নিজস্ব প্রতিবেদক।।সেতুটি নির্মাণের জন্য ৯১৮ হেক্টর জমি অধিগ্রহণ করতে হয়েছে। * এই সেতুর নির্মাণ প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড * সেতুর নকশা প্রণয়ন করেছে আমেরিকার মাল্টিন্যাশনাল ইঞ্জিনিয়ারিং ফার্ম AECOM। * সেতুটির দৈর্ঘ্য ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার (২০,২০০০ ফুট) * প্রস্থ ১৮ দশমিক ১০ মিটার (৫৯.৪ ফুট)। * নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০১৪ সালের ৭ ডিসেম্বর * সেতুটি রক্ষণাবেক্ষণ করছে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ এবং তদারকির দায়িত্ব পালন করছে কোরিয়ান এক্সপ্রেসওয়ে ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। * সেতুর নিকটতম সেনানিবাস হলো পদ্মা সেনানিবাস। * প্রতিদিন গড়ে ৭৫ হাজার যানবাহন চলাচল করবে। * ভূমিকম্প সহনশীল মাত্রা ৯ * সেতুটির ভায়াডাক্ট ৩ দশমিক ১৮ কিলোমিটার এবং পিলার ৮১টি। মোট স্প্যান সংখ্যা ৪১। * প্রতিটি স্পেনের দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার এবং প্রতিটি স্পেনের ওজন ৩ হাজার ২০০ টন। * সেতুর স্থানাঙ্ক ২৩.৪৪৬০ ডিগ্রি (উত্তর) এবং ৯০.২৬২৩ ডিগ্রি (পূর্ব)। * পানির স্তর থেকে এই অত্যাধুনিক সেতুর উচ্চতা ৬০ ফুট এবং এর পাইলিং গভীরতা ৩৮৩ ফুট। * সেতুর উপরের তলায় চার লেনের সড়ক এবং নিচতলায় থাকবে রেললাইন। * সংযোগ সড়ক হচ্ছে জাজিরা ও মাওয়া * সংযোগ সড়কের দূরত্ব ১৪ কিলোমিটার। * দুই পাড়ে নদী শাসন ১২ কিলোমিটার * মুন্সীগঞ্জ জেলার লৌহজংয়ের সঙ্গে শরীয়তপুর ও মাদারীপুর জেলার সরাসরি সংযোগ স্থাপিত হবে * দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২৯টি জেলার সঙ্গে সংযোগ ত্বরান্বিত হবে। Post navigation ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সাংবাদিক নিপিড়নের জন্য নয়- বাবলা এমপি গাজীপুর সিটিতে অবৈধ পাঁচ কারখানার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ