নিজস্ব প্রতিবেদক।।আমি আগেও বলেছি,শিল্পী সমিতি থেকে আমার নেবার কিছু নেই।তাই এই দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি আমি আমার নিজের কাজে ভীষণ ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছি।এরই ভেতরে দুটি সিনেমার কাজ শেষ করলাম।পাশাপাশি একটি টিভিসিও শেষ হলো সম্প্রতি।একজন শিল্পী হিসেবে আমার কাজ হলোঅনস্ক্রীনে নিজের কাজটি করে যাওয়া।সেটিই আমি করে যাচ্ছি।এর মাঝে কে কি বললো তা নিয়ে মাথা ব্যাথা করাতে চাই না।’কাজের ব্যস্ততা জানাতে গিয়ে কথাগুলো বললেন চিত্রনায়িকা নিপুণ আক্তার।

অতি সম্প্রতি কান উৎসবে বাংলাদেশি স্টল ও তার প্রতিনিধিত্ব করার জন্য জায়েদখানসহ একটি টীম যাবার কথা ছিল।কিন্তু ভিসা অনুমোদন না হওয়ায় শিল্পী প্রতিনিধিদের কেউই যেতে পারেননি।সেই প্রতিনিধি দলে নিপুণ কেন ছিলেন না এমন প্রশ্নে নিপুণ বলেন,প্রথমত সেই টীমে জায়েদ খানকে রাখাটা আমাকে বিষ্মিত করেছে।মূলত একারনেই আমি যাইনি। আর আমি না হয় না গেলাম।কিন্তু এদেশে সিনিয়র অভিনয় শিল্পীরা আছেন অনেকেই,তাদের কাউকে কেন বলা হলো না? আমার মতে এই বিষয়গুলো নিয়ে আমাদের সকলেরই বিবেচনা করা উচিত যে,আরো ভাবা উচিত। আমরা কোথায় কখন কাকে রিপ্রেজেন্ট করছি।’

উল্লেখ্য, সম্প্রতি নিপুণ একান্ত পারিবারিক ভ্রমণে মালদ্বীপ ঘুরে এলেন।কিন্তু এই ভ্রমণের কিছু ছবি নিয়েও আপত্তিকর ভাবে ট্রল হয়েছেন নিপণ। নিপুণ বলেন,আমাদের রুচি ও ভাবনার বদল হওয়া প্রয়োজন।আমরা যারা শোবিজে কাজ করি।তারা ভ্যাকেশনে একটি ভাল জায়গায় সময় কাটতে পারবো না,এটা কেমন কথা?

প্রথমত আমি আমার মেয়েকে নিয়ে গিয়েছিলাম সেখানে।এটা আমার একান্ত ফ্যামিলি ভ্যাকেশন। কিন্তু এ নিয়েও তির্যক কথা শুনতে হয় আমাদের।বিভিন্ন সোস্যাল মিডিয়ার কুটতর্কে আমরা সেলিব্রিটিদের ইমেজ এমন এক জায়গায় নিয়ে গিয়েছি,যা খুবই আপত্তিজনক।অথচ আমাদের শোবিজের অধিকাংশ শিক্ষিত মার্জিত ও ভাল পরিবার থেকেই এসেছে। আজ আমাদের একজন আলমগীর,একজন ফারুক,একজন সোহেল রানার পরিবার,তাদের শিক্ষা,স্ট্যাটাস কার থেকে কম,বলুন? তাই আমরা শিল্পীদের সম্মান দিতে শিখি। পাশাপাশি নিজেরাও নিজেদের আর ছোট না করি।’

নাগরিক টিভির ঈদ অনুষ্ঠান তারায় তারায় অনুষ্ঠানে সৈকত সালাউদ্দিনের উপস্থাপনায় একটি প্রশ্নের জবাবে নিপুণ বললেন,আমার ক্যারিয়ারে শাকিবের সাথে আরো অনেকগুলো ছবি হবার কথা ছিল।কিন্ত শাকিব-অপু সম্পর্কের কারণে হয়নি।

এমন প্রসঙ্গে নিপুণ বলেন, মনও হয়েছে।ছবির গল্প,আমার চরিত্র বুঝিয়ে দিয়ে গেছে।এমনকি আমার অ্যাডভান্স পেমেন্টও করে গেছেন প্রডিউসার।কিন্তু সেটা অপু বিশ্বাস করেছে।এতে অপুর প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই।অপু আমার খুব ভাল বন্ধু।ওর ক্রাইসিস টাইমে আমিই ওকে সবচেয়ে বেশি সাপোর্ট দিয়েছি।আসলে ফিল্ম ক্যারিয়ারে এগুলো থাকবেই। তাতে অপুর প্রতি আমার দু:খ, রাগ বা ক্ষোভ নেই।নিয়তির নিয়মটাই হয়ত এমন!

শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালনের নানান রকম অভিযোগ প্রসঙ্গে বলেন,দেখুন।আমি নিজের অভিনয়ের কাজে ব্যস্ত। পাশাপাশি আমার একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান আছে,সেটি পরিচালনা করি।এরপরও যদি কেউ বলে তাহলে বলার কিছুই নেই।

প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সম্পাদকমন্ডলীর উপদেষ্টা:- ডক্টর শাম্মী আহমেদ* এ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন। *প্রকাশক-সম্পাদক:- এম মাজহারুল ইসলাম। **নির্বাহী সম্পাদক:--------------। **প্রধান বার্তা সম্পাদক:- ------------** বার্তা সম্পাদক:- এইচকেএম রোকন মিয়া। **ব্যবস্হাপনা সম্পাদক:- মোঃ শামীম আহমেদ* মোঃ মনিরুল ইসলাম। *আইন উপদেষ্টা:- এ্যাডভোকেট মোঃ মনজিল মোরশেদ* এ্যাডভোকেট মোঃ আফজালুল করিম। ** বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:- এএমএম টাওয়ার মেরুল বাড্ডা(প্রগতি সরণি) ঢাকা-১২১২। প্রতিষ্ঠা অফিস:- শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক( ১০৮ সদর রোড) বরিশাল। যোগাযোগের মোবাইল নাম্বার:-০১৯১৫-৬৩৩০৬০। E-Mail:-mazharulislam55683@gmail.com-jugantorbarta24@gmail.com-digitalbdnews2018@gmail.com Missed