মাজহারুল ইসলাম।।প্রেমে আপনি পড়েছেন নাকি প্রেম আপনার উপর পড়েছে এই যুক্তি তর্কে হেরেছেন অনেকেই। তবে প্রেমে পড়েননি এমন মানুষ নেই বললেই চলে।গবেষণা বলছে,ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা নাকি একটু বেশিই প্রেমে পড়েন।সেই প্রেম দীর্ঘস্থায়ী হবে কিনা সেটা সুধুই সময়ের অপেক্ষা।তবে লাভ অ্যাট ফার্স্ট সাইট বলতে যে ব্যাপারটি রয়েছে তা নারী পুরুষ যে কারো ক্ষেত্রেই হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের দাবি,চার ধরনের পুরুষের প্রেমে প্রায় সব নারীরাই পড়েন। অর্থাৎ নারীরা এই তিন ধরনের পুরুষদের সঙ্গী হিসেবে বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকেন।শুধু ভালো চাকরি, গাড়ি-বাড়ি,দেখতে সুন্দর হলেই নারীর মন পাওয়া যাবে না। থাকতে হবে আরো কিছু গুণ।চলুন জেনে নেয়া যাক কোন ধরনের পুরুষের প্রেমে পড়েন নারীরা:——
এক ধরনের প্রেমিক হয় যারা ভীষণই কেয়ারিং হয়।সারাদিন কী খেয়েছ,কখন ঘুম থেকে উঠেছ,কার সঙ্গে রয়েছ,ব্যথা পেয়েছো কি না ইত্যাদি মিনিটে মিনিটে ফোন করে খোঁজ নেয়া অভ্যেস।প্রথম প্রথম এই স্বভাব খুব ভালো লাগে।কিন্তু কিছু দিন পরেই দমবন্ধ পরিস্থিতি শুরু হয়।এরাই পরবর্তীকালে অতিরিক্ত পজেসিভ প্রেমিক হয়ে ওঠে।হালকা পজেসিভনেস মিষ্টি লাগলেও,একবার চেপে বসলে বেশ কষ্ট ভোগ করতে হয়।
প্রেমের প্রথম দিক থেকে এরা যেন তেন প্রকারে যৌনতার প্রসঙ্গ টেনে আনে।যৌনতা অবশ্যই প্রেমের সম্পর্কের একটা অংশ।কিন্তু এদের মূল উদ্দেশ্যই হল শরীরীভাবে ঘনিষ্ঠ হওয়া। প্রেমের এক মাসের মধ্যে এরা যৌনতায় জড়িয়ে পড়তে চায়। এরাই কিন্তু যৌনতা হয়ে যাওয়ার পরে সেই সম্পর্কে উদাসীন হয়ে পড়ে এবং সম্পর্কটি থেকে বেরিয়ে যায়।এদের সঙ্গে শুধু বন্ধুত্ব বজায় রাখাই শ্রেয়।
অতিরিক্ত অবদমন যেমন ভালো না।আবার সম্পর্কে গা ছাড়া ভাবও ভালো নয়।এই ধরনের প্রেমিকরা তখনই সময় কাটায়, যখন নিজেদের মন চায়।প্রেমিকার ইচ্ছে নিয়ে এরা খুব একটা ভাবিত নয়।এরা নিজেদের দুনিয়াতেই বিচরণ করতে পছন্দ করে।খুবই উদাসীন।এদের আরো একটি খারাপ দিক হলো, এই একই আচরণ যদি প্রেমিকা তাদের সঙ্গে করে তা হলে এরা বেজায় চটে যায়।
এরা প্রেমের প্রথম দিকে অতিরিক্ত গদগদ থাকে।প্রেমিকা বলতে এরা অজ্ঞান হয় প্রথম দিকেই।সব সময়ের প্রেমিকার সঙ্গে কথা বলা,সব শেয়ার করে নেয়া,ঘন ঘন সেলফি দেওয়া-নেয়া ইত্যাদি করে থাকে।তখন প্রেমিকাই এদের চোখে সেরা।কিন্তু প্রেমে পড়ার রেশ কাটতে না কাটতেই এদের টনক নড়ে।তখন এরাই কিন্তু প্রেমিকার খুঁত টেনে টেনে বের করে।









