্রহীতাদের চাপ ও সামাজিক সমস্যার মুখোমুখি হয়েছে। আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট আন্তর্জাতিকভাবে নিয়ন্ত্রিত মডেল ছাড়া মাইক্রোক্রেডিট প্রকল্প ব্যর্থ হতে পারে। বিশ্বব্যাংক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক রিপোর্টে এ বিষয়ে সতর্কতা রয়েছে। তথ্যচিত্র (ডায়াগ্রাম-ভিত্তিক তুলনা) ডায়াগ্রাম বিষয়বস্তু: 1. মোট ঋণ ও খেলাপি ঋণ – ব্যাংকভিত্তিক তুলনামূলক বার চার্ট। 2. বার্ষিক মুনাফা – ব্যাংকভিত্তিক লাইন গ্রাফ। 3. সামাজিক প্রভাব – রেটিং ১–৫: ১…

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
ধার করে নয়-রিজার্ভে নিজেদের সক্ষমতাতেই বাড়াতে হবে-গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর
  • newadminnewadmin
  • ডিসেম্বর ১৮, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক।।বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন,ধার করে নয়,বরং দেশের রিজার্ভ নিজেদের সক্ষমতাতেই বাড়াতে হবে। বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাজধানীর ইআরএফ মিলনায়তনে ব্যাংকিং সেক্টর রিফর্ম,চ্যালেঞ্জ এবং করণীয় শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন। গভর্নর বলেন,বাংলাদেশের খেলাপি ঋণ প্রায় ৩৬ শতাংশ, যা হয়ত পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি।আমরা কোন তথ্য গোপন করিনি।তবে ডিসেম্বরে পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হতে পারে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পূর্ণ স্বাধীনতা দরকার বলেও জানান গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর।তিনি বলেন,প্রয়োজনে আন্দোলন করতে হবে।অন্তর্বর্তী সরকার যাতে তাদের সময়ে এটা করে যেতে পারে,তাই আমরা চাই।’ আসন্ন ক্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের অর্থনীতি ভেঙে পড়ার কোন সম্ভাবনা জানিয়ে তিনি বলেন,ধার করে বা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) থেকে অর্থ নিয়ে রিজার্ভ বাড়ানো দরকার নেই।আমাদের রিজার্ভ আমাদেরই বাড়াতে হবে।আমাদের লক্ষ্য চলতি বছরে ৩৪-৩৫ বিলিয়নে রিজার্ভ নিয়ে যাওয়া। এদিকে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সবশেষ বলছে, গত ১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ৩২৪৮২ দশমিক ৮৮ মিলিয়ন ডলার। আর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ এখন ২৭৮১৭ দশমিক ৮৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
স্বাক্ষর জাল করে ঋণ পুনঃতপশিল চেষ্টায় মান্নাসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা
  • newadminnewadmin
  • ডিসেম্বর ১৭, ২০২৫

বগুড়া প্রতিনিধি।।স্বাক্ষর জাল করে ঋণ পুনঃতপশিল চেষ্টার ঘটনায় নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নাসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।মামলায় ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. এম জুবায়দুর রহমান,নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নাসহ সাতজনকে আসামি করা হয়েছে। বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার কিচকে অবস্থিত আফাকু কোল্ড স্টোরেজের পলাতক ব্যবস্থাপনা পরিচালকের ভুয়া উপস্থিতি দেখিয়ে বোর্ড সভার রেজুলেশন তৈরি,স্বাক্ষর জালিয়াতি এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা উপেক্ষা করে ৩৮ কোটি টাকার খেলাপি ঋণ পুনঃতপশিলের চেষ্টার অভিযোগে এ মামলা করা হয়।আফাকু কোল্ড স্টোরেজের চেয়ারম্যান হচ্ছেন মাহমুদুর রহমান মান্না। গত ১১ ডিসেম্বর বগুড়ার শেরপুর উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের ব্যবসায়ী মিল্লাত হোসেন এ মামলাটি বগুড়ার অবকাশকালীন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে করেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী আবদুল ওহাব জানান,সিনিয়র স্পেশাল জজ শাহজাহান কবির মামলাটি আমলে নিয়ে নথিপত্র ও প্রাথমিক তথ্য পর্যালোচনা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বগুড়া সমন্বিত জেলা কার্যালয়কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন। মামলার অন্য আসামিরা হলেন- আফাকু কোল্ড স্টোরেজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওমর ফারুক খান,ইনচার্জ (সিআইডি-২) মাহমুদ হোসেন খান,উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ সৈয়দ উল্লাহ,বগুড়া জোনাল ইনচার্জ সিকদার শাহাবুদ্দিন,বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক ও নীতি সহায়তা কমিটির সদস্য সচিব বায়োজিত সরকার। মামলায় বাদী অভিযোগ করেন,তার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় চুক্তিনামা সম্পাদিত হয়।চুক্তি অনুযায়ী,আফাকু কোল্ড স্টোরেজ লিমিটেডের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির মূল্য ২৫ কোটি টাকা নির্ধারণ করে তা বিক্রির লক্ষ্যে একটি চুক্তি হয়।চুক্তি অনুযায়ী সাক্ষী চুক্তির দিন ১০ কোটি টাকা বুঝিয়ে দেন এবং অবশিষ্ট ১৫ কোটি টাকা ঋণ পরিশোধের সময় পরিশোধ করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন।সম্পত্তি হস্তান্তরের বিষয়েও সম্মতি প্রকাশ করেন। তবে পরে দেখা যায়,সাক্ষী এবিএম নাজমুল কাদির শাহজাহান চৌধুরী ও তার স্ত্রী গোপনে ১৯ আগস্ট আমেরিকায় চলে যান।পলাতক অবস্থায় তাদের অনুপস্থিতিতে ৭ নম্বর আসামি তাদের স্বাক্ষর জাল করে ১ ডিসেম্বর বোর্ড সভার ভুয়া রেজুলেশন তৈরি…

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন
আমানতকারীদের টাকা ফেরতের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকেই নিতে হবে
  • newadminnewadmin
  • ডিসেম্বর ১৭, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক।।দুর্বল ব্যাংকগুলোর আমানতকারীদের টাকা ফেরতের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকেই নিতে হবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন,গত সেপ্টেম্বর শেষে ১৭টি ব্যাংকে খেলাপি ঋণ ৫০ শতাংশের বেশি।আর কোন ব্যাংক অধিগ্রহণে নেবে না বাংলাদেশ ব্যাংক। আমানতকারীদের টাকা ফেরতের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে নিতে হবে জানিয়ে তিনি আরও বলেন,প্রয়োজনে মামলা করে আমানতকারীদের টাকা ফেরাতে হবে।

বিস্তারিত পড়ুন

আরও সংবাদ পড়ুন

সংবাদ

শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার তদন্তে জাতিসংঘের সহায়তা চাওয়ার সিদ্ধান্ত
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে যুক্তরাজ্যের সতর্কতা
খাগড়াছড়ির সাবেক মেয়র রফিকুল আলম ঢাকায় গ্রেপ্তার
পরিবর্তন ও সংস্কারের প্রতীক দাঁড়িপাল্লা ও শাপলা কলি: নাহিদ ইসলাম
খুলনায় সেলুনের সামনে গুলিতে যুবক নিহত
বিএনপি বাতিল করল ঢাকার সমাবেশ, তারেক রহমান দেবেন মহানগর এলাকায় নির্বাচনী বক্তব্য
কায়সার কামাল: অন্ধবিশ্বাস নয়, যুক্তির ভোট দিন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: ভোট দেওয়ার জন্য সব প্রস্তুতি শেষ—ইসি আনোয়ারুল
জাকসুর ভিপি আবদুর রশিদ জিতু বিএনপিতে যোগ
ইবনে সিনা হাসপাতালে শত কোটি টাকার লুটপাট, অভিযোগের কেন্দ্রে ডা. তাহের