নিজস্ব প্রতিবেদক।।আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে সাংবাদিকদের জন্য নির্বাচন পর্যবেক্ষণ কার্ড বিতরণে নানা অসংগতি ও নাটকীয়তার অভিযোগ উঠেছে।মাঠপর্যায়ে দীর্ঘদিন কাজ করা অভিজ্ঞ ও সক্রিয় সাংবাদিকদের অনেকেই যেখানে পর্যবেক্ষণ কার্ড থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন,সেখানে সাংবাদিকতায় তেমন সক্রিয় নন—এমন ব্যক্তিদের নামেও কার্ড ইস্যু করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে,দলীয় সংশ্লিষ্ট কিছু ব্যক্তি বিভিন্ন পত্রিকার পরিচয়পত্র ব্যবহার করে নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ কার্ড সংগ্রহ করেছেন।আরও বিস্ময়ের বিষয় হলো—কিছু সাংবাদিককে নির্দিষ্ট কোনো এলাকা নয়,বরং “সমগ্র বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনের” অনুমতি দিয়ে কার্ড দেওয়া হয়েছে।
এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে প্রশ্ন উঠেছে—বাস্তবিক অর্থে একজন সাংবাদিক কীভাবে একযোগে সারা দেশে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন?রাজধানীভিত্তিক বা তুলনামূলক কম পরিচিত কোনো পত্রিকার একজন প্রতিনিধি যদি সারাদেশের দায়িত্ব পান,তবে তিনি কি প্রতিটি জেলায় গিয়ে কার্যকরভাবে পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন—নাকি এ ধরনের অনুমতি কেবল কাগুজে দায়িত্বেই সীমাবদ্ধ থাকবে?
সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রত্যেক সাংবাদিকের জন্য নির্দিষ্ট এলাকা নির্ধারণ করে পর্যবেক্ষণ কার্ড প্রদান করা হলে পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম আরও কার্যকর, জবাবদিহিমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য হতো।
এদিকে অভিযোগ রয়েছে,প্রথম সারির প্রতিষ্ঠিত গণমাধ্যম বাদ দিয়ে কিছু পত্রিকার নামে কার্ড নেওয়া ব্যক্তিদের সঙ্গে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের গোপন সমঝোতার কথাও শোনা যাচ্ছে। অভিযোগকারীদের দাবি,দলবদ্ধভাবে গাড়ি নিয়ে কেন্দ্রভিত্তিক অবস্থান নেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে,যা নিরপেক্ষ ও স্বাধীন নির্বাচন পর্যবেক্ষণের নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই,পর্যবেক্ষণ কার্ড বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত এবং অপব্যবহার রোধে নির্বাচন কমিশনের কঠোর নজরদারি ও সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রয়োগের দাবি জানিয়েছেন সাংবাদিক ও সংশ্লিষ্ট মহল।








































Recent Comments