নিজস্ব প্রতিবেদক।।বাংলাদেশে আইন পেশায় প্রবেশ করতে হলে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল নির্ধারিত কয়েকটি ধাপ যথাযথভাবে সম্পন্ন করতে হয়।বর্তমানে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী আইনজীবী হওয়ার শিক্ষাগত যোগ্যতা,প্রশিক্ষণ ও পরীক্ষার ধাপগুলো নিম্নরূপ—
১. শিক্ষাগত যোগ্যতা
আইনজীবী হওয়ার জন্য প্রার্থীদের অবশ্যই স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করতে হবে।
৪ বছর মেয়াদি এলএলবি (অনার্স): বাংলাদেশ বার কাউন্সিল স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এই ডিগ্রি অর্জন আইনজীবী হওয়ার সবচেয়ে প্রচলিত ও গ্রহণযোগ্য পথ।
২ বছর মেয়াদি এলএলবি (পাস): যেকোনো বিষয়ে স্নাতক (BA/BSc/BCom) ডিগ্রি অর্জনের পর এই কোর্সে ভর্তি হওয়া যায়। তবে বর্তমানে বার কাউন্সিলের এনরোলমেন্টের ক্ষেত্রে এই ডিগ্রির জন্য নির্দিষ্ট মানদণ্ড ও শর্ত অনুসরণ করা হয়।
২. শিক্ষানবিশকাল (Pupillage)
আইনে স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের পর প্রার্থীকে কমপক্ষে ১০ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন সিনিয়র আইনজীবীর অধীনে ৬ মাসের শিক্ষানবিশকাল সম্পন্ন করতে হয়। এ সময় বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে শিক্ষানবিশ হিসেবে নিবন্ধন বাধ্যতামূলক।
৩. বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট পরীক্ষা
এনরোলমেন্ট পরীক্ষাটি তিনটি ধাপে অনুষ্ঠিত হয়—
MCQ পরীক্ষা: ১০০ নম্বরের পরীক্ষায় ন্যূনতম ৫০ নম্বর পেতে হয়।
লিখিত পরীক্ষা: MCQ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পান। এখানেও ১০০ নম্বরের মধ্যে অন্তত ৫০ নম্বর অর্জন করতে হয়।
মৌখিক পরীক্ষা (ভাইভা-ভোসে): লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়।
৪. সনদ প্রাপ্তি ও পেশা শুরু
মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর বাংলাদেশ বার কাউন্সিল থেকে এনরোলমেন্ট সনদ প্রদান করা হয়।এরপর সংশ্লিষ্ট জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্যপদ গ্রহণের মাধ্যমে একজন আইনজীবী আনুষ্ঠানিকভাবে আইন পেশা শুরু করতে পারেন।
![]()








































Recent Comments