নিজস্ব প্রতিবেদক।।খাগড়াছড়ি পৌরসভার সাবেক মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য রফিকুল আলমকে রাজধানীর ভাটারা থানা পুলিশ বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৫টায় গ্রেপ্তার করেছে।
তার বিরুদ্ধে খাগড়াছড়ির বিভিন্ন থানায় হত্যাসহ ৪৭টি মামলা রয়েছে।
৫ আগস্টের সরকার পতনের পর থেকে তিনি চট্টগ্রাম ও ঢাকায় আত্মগোপনে ছিলেন।
সাভার প্রতিনিধি।।এবারের নির্বাচন পরিবর্তন ও সংস্কারের নির্বাচন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও ঢাকা-১১ আসনের প্রার্থী নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন,দাঁড়িপাল্লা ও শাপলা কলি এই পরিবর্তনের প্রতীক। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সাভারে ১১ দলীয় জোটের এক নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। নাহিদ ইসলাম বলেন, “৫ আগস্টের পর জনগণ নতুন কোনো জালেমকে ক্ষমতায় দেখতে চায় না।১২ ফেব্রুয়ারি হবে সব জালেমদের পরাজয়ের দিন।” তিনি দাবি করেন,বর্তমানে দেশে ইসলামী শক্তি,তারুণ্যের শক্তি ও দেশপ্রেমিক শক্তির ঐক্য গড়ে উঠেছে এবং এই ঐক্যই সরকার গঠন করবে। তিনি আরও বলেন,জুলাই আন্দোলনের অন্যতম হটস্পট সাভার এবার ১১ দলীয় জোটের আসন হবে।সারা দেশে এই জোটের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে এবং তারাই আগামী সরকার গঠন করবে। দেশের বর্তমান সময়কে গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, “হাজারো মানুষের জীবনের বিনিময়ে এই নির্বাচন সম্ভব হচ্ছে।এগারো দল সরকার গঠন করলে দেশ আধিপত্যবাদমুক্ত হবে এবং ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গড়ে উঠবে। বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণ হবে ঢাকা থেকে,দিল্লি থেকে নয়।” ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এই হত্যার বিচারে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।অন্তর্বর্তী সরকারকে ব্যর্থ উল্লেখ করে তিনি বলেন,“হাদি হত্যার বিচার না করতে পারা আপনাদের অন্যতম ব্যর্থতা।এখনও সময় আছে, অবিলম্বে বিচারের উদ্যোগ নিন।” হাদির পরিবারের সঙ্গে কোনো অসৌজন্যমূলক আচরণ সহ্য করা হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। প্রতিপক্ষকে সমালোচনা করে নাহিদ ইসলাম বলেন, একটি দল বিভিন্ন দলকে নিজের ভেতরে নিয়ে হুমকি দিচ্ছে। “আমরা কোনো হুমকিকে ভয় পাই না,” বলেন তিনি। বিদেশে বসে দেওয়া ‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান’ বক্তব্য নিয়েও কটাক্ষ করেন এনসিপি আহ্বায়ক। রাষ্ট্র পরিচালনার অভিজ্ঞতার দাবি প্রসঙ্গে তিনি বলেন,২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত দেশের মানুষ সেই অভিজ্ঞতা দেখেছে,তাই এ বিষয়ে বড় কথা বলার সুযোগ নেই। তিনি অভিযোগ করেন,সারা দেশে…
নিজস্ব প্রতিবেদক।।পুলিশের সঙ্গে ইনকিলাব মঞ্চের সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে কেউ গুলিবিদ্ধ হননি বলে জানিয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (ঢামেক) কর্তৃপক্ষ।এমনকি আহতদের মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি নেওয়ার মতো গুরুতর কেউ নেই বলেও জানিয়েছে হাসপাতাল প্রশাসন। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে এ তথ্য জানান ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের গুলিবিদ্ধ হয়েছেন—এমন খবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এ বক্তব্য এলো। এর আগে অন্তর্বর্তী সরকার ও ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) দাবি করে যে,শুক্রবার বিকেলের বিক্ষোভ দমাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোনো ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করেনি। ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বলেন,আবদুল্লাহ আল জাবেরের বাঁ পায়ের হাঁটুর ওপর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।এ ধরনের আঘাত নিয়ে তিন-চারজন চিকিৎসা নিচ্ছেন।সব মিলিয়ে ২২ থেকে ২৩ জন আহত ব্যক্তি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসেছিলেন। চিকিৎসা নিতে আসাদের মধ্যে জাবের ছাড়াও ইনকিলাব মঞ্চের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার মুখপাত্র ও ডাকসুর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা এবং রাকসুর সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন আম্মার রয়েছেন। এ ছাড়া মনির,ফয়সাল,জয়,জুলকার,মোশাররফ,নিলয়, অনিক,উমর,রাহাত,রাসেল,আহাদ,মাহিন,আজাদ,শামিম, সোহেল,শাওন,জাবেদ ও শামিমসহ আরও কয়েকজন জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। হাসপাতাল পরিচালক বলেন,“চিকিৎসা নিতে আসা ব্যক্তিদের মধ্যে গুলিবিদ্ধ কেউ নেই।কেউ কাঁদুনে গ্যাসে আক্রান্ত হয়েছেন,কেউ লাঠির আঘাতে পেশিতে চোট পেয়েছেন, আবার দুয়েকজনের শরীরের কোথাও কেটে গেছে।” তিনি আরও জানান,আহতদের কারো আঘাতই হাসপাতালে ভর্তি নেওয়ার মতো গুরুতর নয়।প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অনেকেই হাসপাতাল ছেড়ে গেছেন।
সর্বশেষ সংবাদ :———