গাবতলী(বগুড়া) প্রতিনিধি।।বগুড়া গাবতলী উপজেলার বাগবাড়ী ছোট ইটালি গ্রামের দাদন(সুদ) ব্যবসায়িক মাঝবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক সাখাওয়াত হোসেন ওরফে শাহিনুর মাষ্টারের দাদনের টাকার শিকার।

একই গ্রামের নির্যাতিত-নিষ্পেষিত অসহায় হতদরিদ্র নিরীহ ভুক্তভোগী সিএনজি চালক মৃতঃ বুলু মোল্লার ছেলে আব্দুল ছালাম বিগত ২০০৭ইং সালে পারিবারিক অভাব-অনটনের তারোনায় মাত্র ০৭সাত হাজার টাকা সাখাওয়াত হোঃ ওরফে শাহিনুর মাষ্টারের নিকট থেকে গ্রহন করে।

পরবর্তীতে সেই টাকা পরিশোধের জন্য নিজ বাড়ি-ঘরসহ ভিটা জমি বিক্রয় করে সুদ দিতে দিতে প্রায় ০১লক্ষ ২৯হাজার টাকা পরিশোধ করে।

তা শর্তেও উক্ত ভুক্তভোগীকে নানা রকম প্রলোভন দেখিয়ে আশা ও গাক এনজিও হতে মোটা অংকের লোন করে দেয়ার নাম করে ০১টি স্বাক্ষর করা ফাঁকা চেক ও ০৩শত টাকার নন জুডিশিয়াল ষ্টাম যোগসাজশের মাধ্যমে হাতিয়ে নেয় এবং পরবর্তীতে মিথ্যা-জালিয়াতি করে ষড়যন্ত্র মূলক ভাবে গত ০৮ই নভেম্বর-২০ইং তারিখে বগুড়া জেলার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে ২৬০সি/২০২০(গাব) নাম্বার মামলা দায়ের করে।

ভুক্তভোগী ও এলাকা সূত্রে জানা যায় যে,ভুক্তভোগীর সেই মামলা নিষ্পত্তির জন্য দাদন(সুদ) ব্যবসায়িক সাখাওয়াত হোঃ ওরফে শাহিনুর মাষ্টার দফায় দফায় কয়েক বার ভুক্তভোগীর নিকট থেকে মোটা অংকের আরো টাকা হাতিয়ে নেয়।
তাতেও সে ক্ষ্যান্ত না হয়ে গত ০৫ই সেপ্টেম্বর-২২ইং তারিখ রোজ সোমবার আনুঃ সকাল ০৭টায় উক্ত দাদন(সুদ) ব্যবসায়িক ও তার সহযোগী ছোট ইটালি গ্রামের মৃতঃ মুনসুর প্রাং এর ছেলে ভাড়াটিয়া সস্ত্রাসী পিন্টু প্রাং ভুক্তভোগীর বাড়িতে গিয়ে পূনরায় টাকা চেয়ে নানা রকম ভয়-ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি সহ সে চিৎকার করে বলে যে আমি মার্ডার মামলার আসামি জেল খেটে জামিন নিয়ে আরছি তোর মত আরেকটা সিএনজি ড্রাইভারকে খুন করলে কি হবে সেটা আমি দেখে নিবো বলে চলে যায়।

এদিকে দাদন(সুদ) ব্যবসায়িক সাখাওয়াত হোসেন ওরফে শাহিনুর মাষ্টারের সাথে যোগাযোগের জন্য তার মুঠোফোনে বার বার ফোন করে পাওয়া যায়নি।

অপর দিকে ভুক্তভোগী সিএনজি চালক আব্দুল ছালাম তার স্ত্রী-সন্তানসহ নিজ জীবনের নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছে এবং সে স্ত্রী-সন্তানদের ও ব্যক্তি নিরাপত্তা জন্য এই সুদ খোরের হাত থেকে ও তার মিথ্যা মামলা থেকে দ্রুত মুক্তি পাওয়ার জন্য সরকারের সকল আইন ও প্রশাসনের নিকট দু’হাত জোর করে অনুরোধ জানিয়েছেন।

By admin