রাজৈর প্রতিনিধি।।মাদারীপুরের রাজৈরে একটি প্রাইমারি স্কুলে পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান প্রশ্নপত্র দিয়ে তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান পরীক্ষা গ্রহণ করেছেন সংশিষ্টরা শিক্ষকরা। বুধবার (২২ নভেম্বর) সকালে উপজেলার বৌলগ্রাম এলাকায় প্রতিষ্ঠিত ৪১ নম্বর মাচরং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণির মূল্যায়ন পরীক্ষায় এ ঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর) সকালে তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা মিলেছে জানিয়েছেন উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার তপা বিশ্বাস। জেলা শিক্ষা অফিসার তাপস পাল জানান,ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় ইতিমধ্যে বৃহস্পতিবার বিকালে পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট প্রধান শিক্ষকসহ ৩ শিক্ষককে শোকজ করা হয়েছে।এ ছাড়া নতুন প্রশ্নপত্র তৈরি করে পুনরায় ভুক্তভোগী তৃতীয় ও পঞ্চম শ্রেণির ওই শিশু শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নেওয়ার নিদের্শনা দেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগী তৃতীয় শ্রেণির পরীক্ষার্থীরা জানায়,আমাদের যে প্রশ্ন দিছে তাতে কোনো কিছুই কমন পড়ে নাই। তাই আমাদের পরীক্ষা ভালো হয়নি।আমরা পরীক্ষা দিয়ে চলে যাওয়ার পর আমাদের বাড়ি গিয়ে প্রশ্নপত্র ফেরত এনেছেন রবিউল ভাই (স্কুলের দপ্তরি)। অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক কাজী শাহাজুল বলেন,প্রধান শিক্ষক টিপু সুলতান আমার হাতে যেভাবে প্রশ্নপত্র দিয়েছেন, আমি সেইভাবে এনেই পরীক্ষার্থীদের হাতে দিয়েছি। কিন্তু প্রশ্নপত্র চেক করে দেখি নাই। স্কুলের প্রধান শিক্ষক টিপু সুলতান বলেন,বিজ্ঞান পরীক্ষার দিন আমার খালা মারা যাওয়ায় তড়িঘড়ি করে সহকারী শিক্ষকদের কাছে প্রশ্নপত্র দিয়ে চলে যাই।ভুলের বিষয়টি আমি বিকালে জানতে পারি।তৃতীয় শ্রেণির প্রশ্নের জায়গায় পঞ্চম শ্রেণির প্রশ্নপত্র দেওয়ায় আমি দুঃখিত।একই জায়গায় দুটি শ্রেণির প্রশ্নপত্র থাকায় আমি বিষয়টি খেয়াল করিনি। উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা তপা বিশ্বাস বলেন,সরেজমিনে তদন্ত করে এ ঘটনার সত্যতা পেয়েছি।এ সময় বেশ কয়েকজন সাংবাদিক উপস্থিত ছিল।আমি আমার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে এ প্রতিবেদনটি সাবমিট করেছি। পরবর্তীতে তারা যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। জেলা শিক্ষা অফিসার তাপস পাল জানান,ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় ইতিমধ্যে পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট তিন শিক্ষককে শোকজ করা হয়েছে।নতুন প্রশ্নপত্র তৈরি করে পুনরায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নেওয়ার নিদের্শনা দেওয়া হয়েছে। Post navigation ববির ভিসি বিদায় হওয়ায় আনন্দ উল্লাস এবং মিষ্টি বিতরণ জাবির পরবর্তী উপাচার্য হবেন কে?