নিজস্ব প্রতিবেদক।।রাজনৈতিক অঙ্গনে সাম্প্রতিক পুনর্বিন্যাস ও দলবদলের প্রেক্ষাপটে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন মাঠপর্যায়ের কর্মীরা।সংশ্লিষ্টদের ভাষায়,“তেলের সঙ্গে তেল, পানির সঙ্গে পানি”—অর্থাৎ যে দল থেকে যাঁরা এসেছিলেন, তাঁরা শেষ পর্যন্ত নিজের রাজনৈতিক ঘরেই ফিরে যাচ্ছেন।
বিএনপি থেকে যারা অন্যত্র যোগ দিয়েছিলেন,তারা আবার বিএনপিতেই ফিরছেন।একইভাবে জামায়াতে ইসলামী থেকে যারা বের হয়ে অন্য রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হয়েছিলেন, তারাও নিজেদের পুরোনো ঠিকানায় ফিরে গেছেন।লক্ষণীয় বিষয় হলো,যাঁরা এসব যোগদান ও সমন্বয়ের প্রক্রিয়ায় নেতৃত্ব দিয়েছেন,তারা সবাই নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যেই রয়েছেন।
কিন্তু বিপাকে পড়েছেন সেই মাঠপর্যায়ের কর্মীরা,যারা দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থেকেও সিদ্ধান্তের বাইরে ছিলেন।অনেকেই কনুইয়ের গুঁতা খেয়ে সাইডলাইনে চলে যেতে বাধ্য হয়েছেন।দলীয় রদবদলের এই খেলায় তাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বিষয়টিকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতা ‘পুরাতন ভৃত্য’-এর সঙ্গে তুলনা করছেন। কবিতায় গৃহস্থের বাড়িতে কোনো কিছু হারালেই পুরোনো ভৃত্য কেষ্টাকে সন্দেহ করা হয়—“কেষ্টা ব্যাটাই চোর।” বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান রাজনীতিতেও মাঠের কর্মীরাই সেই ‘কেষ্টা’, যাদের ওপর ব্যর্থতা ও দায় চাপানো হয়, অথচ প্রকৃত সিদ্ধান্তগ্রহণকারীরা থেকে যান আড়ালে।
তারা মনে করেন, রাজনৈতিক সংস্কারে মাঠপর্যায়ের কর্মীদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত না হলে ভবিষ্যতে এই সংকট আরও গভীর হবে।
![]()







































Recent Comments