নিজস্ব প্রতিবেদক।।এমপিওভুক্ত প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ শিক্ষক–কর্মচারী বিশেষ সুবিধার টাকা পাচ্ছেন।প্রণোদনার হার বাড়িয়ে আদেশ জারি করেছে সরকার।

১ জুলাই থেকে এ আদেশ কার্যকর হচ্ছে।শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এ আদেশ পাঠানো হয়েছে। সোমবার অর্থ মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত চিঠি প্রকাশ করেছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে,এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বেসরকারি মাদরাসা ও বেসরকারি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত জাতীয় বেতনস্কেল-এর তুলনীয় গ্রেড-৯ হতে তদুর্ধ্ব গ্রেডে অন্তর্ভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী আগামী ১ জুলাই থেকে প্রতি বছর ১ জুলাই তারিখে প্রাপ্য মূল বেতনের ১০% হারে এবং গ্রেড-১০ হতে তদনিম্ন গ্রেডে অন্তর্ভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীগণ আগামী ০১ জুলাই ২০২৫ তারিখ হতে প্রতি বছর ০১ জুলাই তারিখে প্রাপ্য মূল বেতনের ১৫% হারে,তবে ১,৫০০ (এক হাজার পাঁচশত) টাকার কম নয়,’বিশেষ সুবিধা’ প্রাপ্য হবেন।

এর আগে সরকারি চাকরিজীবীদের প্রণোদনা বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।তবে সে সময় এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা এই সুবিধা পাবেন কিনা তা নিয়ে অস্পষ্টতা সৃষ্টি হয়।

বিষয়টি নিয়ে নানা প্রশ্নের পাশাপাশি অসন্তোষও দেখা দেয় শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে।তাদের ভরসাস্থল সরকারের উপরমহলে যোগাযোগ করে অগ্রগতি জানার অনুরোধ জানাচ্ছেন।

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য বড় সুখবর!

জানা গেছে,২০২৩ খ্রিষ্টাব্দে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রণোদনা দেয়ার ঘোষণার পর থেকে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা এ সুবিধা পাবেন কি না তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছিলো।

পরে সিদ্ধান্ত অনুয়ায়ী সরকারি কর্মচারীদের পাশাপাশি বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরাও ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দের জুলাই থেকে মূল বেতনের ৫ শতাংশ প্রণোদনা পেয়ে আসছেন।

ওই বছর অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে এ–সংক্রান্ত আলাদা চিঠিও জারি করা হয়েছিলো।চিঠিতে বলা হয়েছিলো, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা ১ জুলাই ২০২৩ থেকে প্রতিবছর ১ জুলাইয়ে প্রাপ্য বেতনের ৫ শতাংশ হারে,তবে ১ হাজার টাকার কম নয়, ‘বিশেষ সুবিধা’প্রাপ্য হবেন।অর্থ মন্ত্রণালয়ের ওই চিঠিটি তখন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটেও দেয়া হয়েছিলো।

বেসরকারি হলেও এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা সরকার থেকে মাসে মূল বেতন ও কিছু ভাতা পান।সরকার ঘোষিত বৈশাখী ভাতা এবং বার্ষিক বেতন বৃদ্ধির (ইনক্রিমেন্ট) সুবিধাও তারা পান।এর সঙ্গে এ বছর ঈদুল অজহা থেকে ৫০ শতাংশ হারে উৎসব ভাতাও পাচ্ছেন তারা।