ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি।।কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় পাথরডুবি ইউনিয়নে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। প্রেমিকা তানিয়ার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,টাঙ্গাইল সদর চৌধুরী মালঞ্চ এলাকার দ্বীন ইসলামের মেয়ে তানজিলা আলম তানিয়া। তানিয়া একজন বিবাহিত মেয়ে স্বামী সন্তানও ছিলো।তানিয়া ঢাকায় একটি কলেজে লেখাপড়া করার সময় ভূরুঙ্গামারী উপজেলার পাথরডুবী ইউনিয়নের মইদাম গ্রামের এক মেয়ের সাথে পরিচয় হয় এবং আস্তে আস্তে তারা দুজনে বেস্ট ফ্রেন্ডে পরিনত হয়। সেই সুবাদে অমল কুমার মন্ডলের ছেলে অসিম কুমার মন্ডল (২২)এর সাথে পরিচয় হয়।পরিচয় থেকে ভালো লাগা আর ভালো লাগা থেকে ভালোবাসা।অসিম কুমার মোসলমান হয়ে বিয়ে করবে তানিয়াকে এই প্রতিশ্রুতি দিলে গড়ে ওঠে এক অবৈধ সম্পর্ক।এই সম্পর্ক চলাকালীন তানিয়ার কাছ থেকে বিভিন্ন সময় কাজের কথা বলে টাকা হাতিয়ে নিতো অসিম কুমার।এক পর্যায়ে একটি পালসার বাইকও কিনে দেয় তানিয়া। সবকিছু নেওয়ার পর অসিম তানিয়াকে পাত্তা না দিলে তানিয়া কয়েক মাস আগে ঢাকায় প্রেমিক অসীম কুমারের নামে ধর্ষণ ও টাকা পয়সা বাইক হাতিয়ে নেওয়ায় মামলা করেন। এমতাবস্থায় তানিয়া ১৬ ডিসেম্বর উপজেলার পাইকেছছরা ইউনিয়নে এক আত্মীয়র বাড়িতে আসে।পরে সেখান থেকে ১৭ ডিসেম্বর শনিবার একি উপজেলার পাথরডুবী মইদাম গ্রামে অসীম কুমারের বাড়িতে এসে বিয়ের দাবী জানায়।এই খবর শুনে ওই এলারকার হাজার হাজার নারী ও পুরুষ ভীর জমায় এবং চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি হয়। তানিয়ার কাছে এই সম্পর্কের কোনো ডকুমেন্টস আছে কিনা জানতে চাইলে তানিয়া ক্ষিপ্ত হয়ে গণমাধ্যম কর্মীকে বলেন, আমি সাংবাদিকের নামে মামলা দিবো কেনো আমাকে এত প্রশ্ন করেন আমি কি ডকুমেন্টস রেখে সম্পর্ক করেছি।আমার বাবা এএস পি এই থানায় ফোন দিলে সবাই বাব বাব বলবে আর স্যার বলবে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত অসিম কুমারের কাছে জানতে চাইলে তিনি প্রেমের সম্পর্ক অস্বীকার করে জানান,মেয়েটি আমার বড় বোনের বান্ধবী।তার সাথে আমার কোন প্রেমে সম্পর্ক নেই। অসীম কুমারের কাকা বিজয় মন্ডল বলেন আমার ভাতিজার নামে ধর্ষণ,মোটার সাইকেল,টাকা পয়সা এগুলোর উপরে মামলা করে তানিয়া।আমার ভাতিজা অসীম কুমার এ বিষয়ে জেলও খাটে দুই মাস।এখন সে জামিনে আছে মামলাও চলমান।এই অবস্থায় এই মেয়ে আমাদের বাড়িতে কেনো আসলো আমি বুঝি না। বিজয় মন্ডল বলেন মেয়ের সাথে আরও একটা ছেলে আসছে নাম রব্বানী।পরে রাতে সবাই মিলে আমার বাড়িতে রাখে। আজ ১৮ ডিসেম্বর রবিবার সকালে আমার বাড়ি থেকে তানিয়ার বাড়ির উদ্দেশ্য বের হয়ে চলে যায়। ভূরুঙ্গামারী থানার অফিসার ইনচার্জ আলমগীর হোসেন বলেন,খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে ছিলাম।কিন্তু এ বিষয়ে থানায় কোনো অভিযোগ পাইনি।তানিয়া চলে যাওয়ার বিষয়টি বলেন সে চলে যেতে পারে সামাজিক বিষয় যেহেতু। Post navigation হরিনাকুণ্ডুতে বেপরোয়া সুদখোর শফি,থানায় অভিযোগ তৃণমূল বিএনপি’কে নিবন্ধন দিতে হাইকোর্টের আদেশ বহাল রেখেছেন- আপিল বিভাগ