জনগণের মুখপাত্র

সত্য ও বস্তুনিষ্ট সর্বশেষ সংবাদ

দ্বিতীয় দিনেই অনেকটা বদলে গেছে রাজপথের দৃশ্য

নিজস্ব প্রতিবেদক।।এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে চালুর দ্বিতীয় দিনেই অনেকটা বদলে গেছে রাজপথের দৃশ্য।সোমবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিমানবন্দর থেকে ফার্মগেটের পথে অনেকটাই কমেছে গাড়ির চাপ।তাই ওপরে গতির পাশাপাশি কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরেছে নিচের সড়কে।

বনানী সিগন্যালে প্রতিদিনই পানি বিক্রি করে সাগর।রোববার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর পর্যন্ত প্রতিদিন হাজার টাকা বেচাকেনা হলেও সোমবার তা তিনশোও হয়নি।এতে আক্ষেপে পুড়ছেন তিনি।

এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে চালুর দ্বিতীয় দিনে বনানীতে তুলনামূলক কমেছে গাড়ির চাপ,নেই আগের মতো যানজট। তাই সাগরের আক্ষেপ যেন ঢাকাবাসীর জন্য সুখবর।স্বস্তির এমন চিত্র ধরা পড়েছে খিলক্ষেত,মহাখালী,বিজয় সরণি ও ফার্মগেট এলাকাতেও।

প্রথমদিনে নতুন গতিময় এই উড়াল সড়কে বারোটা পর্যন্ত গাড়ি চলেছে চার হাজার ৭৪০,একদিনে গাড়ি চলেছে প্রায় ২৩ হাজার।যেখানে পরের দিন বারোটায় এই সংখ্যা ছয় হাজার ৭৫০।বোঝাই যাচ্ছে ক্রমেই বাড়বে এই সংখ্যা।তবে ব্যক্তিগত গাড়ি ওপরে উঠায় প্রথমদিন মিশ্র প্রতিক্রিয়া থাকলেও সোমবার এসে কিছুটা স্বস্তিতে ওপরের পাশাপাশি নিচের পথেও।

স্থানীয়রা বলছেন,নিচের রাস্তা মনে হচ্ছে অনেকটা ফ্রি। প্রাইভেটকারগুলো ওপর দিয়ে যাওয়ার কারণে আপাতত যানজট একটু কমেছে।

ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগ বলছে,র‌্যাম্পগুলোতে উঠানামায় নগরবাসী অভ্যস্ত হলেই বাড়বে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে চলাচল,ধীরে ধীরে মিলবে আরও সুফল।কারণ,উড়াল পথের র‌্যাম্পগুলোর সঙ্গে চালকরা পরিচিত হলে চাপ বাড়বে নতুন পথে,এতে নিচের সড়কে ফিরবে স্বস্তি।

তবে এই পথে গণপরিবহন নেই বলে যারা ক্ষোভ প্রকাশ করছেন তাদের উদ্দেশে নগরবিদরা বলছেন,এমন সড়ক কখনোই গণপরিবহনের জন্য নয়।তবে ওপরে যত বেশি সম্ভব ব্যক্তিগত ও পণ্য পরিবহনের গাড়ি তুলে দিতে পারলেই নীচের পথে কাঙ্ক্ষিত সুফল মিলবে।